মে’য়েদের পাঁচটি অ’ঙ্গ বড় হলে স্বা’মীরা সৌভাগ্য’বান হয়ে থাকে!

Loading...

লোকজনরা জানে না যে, পু’রুষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু না’রীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম সত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মে’য়েরা মে’য়েই থাকে
কিন্তু ছেলেরা স্বা’মী হয়ে যায়। এই জগতে অমূল্য অবদান রয়েছে ম’হিলাদের। কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রা’ণের।

আমাদের দেশে এখনো কিছু কিছু গ্রাম রয়েছে যেখানে কন্যাস’ন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শো’ক পালন করা হয়। অথচ তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে না’রীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পু’রুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা।

সবাই জানে যে না’রীরাই নতুন প্রা’ণের উৎস, তবুও না’রীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই না’রীদের স’ম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে। মু’সলিম’দের জন্য ‘হা’লাল প’তি’তালয়’ চালু করল সৌদি আরব

ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মাঝে প্রাপ্তবয়স্ক যুগলের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত আছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ। হোটেলে মিলনস’ঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন।হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল প’তিতাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা মিলনসংস’র্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের।

ভিডিওটি দেখুন

দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে মি’লনবৃত্তি চরিতার্থ করার উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক।পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকার প’তিতাদেরকে মা’দক সেবনে বাধ্য করা হবে না।

ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খ’দ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলামসম্মত ভাবেই যৌ’নসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের মিলন সংসর্গ ইসলাম স’ম্মত হবে কিভাবে? ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন।

৩০ জানুয়ারির পরীক্ষায় জয়ী হতেই হবে: তাবিথ আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আওয়াল। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ৩০ জানুয়ারি একটি পরীক্ষার দিন। এই পরীক্ষায় জয়ী হতেই হবে। তিনি নেতা-কর্মীদের মনোবল ধরে রাখারও আহ্বান জানান।আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর

উত্তর বাড্ডার বেরাইদ এলাকায় নির্বাচনী প্রচার কার্যালয় উদ্বোধনের সময় তাবিথ আওয়াল এসব কথা বলেন।নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে।দলের নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তাবিথ আওয়াল বলেন, ‘আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মনোবল ভাঙা যাবে না।

যত সমস্যাই আসুক, তা মোকাবিলা করে বিজয়ী হতে হবে।’ তিনি ওই সময় নিজের প্রতীক ধানের শীষ ছাড়াও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি–সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নবী হোসেন (ঘুড়ি প্রতীক) ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থী তালেহা ইসলামের (আনারস প্রতীক) পক্ষে ভোট চান। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করে আবার ফিরিয়ে আনব।

এর আগে সকালে তাবিথ আওয়াল উত্তর বাড্ডার রহমতউল্লাহ গার্মেন্টস এলাকা থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নতুন ধারা দেখছি। আগে পোস্টার ছেঁড়া হতো। এখন অনেক জায়গায় ব্যাটারিসুদ্ধ মাইক নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

কিছু ক্ষেত্রে ফেরত দিচ্ছে, কিছু ক্ষেত্রে হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।’নির্বাচনের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়ে তাবিথ আওয়াল বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) করে সবার জন্য একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরি করুন। নির্বাচনের আরও ১২ দিন বাকি আছে। প্রতিটি দিন যেন সবাই সুস্থভাবে প্রচার চালাতে পারেন।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন