জাল টাকার ব্যবসা, প্রধান আসামি এএসআই কারাগারে!

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ২৯ বার পাঠিত

জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এএসআই আল আমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ শহিদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। পরে পুলিশি পাহারায় তাকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, রংপুর মেট্রোপলিটান পুলিশে ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত এএসআই বর্তমানে ঢাকায় ডেল্টা ২১ কন্ট্রোলরুম প্রটেকশন বিভাগ ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশে কর্মরত। রংপুরে কর্মরত থাকা কালে জাল টাকা ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। ২০২১ সালের ৫ জুলেই পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে দুবন্ধু রংপুর নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ার পাড়ার জিসান ও মুলাটোল এলাকার সোহানকে রংপুর নগরীর সোডাপীর এলাকায় একটি হোটেলে ফোন করে ডেকে আনেন।

এরপর সেখানে তার পকেট থেকে ৫০০ টাকার এক বান্ডিল জাল নোট দেখিয়ে বলেন এসব চালাতে পারলে অর্ধেক দাম দিলেই চলবে। তারা টাকা নিতে অস্বীকার করলে অনেকটা জোর করে ৫টি ৫০০ টাকার জাল নোট তাদের দিয়ে বলেন চেষ্টা করো চালানো যায় কিনা। এ ঘটনার পর দুই বন্ধু মিঠাপুকুর যায় ওই দিন রাতেই বাসায় ফেরার পথে নগরীর দমদমা এলাকায় পুলিশ তাদের মোটরসাইকেল আটক করে তাদের তল্লাশি করে ৫টি জাল ৫০০ টাকার নোট পায়।

ভিডিওটি দেখুন

এরপর তাদের নগরীর তাজহাট থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা কালে তারা ট্রাফিক পুলিশের এএসআই আল আমিনের নাম বলে। পরে এ ঘটনায় তাজহাট থানার এসআই আসাদুল বাদী হয়ে জিসান , সোহান ও এএসআই আল আমিনের নাম উল্লেখ করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে।

আসামি জিসান ও সোহান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এতে জাল টাকা এএসআই আল আমিন তাদের দিয়েছে বলে জানায়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে এএসআই আল আমিনসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে চার্জশিট দাখিল করে।

মঙ্গলবার আসামি এএসআই আল আমিন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে সরকার পক্ষের আইনিজীবী পিপি আব্দুল মালেক অ্যাডভোকেট জানান, এএসআই জাল টাকা ব্যবসার মামলার প্রধান আসামি তার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে প্রাথমিকভাবে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
এই বিভাগের আরো খবর
[X]


সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বিরহীমন ডক কম ২০১৫-২০২২