প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে কমছে শিক্ষার্থী, বাড়ছে নুরানী মাদ্রাসায়!

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২
  • ২২ বার পাঠিত

ইসলামী শিক্ষা কার্যক্রমের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো তা বৈশ্বিক ও মানবিক হবে। তার সঙ্গে সর্ব শ্রেণির মানুষের সম্পর্ক থাকবে। কেননা পৃথিবীর সব জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় ও বংশধারা এবং সব ভূখণ্ডের জন্য ইসলাম আগমন করেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিনকে দিন কমছে। অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।তারা বলছেন, এ প্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে শহরতলী ও গ্রামের স্কুলগুলোতে।

এর কারণ প্রসঙ্গে প্রাথমিকের একাধিক শিক্ষক নেতা জানান, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকলেও মাদ্রাসা খোলা থাকা, প্রাথমিকে নিচের শ্রেণিতে ধর্মীয় পাঠ না থাকায় শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসা গমনের প্রবণতা, পরিকল্পনা ছাড়া ও কোনোরূপ অনুমতি ব্যতিরেকে নুরাণী মাদ্রাসা গড়ে তোলা, অভিভাবকদের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে শিশুদের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিমুখ করছে মাদ্রাসাগুলো।

ফেনী শহরতলীর শহরতলীর বিজয় সিংহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, ২০২০ সালে প্রাক-প্রাথমিকে প্রায় ৫০ জন ভর্তি হলেও এ বছর এখন পর্যন্ত ২২ জন ভর্তি হয়েছে। প্রথম শ্রেণিতে দুই বছর আগে ৫৬ জন ভর্তি হলেও এ বছর ভর্তি হয়েছে ৩২ জন। এর মধ্যে অল্প কিছু নতুন ভর্তি ব্যতিত বেশিরভাগই উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী।

ভিডিওটি দেখুন

একইভাবে প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ভর্তি কমেছে বলে জানিয়েছেন সিলোনীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তালেব, রামপুর হাজী শামছুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আশেক এলাহী।

আশেক এলাহী জানান, কেবলমাত্র ফেনী পৌর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডেই ১১টি নুরানী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।সদর উপজেলার ফরহাদনগরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে এখনো কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। এমন তথ্য জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্যদের এক ব্যক্তি।

সম্প্রতি ফেনীতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম। ফেনী পিটিআইতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নির্দেশনা দেন তিনি। এ সময় শিক্ষকরা উপরোক্ত সমস্যার কথাগুলো সেখানে তুলে ধরেন।

প্রসঙ্গক্রমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চলবে। তাই শিক্ষার্থী বেড়েছে বা কমেছে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে উক্ত সময়ের পর।

প্রাথমিকে পাঠদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্লেন্ডেড রুটিন অনুসরণ করে পাঠদান চলছে। করোনা মহাহারিতে সাপ্তাহে একদিন শ্রেণি পাঠদান, সংসদ টিভিতে পাঠদান, রেডিও ও গুগল মিটে পাঠদান চলছে। তাছাড়া শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম গতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
এই বিভাগের আরো খবর
[X]


সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বিরহীমন ডক কম ২০১৫-২০২২