ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে পবিত্র কোরআন মুখস্থ!

Loading...

পৃথিবীর সর্বত্র যে অশান্তি বিরাজ করছে এর জন্য আমরা প্রত্যেকেই দায়ী। কেননা, আজ আমরা পবিত্র কোরআনের শিক্ষা থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছি। শান্তির জন্য চাই শান্তির বৃক্ষে আশ্রয় নেয়া আর এ শান্তির বৃক্ষ হচ্ছে পবিত্র কোরআন।

নতুন খবর হচ্ছে, পবিত্র কোরআন মুখস্থের স্বপ্ন থাকে অনেক মুসলিমের। আর এ স্বপ্ন পূরণে অনেক মুসলিম শিশু-কিশোর একটি দীর্ঘ সময় ব্যয় করেন। আবার অনেকে শত ব্যস্ততার মধ্যেও কোরআন হিফজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন।

ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে তিন বছরে কোরআন হিফজ করেন এক ব্রিটিশ মুসলিম। এমন ব্যস্ততার মধ্যে কোরআন মুখস্ত করা অবশ্য বিস্ময়কর ঘটনা।

কিন্তু ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। তাই দীর্ঘ অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের পর আবু হাফসা পুরো কোরআন মুখস্থ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় আবু হাফসা বলেন, ‘আমি ট্যাক্সিতে কোরআন মুখস্থ শুরু করি। তখন আমার বয়স ৩০ বছর।

ভিডিওটি দেখুন

এই বয়সে কোরআন মুখস্থ করায় অনেকে বেশ অবাক হয়। আমি প্রথমে একটি ছোট কোরআনের কপি নিয়ে রাখি। ট্যাক্সি করে যাতায়াতকালে একটি আয়াত করে মুখস্থ করতে থাকি। এ সময় একটি আয়াত বার বার পাঠ করি। আবার যাতায়াতের সময় আরেক আয়াত পড়তে থাকি।’

‘আপনি প্রতিদিন এক পৃষ্ঠাকরে পড়লে এক পারা সম্পন্ন করতে ২০ দিন লাগবে। এভাবে পুরো কোরআন মুখস্থ করতে দেড় বছর সময় লাগবে।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রতিদিন পড়তে পারিনি। অনেক সময় প্রতিদিন কোরআন পড়া আমার জন্য অনেক কঠিন ছিল। তাই আমার তিন বছর সময় লেগেছে।’

অবশ্য শিক্ষকের সামনে বসে শিশু-কিশোরদের কোরআন মুখস্থের পদ্ধতি ও এর মধ্যে অনেক তফাত রয়েছে।

কারণ তারা অত্যন্ত সঠিক পন্থায় কোরআন মুখস্থ করে। তাছাড়া মহান আল্লাহর গ্রন্থ মুখস্থ করা না অবশ্য না করার চেয়েও অনেক উত্তম।

সূত্র : ইলমফিড

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন