মালয়েশিয়ায় এক হাজারের বেশি নিয়োগকর্তাকে জরিমানা করেছে পুলিশ!

Loading...

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকদের বেতন পরিশো’ধ না করায় এক হাজারেরও বেশি নিয়োগকর্তাকে জ’রিমা’না করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির অ’ভিবা’সন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল যাইমি দাউদ। স্থানীয় সময়

সোমবার (০৭ জুন) মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের সাইবারজায়া এলাকায় অ’ভিযা’ন পরিচালনার পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এসময় সাইবারজায়া এলাকার একটি নির্মাণ স্থাপনা থেকে অ’ভিযা’ন চালিয়ে ৬২ বাংলাদেশিসহ ১৫৬ বিদেশি শ্রমিককে আ’টক করা হয়।

তিনি বলেন, বিদেমি শ্রমিকদের বেতন দিতে ব্য’র্থ হওয়ায় অভি’বাসন বিভাগ তাদের বি’রু’দ্ধে অ’ভিযো’গ আনার

পর ২০১৯ সাল থেকে এই পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৬৯১ জন নিয়োগকর্তাকে ৩৩ মিলিয়ন রি’ঙ্গি’তের জরি’মানা করেছে। তারমধ্যে ২০১৯ সালে ১ হাজার ৫২ জন নিয়োগকর্তাকে ১৯ দশমিক ৩২৭ মিলিয়ন এবং ২০২০ সালে ৫০৯

জন নিয়োগকর্তাকে ১০ দশমিক ৪৫৬ মিলিয়ন ও চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ১৩০ জন নিয়োগকর্তাকে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন রি’ঙ্গি’ত জরি’মানা দিতে হয়েছে।

ভিডিওটি দেখুন

এদিকে, মালয়েশিয়ার সিভিল ডিফেন্স ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধকরণ বিভাগসহ একাধিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় তিন মাস গোয়ে’ন্দা তথ্যের পর এই অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান মালয়েশিয়া অভিবাসন

বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খাইরুল যাইমি দাউদ। তিনি আরও জানান, আ’টককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি ৬২ জন, ইন্দোনেশিয়ান ৪২ জন, মিয়ানমারের ২৯ জন, নেপালের ২০ জন, পাকিস্তান ও ভারতের একজন করে

নাগরিক রয়েছে। তাদের সবার বয়স ৪ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং বেশির ভাগই আশপাশের নির্মাণস্থলে কর্মরত ছিলেন। এদের মধ্যে ১২ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে।

অভিযানের বিষয়ে তিনি জানান, আট’কদের বেশির ভাগই অবৈধ বসবাসের অভি’যোগে ধ’রা পড়েন এবং অনেকেই এক কোম্পানির ভিসা দিয়ে অন্য কোম্পানিতে কাজ করছেন। এই বিষয়টি অবিলম্বে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো

হবে এবং যে সব নিয়োগকর্তা অ’বৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ করেছেন, তাদের বি’রু’দ্ধে (জেটিকেএসএম) তদন্ত করবে, শ্রমিকদের ন্যূনতম আবাসন ও সুযোগ-সুবিধা আইন ১৯৯০ (আইন ৪৪৬) অনুযায়ী।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন