টয়লেটে ঢাবি ছাত্রীর মৃ’ত্যু, সুরত’হাল রিপোর্টে মিললো ভ’য়’ঙ্কর তথ্য!

Loading...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন ইসরাত জাহান তুষ্টি। রাজধানীর আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টার থেকে তার মরদেহ উ’দ্ধা’রের পর গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলার ৭ নম্বর সুখারী ইউনিয়নের

নীলকণ্ঠপুর গ্রামে দাফ’ন করা হয়েছে। এই দা’ফন কার্যের আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে তার সুরতহা’ল রিপো’র্ট তৈরি করে কর্তব্যরত পুলিশ।

সেই সুরতহাল প্রতিবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেছে, বাথরুম থেকে উ’দ্ধা’র করে যখন তুষ্টির দে’হ ম’র্গে আনা হয় তখন তার পরনে ছিল লাল হাফ হাতা গেঞ্জি এবং নেভি ব্লু রঙের ট্রাউজার। চোখ-মুখ ছিল অ’র্ধ খোলা অবস্থায়,

জিহ্বা দাঁ’ত দিয়ে সামান্য কা’মড়া’নো। বুক, পেট, পিঠ, কোমর হতে পা পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল। হাত দুটি ছিল অর্ধমু’ষ্টি অবস্থায়। বাম হাতের কনুই এবং পিঠের বাম পাশে পুরাতন দা’গ ছিল।

ময়নাত’দ’ন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ম’র্গ থেকে তুষ্টির ম’রদে’হ বিকেল ৩ টার দিকে নিজ গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। ৩ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে তুষ্টির নামাজে জানাজা

ভিডিওটি দেখুন

হওয়ার কথা থাকলেও বৈরি আবহাওয়ার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। তুষ্টির মৃ’ত্যু’র কারণ নিয়ে একই কথা বলেছেন তুষ্টিকে অ’চে’তন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট তার এলাকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাফায়েত আহমেদ।

তিনি বলেন, শনিবার বিকালে দোকানে যাওয়ার সময় তৃপ্তি বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল। আগে থেকেই তার অ্যাজমা

(হাঁ’পা’নি) ও শ্বা’সক’ষ্টের সম’স্যা ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে শরীর খারা’প লাগায় গতকাল সে আর বাসা থেকে বের হয়নি। পরে রাতে যখন রুমের সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, সে তখন ওয়াশরুমে যায়। ঠিক কখন সে ওয়াশরুমে গিয়েছিল, তা

কেউ বলতে পারছে না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন,

স্টাফ কোয়ার্টারের বাথরুম থেকে ঢাবি ছাত্রীকে ফায়ার সার্ভিস অ’চে’তন অবস্থায় উ’দ্ধা’র করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন