ফিলিস্তিনের মুসলমানদের পক্ষে ম্যারাডোনা ছিলেন প্রতিবা’দী এক যো’দ্ধা!

Loading...

ফিলিস্তিনিদের কাছে ম্যারাডোনা শুধুমাত্র একজন ফুটবল তারকাই নন, ছিলেন যেন একজন মুক্তিদূত। সারাবিশ্বেই ফিলিস্তিনিদের অধিকারের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোষহীন।

ইসরায়েলের স;ন্ত্রা;স এবং নির্বিচার অত্যাচার-নির্যাতনের তুমুল প্রতিবাদ করতেন। সারাবিশ্বে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য জনমত গঠন করেছিলেন তিনি।

কখনো কখনো ম্যারাডোনাকে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনের পতাকা দুহাতে উঁচিয়ে তুলে ধরতে। ফিলিস্তিন ক্রনিকালের সাংবাদিক রামজি বারাউদি লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিনে আপনি কখনোই ম্যারাডোনাকে ঘৃ;ণা করতে দেখবেন না। একমাত্র

অপশন হচ্ছে, তাকে ভালোবাসতে হবে। আপনি কখনোই তার বি;রুদ্ধে কোনো নেতি;বাচক কথাও বলতে পারবেন না সেখানে।’

ম্যারাডোনার প্রতি নিজেদের ভালাবাসার কথা জানাতে গিয়ে রামজি আরো বলেন, ‘তার প্রতি আমাদের উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা এত বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে, আমরা যখন জানতে পারলাম, তিনি ফিলিস্তিনের পক্ষে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে।

ভিডিওটি দেখুন

অনেকবারই তিনি আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামকে সমর্থন জানিয়েছেন। আমাদের অনুভূতি পূর্ণ হয়ে গেছে। জীবনের

সর্বশেষ দিন পর্যন্ত নৈতিকভাবে তিনি ফিলিস্তিনিদের পাশেই থেকেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তিনি বলেছিলেন, ‘হৃদয় দিয়েই অনুভব করি, আমি একজন ফিলিস্তিনি।’

রামজির এই বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও। শুধুমাত্র ২০১৮ সালেই নয়, ম্যারডোনা এর আগেও প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। যেমন, ২০১২ সালে ম্যারাডোনা নিজেকে বর্ণনা

করেছিলেন, ‘আমি হলাম ফিলিস্তিনি জনগণের এক নম্বর সমর্থক। আমি তাদেরকে সমর্থন করি এবং তাদের অধিকার আদায়ের প্রতিও সমর্থন জানাই।’

আবদুল্লাহ নামে এক ফিলিস্তিনি ম্যারাডোনার বক্তব্যকে কোট করে লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিন রয়েছে আমার হৃদয়ে, আমি নিজেও একজন ফিলিস্তিনি : ম্যারাডোনা।’

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন