স্ত্রী’’কে খুশি করার দারুন এবং সহ’জ কিছু উপায় জেনে নিন সারাজীবন কাজে লাগবে!!

Loading...

স্ত্রী’’কে খুশি করার দারুন- বিবাহিত জীবনে স্ত্রী’’কে খুশি করা অনেক দরকারী একটি জিনিষ। বস্তুবাদী জীবনে আম’রা মনে করি অর্থই সকল সুখের মূল, কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তা না। আম’রা নিজেরাই অর্থ কে নিজেদের সুখের মূল উপাদান বানিয়ে ফেলেছি। জেনে নিন, প্রে’মিকা বা স্ত্রী’’কে খুশি করার দারুন এবং সহ’জ কিছু উপায় !

আম’রা যখনই অর্থকে সব কিছুর উপরে প্রাধান্য দিব তখনই আমাদের কাছের মানুষদের সাথে আমাদের বন্ধন হাল্কা হতে শুরু করে। তাদের অনুভুতির মুল্য তখন আম’রা দিতে ভুলে যাই।

বিশেষ করে আমাদের ঘরের পুরুষ দের মনে রাখতে হবে শুধু অর্থ উপার্জনই তাদের একমাত্র কাজ নয়। সংসার সুখি করতে মেয়েদের পাশাপাশি পুরুষদেরও অনেক কিছু করনিও থাকে।

অর্থ এবং বস্তুবাদি জীবনকে দূরে রেখে যে সকল কাজের মাধ্যমে স্ত্রী’’কে খুশি করা যায় সেগুলো করার চেষ্টা আমাদের করতে হবে। মনে রাখাটা জরুরি স্ত্রী’’কে খুশি রাখা মানে পুরো সংসার টাকে সুন্দর এবং সুখী রাখা।

যে সকল কাজের মাধ্যমে সহ’জেই স্ত্রী’’কে খুশি করা যায় সেগুলো হলঃটিম হিসেবে কাজ করাঃআমাদের সমাজে কিছু নিয়ম অনেককাল ধরে চলে আসছে, যেমন পুরুষেরা ঘরের কাজ করবে না। ঘরের কাজ এবং বাচ্চা পালা শুধুমাত্র মহিলাদের দায়িত্ব।

এমন ধারনা একদমই ভুল। সুখি সংসার এবং দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী স্ত্রী’’ দুজনাকে টীম হিসেবে কাজ করতে হবে। সারাদিন অফিস করে এসে ঘরের কাজে সাহায্য করতে মন নাও চাইতে পারে তবে মনে রাখাটা জরুরি। আপনি বাইরে পরিশ্রম করলেও সারাদিন আপনার স্ত্রী’’ও কিন্তু ঘরে পরিশ্রম করেছেন।

সে ক্ষেত্রে রাতের কিছু কাজ ভাগ করে নেওয়াটা খুব কঠিন এবং পরিশ্রমের কিছু হবে না। যেমনঃ বিছানা গোছানো, মশারি টাঙ্গানো, থালাবাসন যায়গা মত গুছিয়ে রাখা, বাচ্চাদের পড়া একটু দেখিয়ে দেওয়া, বোতলে পানি ভরা ইত্যাদি কাজে স্বামীরা খুব অল্প পরিশ্রম দিয়েই সাহায্য করতে পারেন।

স্ত্রী’’র সমস্যার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন তবে সরাসরি সমাধান দিয়ে দিবেন নাঃগবেষনায় দেখা গেছে কোন পারিবারিক বা সাংসারিক সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে মেয়েরা অনেক বুঝে সমাধানে আস্তে পারে।

ভিডিওটি দেখুন

কিন্তু মেয়েদের চিন্তা ভাবনাগুলো তারা তাদের পার্টনারদের সাথে আলোচনা করে নিতেই বেশি পছন্দ করে। আজকাল ফেসবুকের যুগে স্বামীরা স্ত্রী’’দের কথা মন দিয়ে শুনবে এমন আশা করাটাও বোকামি।

তবে প্রতিটা স্বামীর উচিৎ সাংসারিক শান্তি রক্ষার্থে স্ত্রী’’র সমস্যার কথাগুলো মন দিয়ে শোনা এবং তার মতামত প্রকাশ করা। তবে নিজের মত প্রকাশের সময় হুট করে একটা কিছু বলে না বসে বুঝিয়ে বললে বিষয়টা ভালো হয়।

কারন হুটহাট মতামত দিলে স্ত্রী’’দের মনে হতে পারে বিষয়টি না বুঝেই বা সেটা নিয়ে চিন্তা না করেই আপনি আপনার মতামত প্রকাশ করলেন।

নরম ভাবে স্ত্রী’’দের সাথে কথা বলুনস্ত্রী’’দের মুখে হাসি ফোটানো খুব কঠিন কিছু না। নরম কন্ঠে তাদের সাথে কথা বলুন। তাদের কে জানান আপনি তার সাথে সংসার করে কতটা সুখি। হাজার টাকা দিয়েও সেই হাসিটা আপনি দেখতে পারবেন না যা সেই মুহুর্তে আপনি দেখবেন।

স্ত্রী’’র জীবনের লক্ষ্য স’ম্পর্কে জানুনঃ বর্তমান যুগে প্রতিটা মেয়েরই কোন না কোন স্বপ্ন থাকে। বিয়ের পর অর্ধের এর চেয়েও বেশি মেয়েদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় শুধুমাত্র স্বামী এবং শশুরবাড়ির সাপোর্ট না থাকায়।

আপনি শুরুতেই জেনে নিন আপনার স্ত্রী’’র জীবনের লক্ষ্য কী’’, তাকে তার লক্ষ্যে পৌছানোর ব্যাপারে আপনি কিভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটা ভাবুন।

অনেকে মেয়েই তার পড়াশোনা বিয়ের পরেও চালিয়ে যেতে চায় কিন্তু সাংসারিক কাজের চাপে সেটা পেরে উঠে না, আপনি প্রতিদিন তাকে কিছু সময় ঠিক করে দিন পড়ার জন্য এবং সেই সময় টুকু তে তাকে যেন অন্য কোন কাজ করতে না হয় সেদিকে নজর রাখু’ন।

অনেকে শুধুমাত্র ভাল বউ এবং মা হতে চায়। তাদের কেও আপনি সাহায্য করতে পারে, সাংসারিক কাজ গুলো গুছিয়ে উঠার জন্য কিভাবে কী’’ করা যায় আলাপ আলোচনা করুন, ভালো ভালো টিপস এবং সহ’জে কাজ করা যায় এমন জিনিষগুলো হাতের কাছে এনে দিন। তাকে এক্সপার্ট হওয়ার জন্য সাহায্য করুন।

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন