বিশেষজ্ঞদের আশ’ঙ্কা ভয়ঙ্কর বিপ’র্যয়, ভারত মহাসাগরের নীচে সুবিশাল মহাদেশীয় প্লেটে ফা’টল!!

Loading...

ভারত মহাসাগরের তলদেশে থাকা সুবিশাল মহাদেশীয় পাতের মধ্যে ফা’টল দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি প্যারিসের ইনস্টিটিউট অফ আর্থ ফিজিক্সের গবেষকরা জানিয়েছেন এমনটাই।

জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স নামের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই রিপোর্ট। এছাড়াও লাইভ সায়েন্সের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি রিপোর্টেও বলা হয়েছে এই সুবিশাল টেকটনিক প্লেটে চিড় ধ’রেছে।

ভারত মহাসাগরের নীচের এই ক্যাপ্রিকর্ন টেকটনিক প্লেট অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। গবেষণা বলছে ক্র’মশ ভেঙে দু’খণ্ড হয়ে যাচ্ছে এই মহাদেশীয় পাত। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতি বছর প্রায় ০.০৬ ইঞ্চি বা ১.৭ মিলিমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে।

আপাত দৃষ্টিতে এই গতি অত্যন্ত ধী’র হলেও উ’দ্বিগ্ন রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর জেরে অদূর ভবিষ্যতে ভ’য়ঙ্কর কোনও ভূমিকম্প কিংবা সাংঘা’তিক কোনও প্রাকৃতিক দুর্যো’গের আশ’ঙ্কা করছেন তারা।

আজ থেকে ৮ বছর আগে ২০১২ সালে ভারত মহাসাগরের নীচে দুটি জোরালো ভূমিক’ম্প হয়েছিল। রিখটার স্কেলে এই দুটি কম্পনের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৮.৬ এবং ৮.২। ইন্দোনেশিয়ার কাছাকাছি উপকূলে হওয়া এই ভূকম্পের জেরে মা’রা গিয়েছিলেন ১০ জন।

ভিডিওটি দেখুন

আহ’ত হয়েছিলেন আরও অনেকে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্যাপ্রিকর্ন টেকটনিক প্লেট বরাবর হোয়ারটন বেসিনে হওয়া এই দুই জো’রালো ভূকম্পের জেরেই প্লেটের মধ্যে এই ফা’টল ধ’রেছে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে ভারত মহাসাগরের অতলে এই পরিবর্তন অনেকসময়েই ন’জরে রাখতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাদের কথায় ভারত মহাসাগরের এতটা নীচে এই পরিবর্তন হচ্ছে এবং এত ধী’রে এই টেকটনিক প্লেট ভা’ঙছে যে অনেকসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সেটা ধ’রা পড়ছে না। তবে গতি যতই কম হোক আশ’ঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, যে গতিতে এই দুই প্লেট একে অন্যের থেকে আলাদা হচ্ছে, কিংবা ফাটল বা চিড় ধ’রছে তাতে এক মাইল দূরত্ব যেতে ১০ লক্ষ বছর লাগবে। কিন্তু তাতেও নি’শ্চিন্ত হতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষ করে জলের অনেক গভীরে সব পরিবর্তন হওয়ায় ন’জরদারিতে সম’স্যা অনেক বেশি। তাই অদূর ভবিষ্যতে ঠিক কী বি’পর্যয় আসতে চলেছে সে ব্যাপারে নি’শ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : দ্য ওয়াল

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন