বয়স এখন ২৭০ বছর, ছিল গর্ব এবং বিশ্বের বৃহত্তম, অঘটনটা ঘটিয়ে দিল ঘূর্ণিঝড় আমফান!

Loading...

ঘূর্ণিঝড় আমফান পশ্চিমবঙ্গের (West bengal) অনেক জায়গায় বিধ্ব’স্ত করেছে। কলকাতার গর্ব এবং বিশ্বের বৃহত্তম বট গাছট যা হাওড়ার আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেনে (Acharya Jagadish Chandra Bose at the Indian Botanical Garden) ছিল।

অঘটনটা ঘটিয়ে দিল ঘূর্ণিঝড় আমফান । এই ঝড়ের কারনে ভে’ঙে পড়েছে। গাছটির বয়স এখন ২৭০ বছর। গাছটি ৪.৬৭ একর জায়গা জুড়ে ছিল। এর টানেই বহু লোক এই বট গাছটি দেখতে আসত।

গাছ উপড়ে যাওয়ার কারণে উত্তর-পশ্চিম অংশটি খালি হয়ে গিয়েছে। ইংরেজি সংবাদপত্র টেলিগ্রাফের সাথে আলাপকালে প্রবীণ বিজ্ঞানী বসন্ত কুমার বলেছিলেন যে এই বটবৃক্ষের পরিচয় প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেছিলেন, দু’দিন পরেই সঠিক ক্ষয়ক্ষতি শনাক্ত করা হবে। সাম্প্রতিক সময়ে, আইলা, ফানী এবং বুলবুলের মতো ঝড় দ্বারা এটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। তবে এই পুরানো বটগাছটি আমফানের কাছ থেকে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এর আগে, ১৯ শতকের শেষের দিকে ঝড় এর বহু শাখা ক্ষতিগ্রস্থ করেছিল।

ভিডিওটি দেখুন

এই বটগাছের মূল কাণ্ডটি গাছের সম্প্রদায়ের ১.০৮ কিলোমিটারের পরিধি নিয়ে, যার পরিধিটি ১৫ মিটার ছিল, এটি ১৯২৫ সালে সরিয়ে রোপন করা হয়েছিল।

এই পুরো গাছটি এখন ডালপালা থেকে বেরিয়ে এসে তার মূলকে ধরে রেখেছিল এখন আমফান এর ঘনত্বকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে। ছবিতে এই গাছের অভ্যন্তরের অংশটি বেশ ফাঁকা দেখাচ্ছে। এই গাছটিকে বোটানিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া তার প্রতীক হিসাবে তৈরি করেছে।

এই গাছের বিশেষত্ব কী?
২০২০ অক্টোবর থেকে ২০১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জগদীশ চন্দ্র বসু ইন্ডিয়ান বোটানিকাল গার্ডেনের বিজ্ঞানী ডঃ শিব কুমারের মতে, এই বোটানিকাল গার্ডেনে ১২০০-১৪০০ জাতের ১৪,০০০ গাছ রয়েছে।

তিনি বলেছিলেন, ব্রিটিশরা তাদের চাহিদা পূরণের জন্য এখানে প্রচুর দেশী এবং বিদেশী গাছ লাগিয়েছিল এবং বিশেষত, এখানে মেহগনি আনার পেছনের উদ্দেশ্য ছিল এর জাহাজ তৈরির জন্য কাঠ ব্যবহার করা। ছয় বছর ধরে এই বাগানে সেবা করা ডাঃ কুমার বলেছিলেন যে গতকাল ঝড়ের কারণে এই উদ্যানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার অন্যতম প্রধান কারণ এই বাগানের তিন পাশে কংক্রিট নির্মাণ দ্বারা ঘিরে ছিল।-সূত্র: বাংলাহান্ট

নিচের ভিডিওটি মিস করেন নি তো?
লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন