সাকিবদের ধর্মঘট নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ গাঙ্গুলী!

সাকিবদের ধর্মঘটের খবর বিদেশি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। বিসিবি ক্রিকেটারদের এগারো দফা দাবি মেনে না নিলে নভেম্বরে ভারত সফর অনিশ্চিত হয়ে যাবে।
সৌরভ
ঢাকার মতোই উদ্বেগ মুম্বাই-কলকাতায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের হবু সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী মনে করেন, এটা একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ইস্যু। তারাই এর সমাধান করবে। বিসিবির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ অবশ্যই ভারতে খেলতে আসবে।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবর, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ব্যাপারটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই মনে করছে।

মুম্বাই থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভারতীয় বোর্ড কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‌‘পুরো ঘটনাটি বিসিসিআই সূক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর ওপরও নজর রাখা হচ্ছে। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিসিবি থেকে আমাদের কিছু জানানো হচ্ছে, ততক্ষণ এ ব্যাপারে আমাদের কোনো বক্তব্য থাকতে পারে না। আগ বাড়িয়ে এ বিষয় নিয়ে কিছু বলাটা আমাদের ঠিক নয়।’

তিনটি টি২০ ও দুটি টেস্ট খেলতে ৩০ অক্টোবর সাকিবদের দিল্লি যাওয়ার কথা রয়েছে।

‘সারাজীবন এটি আমার মনে থাকবে’

কেউ আমার ঠিকমতো খোঁজ নেয় না। শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি বর্তমান বেশিরভাগ সিনেমার গল্প-চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় অনেকদিন কাজ থেকে দূরে আমি। তারপরও আশায় থাকি ইন্ডাস্ট্রির মানুষরা আমার খোঁজ খবর নিবে। মাঝে অনেকে যোগাযোগ করলেও এখন তেমন কেউ করে না। আমার অভিনয়ের আগ্রহ থাকলেও মনের মতো চরিত্রের অভাবেই কাজ করা হয়ে উঠছে না। আর এখনকার বেশিরভাগ সিনেমায় আমার অভিনয়ের মতো চরিত্র থাকে না। তবে সবার দোয়াতে এখনো বেঁচে আছি, অভিনয় ছাড়তে চাই না। কথাগুলো দেশীয় চলচ্চিত্রের গুণী অভিনয়শিল্পী আনোয়ারা বেগমের।

মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে এ কথাগুলো বলেন তিনি। ষাটের দশকের গোড়ার দিকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে শোবিজে কাজ শুরু করেন আনোয়ারা। এরপর অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এই অভিনেত্রী। সোমবার রাতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে (বিবিএফএ) আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয় দেশীয় চলচ্চিত্রের এই সিনিয়র অভিনেত্রীকে। অনুষ্ঠানের আগে পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমার জীবনে চাওয়ার কিছু নেই। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি আমি। আমি তো কখনো কল্পনাও করতে পারিনি এতো বড় সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে আমাকে। এটি সারাজীবন আমার মনে থাকবে। আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

১৯৪৮ সালের ২রা জুন জন্ম নেওয়া এই সুঅভিনেত্রী ষাটের দশকে মাত্র ১৪ বছর বয়সে অভিনেতা আজিমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। নায়িকা হিসেবে তিনি প্রথম অভিনয় করেন ১৯৬৭ সালে উর্দু ছবি সৈয়দ আউয়াল ও শিবলী সাদিক পরিচালিত ‘বালা’তে। অভিনেত্রী হিসেবে আনোয়ারার টার্নিং পয়েন্ট একই বছর মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’। ওই ছবিতে আলেয়া চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করে সর্বস্তরের দর্শকের প্রশংসা কুড়ান তিনি। আনোয়ারা নৃত্যশিল্পী থেকে চরিত্রাভিনেত্রী হয়েছেন। নায়ক আলমগীর, জসিম, ইলিয়াস কাঞ্চন থেকে শুরু করে মান্না, রিয়াজ, শাকিব খানের মা হয়েছেন বিভিন্ন ছবিতে। কাজী হায়াতের ‘দাঙ্গা’ সিনেমা থেকে হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমায় মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। শুধু যে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তা নয়, দেবদাসের বিখ্যাত চন্দ্রমুখী চরিত্রে যে অসাধারণ অভিনয় করেছেন তা দর্শকদের চোখেই চির অম্লান। অভিনেত্রী আনোয়ারাকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার করেছিলেন আমজাদ হোসেন। তার নির্মিত ‘নয়ন মনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’য় অনবদ্য অভিনয় সেটারই প্রমাণ। অভিনেত্রী আনোয়ারার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। স্বামীর নাম মহিতুল ইসলাম। স্বামী, এক মেয়ে মুক্তি আর নাতনি কারিমা ইসলাম দরদীকে নিয়েই তার ব্যস্ততা।

এ অভিনেত্রীর পূর্ব নাম ছিল আনোয়ারা জামাল। চলচ্চিত্রে একটা সময় মা ও দাদী-নানি চরিত্রে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সবশেষ কোন কাজ করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, যতদূর মনে পড়ে অভিনেতা ডি এ তায়েবের সঙ্গে ‘আমার মা’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছি। এ ছবিটি সামনে মুক্তি পাবে। এছাড়া আকাশ আমিনের পরিচালনায় রিচ ক্যামিকেলের সরিষার তেলের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়েছি। বেশ কয়েক বছর ধরে আমার স্বামী অসুস্থ। তিনি মাঝে স্ট্রোক করেছিলেন। মাঝে আগারগাঁওয়ের একটি হাসপাতালে ডা. দীন মোহাম্মদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করানো হয়। বর্তমানে তার দেখাশুনা করছি। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে তার স্বামীর উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীও সহায়তা করেন আনোয়ারাকে। একই সময়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়াও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রকে অনেক মিস করেন বলে জানালেন এই অভিনেত্রী। সবশেষে তিনি বলেন, আমি একটা সময় আমার বাচ্চা-স্বামীকে সময় দিতে পারিনি। এখন সময় দিচ্ছি। আর এখন তো মনে হয় ভালো গল্পের চলচ্চিত্র নির্মাণও কম হচ্ছে। ভালো মানের চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই। কাজ করার ক্ষুধা সব সময় অনুভব করেন বলে জানালেন আনোয়ারা।

যেভাবে নিরাপদ রাখবেন ফেসবুক, মেসেঞ্জার অ্যাকাউন্ট!

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় ভোলার বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ বলছে, ইসলামের নবীকে কটাক্ষ করে দেয়া কিছু মেসেঞ্জার পোস্টকে কেন্দ্র করে রোববার এক সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে চার ব্যক্তি নিহত হবার ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলেছে, বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য নামে একজনের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে নবী মোহাম্মদকে নিয়ে মেসেঞ্জারে পোস্ট দেয় হ্যাকাররা এবং এর সাথে জড়িত দুই জনকে তারা আটক করেছে।

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখা যায়। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই এমন একজন মানুষ খুঁজে বের করতে আমাদের যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হবে। সামাজিক যোগাযোগের এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা দেশে জনপ্রিয়।

কিন্তু সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে যেমন এর উপকারিতা রয়েছে তেমনি অ্যাকাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় তাহলে ভোগান্তির শেষ নেই। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে যারা কাজ করেন তারা কিছু উপায় বলছেন, যাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, ইমেইল বা গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি যাওয়া বা হ্যাকিং এর শিকার হওয়া থেকে বাঁচা যায়।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এর কোন বিকল্প নেই।

কখন বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে:

কেউ যদি আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে আপনাকে জিম্মি করে আপনার ক্ষতি করতে চায়, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টে আপনি নিজেও পাসওয়ার্ড দিয়েও ঢুকতে পারবেন না। কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে ইমেইল বা পোস্ট যেতে থাকবে। তখন আপনি বুঝবেন আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।

আবার এমনও হতে পারে, আপনি আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছেন কিন্তু আপনার নামে আপত্তিকর মেইল বা পোস্ট দেয়া হচ্ছে সেক্ষেত্রে আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে।

তাৎক্ষণিক করণীয়:

তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানান আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে। সেক্ষেত্রে জরুরী সেবার যে নম্বর ৯৯৯ রয়েছে সেখানে জানাতে পারেন। এছাড়া ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পরিবারের কারো অ্যাকাউন্ট থেকে জানাতে পারেন যে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে। পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে যেসব পোস্ট বা ছবি শেয়ার করা হচ্ছে, সেগুলো আপনি করছেন না।

যেভাবে হ্যাক হয়:

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে একটা ‘প্রোগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যবহার করা হয়। যেমন: অপরিচিত বা পরিচিত বা কৌতুহলোদ্দীপক ঠিকানা থেকে আপনার কাছে একটা ইমেইল পাঠানো হল। এটাকে বলে ‘ফিশিং’ ইমেইল। সেখানে কিছু ছবি বা ফাইল থাকতে পারে বা লিঙ্ক থাকতে পারে।

আপনি সেখানে ক্লিক করলে আপনার ডিভাইসে একটা সফটওয়্যার ঢুকে যায় এবং আপনার কার্যক্রমগুলো মনিটর বা পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। তখন দূরবর্তী কোন স্থান থেকে একজন, যে সফটওয়্যারটি নিয়ন্ত্রণ করছে, তার কাছে আপনার তথ্যগুলো চলে যায়। এভাবে সোশাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট যেমন হ্যাক করা যায়, তেমনি অন্য ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা যায়।

টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:

ফেসবুক, ইমেইল বা গুগল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড নির্ধারণ করার জন্য এতদিন বলা হত যত শক্তিশালী বা জটিল বর্ণ,ডিজিট দিয়ে করা যায় ততই নিরাপদ। কিন্তু সে ধারণা এখন পাল্টে গেছে।

সাইবার বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলছেন, এখন অনেক সফটওয়্যার রয়েছে যেটা দিয়ে পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে ফেলা সম্ভব। সেজন্য দুই ধাপে পাসওয়ার্ড ভেরিফাই করা যায় এমন ব্যবস্থার মধ্যে আসতে হবে।

তিনি বলছিলেন, “যেমন আপনি যদি টু ফ্যাক্টর ফিচার ব্যবহার করেন সেটা নিরাপদ করবে আপনার অ্যাকাউন্টকে”।

তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলছিলেন, আপনার অ্যাকাউন্টে যদি অন্য ডিভাইস থেকে কেউ লগইন করার চেষ্টা করে তাহলে আপনার মোবাইলে বা ইমেইলে একটা কোড নোটিফিকেশন আসবে। তখন আপনি জানতে পারবেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

“আবার আপনি নিজে যদি অন্য ডিভাইস থেকে লগইন করার চেষ্টা করেন, তাহলে আপনি নিজেই চেক করে অনুমোদন দিয়ে অ্যাকাউন্টটি চালু করতে পারেন”।

অপরিচিত ইমেইল, লিংক এড়িয়ে চলা

যদি আপনার ফেসবুকে কোন লিংক আসে, সেটা মেসেঞ্জারের মাধ্যমেও হতে পারে, সেটা এড়িয়ে চলুন। মি. সাবির বলছিলেন, আমাদের কৌতুহল একটু কমাতে হবে। যেকোন লিংক বা ইমেইলে অ্যাটাচমেন্ট থাকলে সেটা ক্লিক করার আগে বা খোলার আগে সচেতন করতে হবে।

যেমন আপনার পরিচিত একজন বন্ধু আপনার কাছে একটা লিংক পাঠালো যেটা তার স্বভাববিরুদ্ধ হতে পারে। তখন আপনি সেটা তার সাথে কথা না বলে ক্লিক করবেন না। হতে পারে আপনার ঐ বন্ধুর অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে এবং অন্য কেউ সেই লিংকটি পাঠিয়েছে।

এসব লিংক বা ফাইল খোলার ফল:

এসব লিংক বা ইমেইলে থাকা অ্যাটাচমেন্টে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ম্যালওয়ার থাকতে পারে যেটা আপনার ডিভাইসে ঢুকে আপনার ডিভাইসের তথ্য চুরি করতে পারে। তবে আপনি যদি কোন ইমেইল খুলে কী লেখা আছে সেটা পড়তে থাকেন অ্যাটাচমেন্ট ক্লিক না করে সেক্ষেত্রে এই ম্যালওয়ারটি আপনার ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

সফটওয়্যার ও অ্যাপ ব্যবহারে সাবধানতা

যেকোন ধরণের সফটওয়্যার যে কোন ডিভাইসে ইন্সটল করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সফটওয়্যার এবং অ্যাপগুলো নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে ব্যবহার করতে হবে। যেকোন স্থান থেকে যদি আপনি সফটওয়্যার এবং অ্যাপ ডাউনলোড করেন তাহলে আপনি নিজেকে বিপদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবেন নিজেকে।

সেটিংস পরিবর্তন করা

আপনি যেসব ডিভাইস ব্যবহার করেন সেসব ডিভাইস এর সেটিংস অপশনে গিয়ে বেশ কিছু বিষয় নিরাপত্তার জন্য পরিবর্তন করা। যেমন লগইন অ্যালার্ট চালু করুন। লগইন অ্যাপ্রুভাল চালু করুন। আপনাকে যাতে কোন ছবি বা পোষ্টে কেউ আপনার অনুমতি না নিয়ে ট্যাগ না করতে পারে সেই অপশনটা চালু করুন।

এতে করে অন্যের কাজের দায়ভার আপনার নিতে হবে না। আর আপনি নাও চাইতে পারেন কোন পোষ্ট বা ছবি আপনাকে ট্যাগ না করুক ফেসবুকে। আপনি যখন অ্যাপ্রুভ করবেন তখনি কেবল সেটা আপনার টাইমলাইনে আসবে।

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন