সম্ভাবনাময় হারিয়ে যাওয়া জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটারের নাম জানালেন কায়েস

বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক হয়েই দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন এমন ক্রিকেটার অনেক রয়েছে। কিন্তু এরপরেই যেন হারিয়ে গেছেন তারা। তাদের মধ্যে অনেকের
প্রতিভা থাকলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন। যার ফলে পরবর্তীতে জাতীয় দলে ফেরা হয়নি তাদের।

এমনি দুই জন হলেন সোহাগ গাজী ও নাসির হোসেন। তাদের দুইজনেরই প্রতিভা ছিল। কিন্তু ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বলেই মনে করছেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সোহাগ গাজীর প্রতিভা ছিল কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। যদিও সে এখনও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে যাচ্ছে। নাসির হোসেনের ভালো ক্রিকেট মেধা ছিল। বিশেষ করে ফিনিশিংয়ে সে দুর্দান্ত। কিন্তু আমরা তার সার্ভিস পাইনি।’

যে দুইটি কারণে মাশরাফিকে জানানো হয়নি আন্দোলনের কথা

অনেকটা হুট করে স্ট্যাটাস দেন মাশরাফি। তার করা সেই স্ট্যাটাসের মাশরাফি জানান যে তাকে দলের এমন আন্দোলনের কথা জানানোই যে হয়নি। আর এই নিয়েই হতাশা ব্যাক্ত করেন তিনি।

তবে এর মাঝে দুইটি কারণেই মাশরাফিকে যে জানানো হয়নি আন্দোলনের কথা এবং সেই দুইটি পয়েন্টের কথা এবার নিম্নে দেওয়া হলোঃ

১ ভেতরের খবর ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করার রেকর্ড থাকায় গোপনীয়তার জন্য হয়তো মাশরাফিকে জানানো হয়নি, সেক্ষেত্রে প্রশ্ন ইলেভেন্থ আওয়ারেও কেনো মাশরাফিকে জানানো হলো না?

২ যেকোনো ভাবেই হোক মাশরাফি তাঁর সতীর্থদের আস্থা হারিয়েছেন। অথচ উনাকে ঘিরেই খেলোয়াড়ের চেয়ে নেতা বড় মিথ তৈরি করা হয়েছিল। প্রশ্ন হলো, এমন ঘটনার পরেও মাশরাফি কি ওয়ানডে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাবেন?

আর এই নিয়েই যেন এখন শুরু হয়ে গিয়েছে আলোচনা-সমালোচনার।

এবার ক্রিকেটারদের আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন মাশরাফি!

মাশরাফিঅনেকেই প্রশ্ন করছেন যে, দেশের ক্রিকেটের এমন একটি দিনে আমি কেন উপস্থিত ছিলাম না। আমার মনে হয়, প্রশ্নটি আমাকে না করে, ওদেরকে করাই শ্রেয়। এই উদ্যোগ সম্পর্কে আমি একদমই অবগত ছিলাম না। নিশ্চয়ই বেশ কিছু দিন ধরেই এটি নিয়ে ওদের আলোচনা ছিল, প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। সংবাদ সম্মেলন দেখে আমি ওদের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে পেরেছি।

ক্রিকেটারদের নানা দাবির সঙ্গে আমি আগেও একাত্ম ছিলাম, এখনও আছি। আজকের পদক্ষেপ সম্পর্কে আগে থেকে জানতে পারলে অবশ্যই আমি থাকতাম।

মিডিয়ায় ওদের খবর দেখার পর থেকে হাজারবার আমার মাথায় এই প্রশ্ন এসেছে, যে কেন আমাকে জানানো হলো না। অনেকে আমার কাছে জানতেও চেয়েছেন। কিন্তু আমি নিজেও জানি না, কেন জানানো হয়নি।

তবে আমার ঊপস্থিত থাকা কিংবা না থাকার চেয়ে, ১১ দফা দাবি বাস্তবায়িত হওয়াই বড় কথা। সবকটি দাবিই ন্যায্য, ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের মঙ্গলের জন্য জরুরী। আমি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, ১১ দফা দাবি শান্তিপুর্ন ভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার পক্ষে আছি, থাকব।

সাকিব-তামিমদের আন্দোলন সম্পর্কে জানতেনই না মাশরাফি!

হঠাৎ করেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গন। সোমবার দুপুরে পরপরই বিসিবিতে জড়ো হয়ে সাকিব-তামিম-মুশফিকসহ জাতীয় পর্যায়ের প্রায় ৫০-৬০ জন ক্রিকেটার ১১ দফা দাবি পেশ করে বিসিবির কাছে। মিডিয়ার মাধ্যমে পেশ করা এই দাবিগুলো না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

মিরপুরে একাডেমি ভবনের সামনে জড়ো হওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে ছিল সব পরিচিত মুখই। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, এনামুল জুনিয়র, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম ইসলাম থেকে শুরু করে জাতীয় দলে খেলা কিংবা এনসিএল, ডিপিএলে খেলা সব ক্রিকেটারই। কিন্তু ছিলেন না কেবল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

মাশরাফি নেই কেন এই আন্দোলনে- শুরু থেকেই ছিল এই প্রশ্ন। কেউ কেউ বলছিলেন, মাশরাফি কোনো কারণে হয়তো উপস্থিত হতে পারেননি। তবে তিনি আন্দোলনের সঙ্গে রয়েছেন। কেউ কেউ বলছিলেন, মাশরাফি এখন সরকারী দলের এমপি। এ কারণে হয়তো কোনো বাধ্য-বাধকতা থাকতে পারে এবং আন্দোলনে ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগ দেননি তিনি।

তবে, ব্যাখ্যা যাই হোক, সাকিব-তামিমদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের এই আন্দোলনে মাশরাফি কেন যোগ দেননি, কেন তিনি উপস্থিত ছিলেন না- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন। ফেসবুক থেকে শুরু করে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম।

কিন্তু মূল বিষয় হচ্ছে, ক্রিকেটারদের দাবি-দাওয়া সম্পর্কিত এই আন্দোলন কিংবা এর বিষয়বস্তু- কোনো কিছু সম্পর্কেই অবগত ছিলেন না মাশরাফি। অন্তত তিনি নিজেই এই দাবিটা করছেন। আজ রাত পৌনে ১১টার দিকে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে বিষয়টা ক্লিয়ার করেছেন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক।

সাকিব-তামিমদের এই উদ্যোগ সম্পর্কে মোটেও অবগত ছিলেন না বলে দাবি করছেন তিনি। একই সঙ্গে আজ সাকিব-তামিমদের সঙ্গে উপস্থিত না থাকলেও তাদের ১১ দফা দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন মাশরাফি। পাঠকদের জন্য মাশরাফির স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘অনেকেই প্রশ্ন করছেন যে, দেশের ক্রিকেটের এমন একটি দিনে আমি কেন উপস্থিত ছিলাম না। আমার মনে হয়, প্রশ্নটি আমাকে না করে, ওদেরকে করাই শ্রেয়। এই উদ্যোগ সম্পর্কে আমি একদমই অবগত ছিলাম না। নিশ্চয়ই বেশ কিছুদিন ধরেই এটি নিয়ে ওদের আলোচনা ছিল, প্রক্রিয়া চলছিল; কিন্তু এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। সংবাদ সম্মেলন দেখে আমি ওদের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে পেরেছি।

ক্রিকেটারদের নানা দাবির সঙ্গে আমি আগেও একাত্ম ছিলাম, এখনও আছি। আজকের পদক্ষেপ সম্পর্কে আগে থেকে জানতে পারলে অবশ্যই আমি থাকতাম।

মিডিয়ায় ওদের খবর দেখার পর থেকে হাজারবার আমার মাথায় এই প্রশ্ন এসেছে যে, কেন আমাকে জানানো হলো না। অনেকে আমার কাছে জানতেও চেয়েছেন। কিন্তু আমি নিজেও জানি না, কেন জানানো হয়নি।

তবে আমার উপস্থিত থাকা কিংবা না থাকার চেয়ে, ১১ দফা দাবি বাস্তবায়িত হওয়াই বড় কথা। সবকটি দাবিই ন্যায্য। ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের মঙ্গলের জন্য জরুরী। আমি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, ১১ দফা দাবি শান্তিপুর্ন ভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার পক্ষে আছি, থাকব।’

১১৯ বছরেও ফজরের নামাজ কাজা করেননি জোবেদ আলী!!

জোবেদ আলী। জাতীয় পরিচয়পত্রে তার বয়স ১১৯। এ বয়সেও তিনি স্বাভাবিক চলাফেরা করেন। জোবেদ আলীর স্বাভাবিক চলাফেরা ও কাজকর্ম এলাকার মানুষের কাছে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি করেছে। এ বয়সেও তিনি খালি চোখে কুরআনসহ পত্রিকা পড়েন। কোনো কাজে বাড়ি থেকে বের হলেই শতবর্ষী এ বৃদ্ধকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ।

জোবেদ আলী কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট ইউনিয়নের মেকুরটারী তেলীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জাতীয় পরিচয় পত্রে তার জন্ম তারিখ লেখা রয়েছে ২৫ অক্টোবর ১৯০০ইংরেজি সাল। সে হিসেবে তার বর্তমান বয়স ১১৯ বছর হলেও তার বয়স আরও বেশি। মেকুরটারী তেলীপাড়া গ্রামের মৃত হাসান আলীর পুত্র তিনি। তার স্ত্রী ফয়জুন নেছা (৮৭), ৩ পুত্র ও ৪ মেয়ে রয়েছে।বৃদ্ধ জোবেদ আলী জীবনে কোনো দিন ফজরের নামাজ কাজা করেননি। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ধর্মভীরু। তিনি ১০০ বছর আগে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তিনি স্বাভাবিকভাবে নিয়মিত কুরআন মাজিদ তেলাওয়াতসহ বিভিন্ন বই ও পত্রিকা পড়েন।

এ বয়সেও তার বড় ধরনের কোনো রোগ নেই। শরীর এখনও তাঁর ভাল আছে। ছোট বেলা থেকে যুবক বয়সে তিনি নিজের বাড়ির উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, আবাদি বিতরী ধানের ভাত, খাঁটি ঘি, সরিষার তেল, রাসায়নিক সারবিহীন শাক-সবজি নিয়মিত খেতেন।তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর এবং রাতে নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করেন। কুরআন মাজিদ ছাড়াও পত্রিকা পড়ার নেশা রয়েছে তার।

বৃদ্ধ জোবেদ আলী বলেন, ‘আমি জীবনে কোনো দিন ফজরের নামাজ কাজা করিনি। ১১৯ বছরেও আমি সুস্থ্য আছি, খালি চোখেই বই ও পত্রিকা পড়ি। ফজরের নামাজের পর কুরআন তেলাওয়াত করি। তাই হয়তো আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ্য রেখেছেন। এ জন্য জোবেদ আলী আল্লাহর শুকিয়ার আদায় করেন।
coleected: Dhaka News

পাঁচ সন্তানের জনকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচ সন্তানের জনক এক প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন একই স্কুলের এক সহকারী শিক্ষিকা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তবকপুর ইউপির দক্ষিণ সাদুল্ল্যা ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

শিক্ষিকা মায়ের এমন কাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজ পড়ুয়া ছেলে তার সহপাঠীদের নিয়ে প্রধান শিক্ষককে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

উপজেলার তবকপুর ইউপির দক্ষিণ সাদুল্ল্যা ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সম্প্রতি বদলি হয়ে এসে একই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।

বিদ্যালয় চলার সময় তাদের কর্মকাণ্ড দৃষ্টিগোচর হলে স্থানীয় লোকজন ও অভিভাবক মহল কিছুদিন আগে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ভৎসনা করেন। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বৈঠকে তাদের উভয়কে প্রত্যাহারের দাবি ওঠে।

কিন্তু প্রত্যাহারের আগেই রোববার রাতে গোপনে ওই শিক্ষিকা পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসে ওই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে। সোমবার সকালে বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষকের কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে তালা লাগানোর চেষ্টা করে।

এ সময় ওই শিক্ষিকার কলেজ পড়ুয়া পুত্র মায়ের অনৈতিক কার্যকলাপে ক্ষিপ্ত হয়ে সহপাঠীদের নিয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে তুলে নিয়ে যায়। এদিকে ওই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোলায়মান মিয়া বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

ওই সহকারী শিক্ষিকার প্রথম বিয়ে ভেঙে গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন উপজেলার তবকপুর ইউপির জনৈক ব্যক্তিকে। তার সঙ্গে নানা কারণে অমিল হলে তিন দফা তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু তিনবারই তারা আবার বিয়ে করেন। সর্বশেষ তিনি রোববার রাতে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ্ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন