উনি আমাকে ধ’র্ষ’ন করেন,পু’লিশ জানালো মেয়েটির দেওয়া তথ্য মি’থ্যা!

অ’পহরণ ও ধ’র্ষ’ণের মা’মলায় গ্রে’ফতার হয়ে কারা’ভোগ করায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হয়নি তার। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার প্রতিমা বংকী গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান বাবুল হোসেন নয়ন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় স্থানীয় সরকারি মুজিব কলেজ থেকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু এক স্কু’লছাত্রী’কে অ’প’হরণ ও ধ’র্ষ’ণের মা’মলায় গ্রে’ফতার হয়ে কা’রাভোগ করায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হয়নি নয়নের। বিনা অ’প’রাধে ২৫ দিন ধরে বন্দি অবস্থায় জে’লা কা’রাগারে দিনাতিপাত করছেন তিনি।

এদিকে, বিনাদোষে প্রায় একমাস কা’রাগারে থাকা সন্তানের মুক্তি না মেলায় ভেঙে পড়েছেন নয়নের অভিভাবকরা। এঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পু’লিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর বাসাইল উপজেলার চাপড়াবিল এলাকা থেকে নি’খোঁজ হয় সখীপুর উপজেলার পঞ্চম শ্রেণির এক স্কু’লছাত্রী। চারদিন পর টাঙ্গাইল ডিসি লেকের পাশ থেকে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধা’র করে।

জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি নয়ন নামের এক ছেলের সঙ্গে ক’ক্সবাজার বেড়াতে গিয়েছিল বলে পু’লিশকে জানায়। পরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর মেয়েটির মা বাদী হয়ে প্রতিবেশী শাহজাহান আলীর ছেলে বাবুল হোসেন নয়নকে আসামি করে থা’নায় অ’পহরণ ও ধ’র্ষ’ণের অভিযোগে মা’মলা করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে নয়নকে গ্রে’ফতার করে মেয়েটির মুখোমুখি করে পু’লিশ। মেয়েটি গ্রে’ফতার হওয়া বাবুল হোসেন নয়নকেই অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে।

কিন্তু ওই ছাত্রীকে চেনা ও কক্সবাজারে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে নিজেকে বারবার নির্দোষ দাবি করতে থাকেন নয়ন। তা সত্ত্বেও মেয়েটি তার বক্তব্যে অনড় থাকায় পু’লিশ নয়নকে আদালতে নিয়ে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত তাকে জেলগেটে জি’জ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়।

মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বলেন, জেলগেটে জিজ্ঞাবাদের সময়েও নয়ন বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিল। মা’মলাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় অধিকতর গুরুত্বসহকারে তদন্ত শুরু করে পু’লিশ। মেয়েটির কাছ থেকে পাওয়া কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের ভিজিটিং কার্ডের সূত্র ধরে চলে তদন্ত। পরে ওই হোটেলে দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বর ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করলে ঘটনার আসল রহস্য সামনে আসে। পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা গত ৭ অক্টোবর ঘটনার আসল হোতা নয়ন মিয়াকে বাসাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রে’ফতার করা হয়।

নয়ন মিয়া বাসাইল উপজেলার বাঘিল গ্রামের ফারুক ওরফে নূহু মিয়ার ছেলে। ওই ছাত্রীকে ক’ক্সবাজারের একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে।এদিকে, ঘটনার প্রকৃত আ’সামিকে গ্রে’ফতারের ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কলেজছাত্র বাবুল হোসেন নয়নের মুক্তি মেলেনি। পরিবার তার দ্রুত মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

বিনাদোষে কা’রাভোগ’কারী কলেজছাত্র বাবুল হোসেন নয়নের বাবা শাহজাহান আলী বলেন, ‘‘প্রায় একমাস হয়ে যাচ্ছে, আমার নির্দোষ ছেলে জে’ল খাটছে। কষ্ট করে তাকে পড়াচ্ছি কিন্তু মি’থ্যা মা’মলার কারণে এবার পরীক্ষাটাও দিতে পারলো না।’’এবিষয়ে সখীপুর থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, ‘‘আমরা ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত অ’প’রাধীকে গ্রে’ফতার করতে পেরেছি। সে আদালতে স্বীকারোক্তি’মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই নি’র্দোষ নয়ন মুক্তি পাবে।’’

মান’বাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নি’র্দোষ নয়নের দ্রুত মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃ’পক্ষের কাছে জোর দাবি জানাই। বিনাদোষে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য পু’লিশকে সর্তকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’’
collected: Dhaka Tribune

পাঁচ সন্তানের জনকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে শিক্ষিকা!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচ সন্তানের জনক এক প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন একই স্কুলের এক সহকারী শিক্ষিকা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তবকপুর ইউপির দক্ষিণ সাদুল্ল্যা ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

শিক্ষিকা মায়ের এমন কাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজ পড়ুয়া ছেলে তার সহপাঠীদের নিয়ে প্রধান শিক্ষককে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

উপজেলার তবকপুর ইউপির দক্ষিণ সাদুল্ল্যা ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম সম্প্রতি বদলি হয়ে এসে একই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।

বিদ্যালয় চলার সময় তাদের কর্মকাণ্ড দৃষ্টিগোচর হলে স্থানীয় লোকজন ও অভিভাবক মহল কিছুদিন আগে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ভৎসনা করেন। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বৈঠকে তাদের উভয়কে প্রত্যাহারের দাবি ওঠে।

কিন্তু প্রত্যাহারের আগেই রোববার রাতে গোপনে ওই শিক্ষিকা পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসে ওই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে। সোমবার সকালে বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষকের কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে তালা লাগানোর চেষ্টা করে।

এ সময় ওই শিক্ষিকার কলেজ পড়ুয়া পুত্র মায়ের অনৈতিক কার্যকলাপে ক্ষিপ্ত হয়ে সহপাঠীদের নিয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে তুলে নিয়ে যায়। এদিকে ওই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোলায়মান মিয়া বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

ওই সহকারী শিক্ষিকার প্রথম বিয়ে ভেঙে গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন উপজেলার তবকপুর ইউপির জনৈক ব্যক্তিকে। তার সঙ্গে নানা কারণে অমিল হলে তিন দফা তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু তিনবারই তারা আবার বিয়ে করেন। সর্বশেষ তিনি রোববার রাতে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রেমে মজে পঞ্চমবারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ্ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

এখন কিছু বলতে চান না মাশরাফি বিন মুর্তজা

বেতন বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেটাররা। আজ সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো তুলে ধরেন তাঁরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমসহ সাবেক-বর্তমান তারকারা।

কিন্তু সেখানে ছিলেন না বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কেন তিনি ছিলেন তা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি।

ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের বিষয়ে মাশরাফি কিছু বলতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, ‘যখন ক্রিকেট নিয়ে কথা বলব তখন ক্রিকেটের কথা, এখন ক্রিকেট নিয়ে কথা নয়। এখন এই বিষয়ে কোনো কথা বলব না।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বকাপের পরে আর ক্রিকেট নিয়ে কথা বলছি না আমি, আবার যখন ফিরব তখন কথা হবে।’

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বড় আসর বিপিএলে দেশি খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি বৃদ্ধি ও দৈনিক ও ভ্রমণ-ভাতা বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেন ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন, ‘ক্রিকেটারদের বিষয়টি আরো ভালোভাবে দেখা উচিত। আমরা ক্রিকেটের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা দেখছি না। আমরা শুধু চলমান সিরিজের ওপর নজর রাখি। শুধু বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের বেলায় আমরা হয়তো ছয় থেকে আট মাস আগে থেকে পরিকল্পনা করি। এটা ছাড়া আমরা শুধু চলমান সিরিজ নিয়েই চিন্তা করি।’

বিষয়টি নজরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেরও (বিসিবি)। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী এ ব্যাপারে বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। পরবর্তী বোর্ড সভা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। বিভিন্ন সময় তাদের নানা দাবি-দাওয়া আসে। আমরা চেষ্টা করি সে সব পূরণ করতে। আজ আমাদের বিষয়টি নজরে এসেছে। অবশ্যই আমরা বোর্ড সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

অবশ্য খেলোয়াড়দের এই আন্দোলনকে বিদ্রোহ বলতে নারাজ নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘খেলোয়াড়েরা বোর্ডেরই অংশ। যেকোনো বিষয়-সমস্যা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।’

এবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তুললেন সাকিব

আজকেই ক্রিকেটারদের দাবী দাওয়া নিয়ে মাঠে নামেন ক্রিকেটাররা। এরপরেই চলে একের পর এক আলোচনা-সমালোচনা। তবে এবার যে এই ব্যাপারে কথা বলেছেন সাকিব আল হাসান নিজেই।

সাকিব নিজেই এবার তুললেন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। এই ব্যাপারে সাকিব বলেন ,’ ‘এখানে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে কথা হচ্ছে। আমাদের প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি, তৃতীয় শ্রেণির ক্রিকেট কেমন, এটা আমরা সবাই জানি। বিভিন্ন সময় পত্রিকায় এসেছে আমাদের মানটা আসলে কোথায় আছে। ম্যাচে যাওয়ার আগে অনেক সময় জানা যায় কোন দল জিতবে বা কোন দল হারবে। এটা আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক।’

সাকিব আরো বলেন ,’ একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারের অনেক বিষয় থাকে এখানে। ধরেন ভালো একটা প্লেয়ার, সে ভালো বলে আউট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু দুটি বা তিনটি ম্যাচে যদি সে বাজে সিদ্ধান্তের কারণে আউট হয়ে যায়- তাহলে তার ক্যারিয়ার ওখানেই শেষ হয়ে যায়। আমাদের পাইপলাইন ঠিক করা খুব জরুরি। এটা আমাদের জন্য খুব ভাইটাল একটা পয়েন্ট।’

“সাকিবদের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা রীতিমত ব্লাকমেইলিং”

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধিসহ নানা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তাসকিন রহমান, এনামুল হক বিজয়, নাঈম ইসলাম, নুরুল হাসান সোহানরা।

এই আন্দোলনে তারা ১১টি দাবি জানিয়েছে। আর বোর্ড যদি এই দাবি না মানে তাহলে সব ধরণের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দেন সাকিব-মুশফিকরা। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘দাবি মানা না হলে সব সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধ। আলোচনা সাপেক্ষেই অবশ্যই সবকিছুর সমাধান হবে। দাবিগুলো যখন মানা হবে তখন আমরা আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাবো।’

এবার সাকিবদের দাবি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটারদের দাবি থাকতেই পারে। তারা কোন কথা বলতেই পারে। তবে সেটা বোর্ডের সাথে বসে সেখানেই পেশ করা উচিৎ ছিল। আমরা তো কিছুই জানি না যে, ক্রিকেটারদের ভিতরে ভিতরে এত রাগ, ক্ষোভ, অভিমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘ক্রিকেটাররা বোর্ডে তাদের দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করে দেখতো আগে। তারপর না হয় আল্টিমেটাম দিতে পারতো। অথচ তা না করে, আজ তারা মিডিয়ার কাছে নিজেদের দাবি দাওয়া পেশ করে কাল থেকে সব ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা- রীতিমত ব্লাকমেইলিং!

‘খেলা বন্ধের’ ঘোষণা আসার পর যা বলল বিসিবি!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন ক্রিকেটাররা। দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
খেলা
আজ সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ ঘোষণা দেন সাকিব। এতে শঙ্কায় পড়েছে আসন্ন ভারত সফর ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)। মিরপুরে বিসিবির একাডেমি মাঠে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুউল্লাহসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা।

এ দিকে খেলোয়াড়দের এই আন্দোলনের মুখে তাদের দাবি বিবেচনার করা হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টা মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবো।’

নিজাম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়রা বোর্ডেরই একটা অংশ। তাদের যে দাবি আছে তা আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত দেবো।’

বিকেলে বেতন-ভাতাসহ নানা অসংগতি নিয়ে বোর্ডের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অনুর্ধ্ব ১৯ ছাড়া বাকি সব ধরণের ক্রিকেট এর আওতায় থাকবে। এতে শঙ্কায় পড়েছে আসন্ন ভারত সফর ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)।

মিরপুরে বিসিবির একাডেমি মাঠে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুউল্লাহসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা। জাতীয় লিগ, ঘরোয়া লিগ, জিমের সুবিধা, বাজে আম্পায়ারিংসহ নানা ইস্যূতে ধর্মঘট করছেন তারা।

ঘরোয়া ক্রিকেটে মান উন্নয়ন ও বেতন-ভাতা বাড়ানোসহ ১১ ধফা দাবি উত্থাপণ করেন ক্রিকেটাররা। সম্মেলনের শেষের দিকে সাকিব বলেন, ‘যে দাবিগুলো করা হয়েছে, তা না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধ থাকবে।’

নিজেদের এই আন্দোলনে নার‌ী ক্রিকেটারদেরও স্বাগত জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘অনেকটা আনসার্টেইন সময়ে এই সম্মেলনটা ডাকা হয়েছে। এ জন্য নার‌ী ক্রিকেটারদের আমরা আমন্ত্রণ জানাতে পারিনি। তবে তারা চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।’

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন