‘খেলা বন্ধের’ ঘোষণা আসার পর যা বলল বিসিবি!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন ক্রিকেটাররা। দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
খেলা
আজ সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ ঘোষণা দেন সাকিব। এতে শঙ্কায় পড়েছে আসন্ন ভারত সফর ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)। মিরপুরে বিসিবির একাডেমি মাঠে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুউল্লাহসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা।

এ দিকে খেলোয়াড়দের এই আন্দোলনের মুখে তাদের দাবি বিবেচনার করা হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টা মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবো।’

নিজাম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়রা বোর্ডেরই একটা অংশ। তাদের যে দাবি আছে তা আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত দেবো।’

বিকেলে বেতন-ভাতাসহ নানা অসংগতি নিয়ে বোর্ডের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অনুর্ধ্ব ১৯ ছাড়া বাকি সব ধরণের ক্রিকেট এর আওতায় থাকবে। এতে শঙ্কায় পড়েছে আসন্ন ভারত সফর ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)।

মিরপুরে বিসিবির একাডেমি মাঠে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাহমুউল্লাহসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা। জাতীয় লিগ, ঘরোয়া লিগ, জিমের সুবিধা, বাজে আম্পায়ারিংসহ নানা ইস্যূতে ধর্মঘট করছেন তারা।

ঘরোয়া ক্রিকেটে মান উন্নয়ন ও বেতন-ভাতা বাড়ানোসহ ১১ ধফা দাবি উত্থাপণ করেন ক্রিকেটাররা। সম্মেলনের শেষের দিকে সাকিব বলেন, ‘যে দাবিগুলো করা হয়েছে, তা না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধ থাকবে।’

নিজেদের এই আন্দোলনে নার‌ী ক্রিকেটারদেরও স্বাগত জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘অনেকটা আনসার্টেইন সময়ে এই সম্মেলনটা ডাকা হয়েছে। এ জন্য নার‌ী ক্রিকেটারদের আমরা আমন্ত্রণ জানাতে পারিনি। তবে তারা চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।’

অবরোধের ডাক দিচ্ছেন সাকিব-তামিমরা; ভারত সফরে শঙ্কা!

আজ বিসিবির সংবাদ সম্মেলন কক্ষে জরুরী সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা। যেখানে আসতে পারে ধর্মঘটের ঘোষণাও। ফলে শঙ্কা দেখা দিতে পারে টাইগারদের ভারত সফর নিয়েও।

জনপ্রিয় ক্রিকেট পোর্টাল, ইউএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ দুপুর দুইটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে ক্রিকেটারদের। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক সহ বিসিবি র বিভিন্ন নিয়ম কানুনের বাধ্যবাধকতা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।

চলতি জাতীয় লিগেও আশ্বাস দিয়েও বাড়ানো হয়নি ম্যাচ ফি। আগের মতই প্রথম স্তরের ম্যাচ ফি ৩৫ হাজার ও দ্বিতীয় স্তরের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি রাখা হয়েছে ২৫ হাজারই। এ নিয়ে বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার এর আগেও জানিয়েছে অসন্তোষের কথা।

বার বার এসব নিয়ে অভিযোগ করা হলেও নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ৷ সেকারনে এবার কড়া পথে হাটতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রিকেটাররা।

‘দ্য হান্ড্রেড’ এ জায়গা হলো না তামিম-সাকিবের

ইংল্যান্ডে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এক টুর্নামেন্ট, ‘দ্য হান্ড্রেড’। ১০০ বলের ধুমধাড়াক্কা এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তারকাদের নাম এসেছিল। তাঁদের মধ্যে কে কোন দলে খেলবেন, সেটা নির্ধারণ করার জন্য গতকাল জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে হয়ে গেল খেলোয়াড় নির্বাচন। তাতে কোনো দল পাননি তামিম-সাকিবসহ বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার।

তবে দল পেলেও যে সাকিব-তামিমরা নিশ্চিন্তে এই টুর্নামেন্ট খেলতে পারতেন, তাও কিন্তু না। ২০২০ সালের জুলাই-আগস্টে এই টুর্নামেন্ট হওয়ার সময়ে শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ আছে বাংলাদেশের। তাই দল পেলেও তাঁদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত ছিল। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের দল না পাওয়ার পেছনে এটাও একটা বড় কারণ।

ইংলিশ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন প্লেয়ারস ড্রাফট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আট ফ্র্যাঞ্চাইজির এই টুর্নামেন্টে আগে থেকেই তিনজন করে ইংলিশ ক্রিকেটার বাছাই করে রেখেছিল প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। ১৫ জনের স্কোয়াডে ৩ জন করে বিদেশি ক্রিকেটার নিতে পারবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, ম্যাচের মূল একাদশেও সর্বোচ্চ তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলতে পারবে। ক্রিকেটারদের নির্ধারিত ভিত্তিমূল্যের নিচে তাদের দলে নিতে পারবে না কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি—ড্রাফটের নিয়মকানুন ছিল এমনই।

শুধু সাকিব-তামিমই নন, দল পাননি মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, ইমরুল কায়েস ও মুশফিকুর রহিম। ওদিকে আন্তর্জাতিক তারকাদের মধ্যে ক্রিস গেইল, শহীদ আফ্রিদি, লাসিথ মালিঙ্গা বা কাগিসো রাবাদার মতো ক্রিকেটারদেরও নেয়নি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে গেলেন কারা কারা

ট্রেন্ট রকেটস: জো রুট, রশিদ খান, ডি’আর্সি শর্ট, অ্যালেক্স হেলস, নাথান কোল্টার-নাইল, হ্যারি গার্নি, লুক রাইট, ডেভিড মালান

সাউদার্ন ব্রেভ: জফরা আর্চার, আন্দ্রে রাসেল, ডেভিড ওয়ার্নার, লিয়াম ডসন, জেমস ভিন্স, শাদাব খান, টাইমাল মিলস, ক্রিস জর্ডান

নর্দার্ন সুপারচার্জার্স : বেন স্টোকস, মুজিব- উর-রহমান, অ্যারন ফিঞ্চ, ক্রিস লিন, অ্যাডাম লিথ, আদিল রশিদ, ডেভিড উইলি

ওয়েলশ ফায়ার: জনি বেয়ারস্টো, মিচেল স্টার্ক, স্টিভ স্মিথ, কলিন ইনগ্রাম, রবি রামপাল, কায়েস আহমেদ, লিয়াম প্লাঙ্কেট

ওভাল ইনভিন্সিবলস: স্যাম কুরান, সুনিল নারাইন, জেসন রয়, স্যাম বিলিংস, সন্দ্বীপ লামিছানে, রিলি রুশো, টম কুরান, ক্রিস উড, ফাবিয়ান অ্যালেন

ম্যানচেস্টার অরিজিনাল: জস বাটলার, ইমরান তাহির, ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, ওয়েইন পারনেল, মিচেল স্যান্টনার

লন্ডন স্পিরিট: এওইন মরগান, ররি বার্নস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মোহাম্মদ নবী, মোহাম্মদ আমির, মার্ক উড, জো ডেনলি, কাইল অ্যাবট, জেড ডার্নবাখ

বার্মিংহাম ফিনিক্স: ক্রিস ওকস, লিয়াম লিভিংস্টোন, মঈন আলি, কেন উইলিয়ামসন, রবি বোপারা, শাহীন শাহ আফ্রিদি, অ্যাডাম জাম্পা, ক্যামেরন ডেলপোর্ট

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে আস্থা হারাবে বিদেশি খেলোয়াড়রাঃ সাকিব

আসন্ন বঙ্গবন্ধু বিপিএলের আগের ছয়টি আসরে ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতি। কিন্তু এবার সে ধারা থেকে সরে এসে বিশেষভাবে সপ্তম আসরটি আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেখানে থাকছে বোর্ডের কিছু ধরা-বাঁধা নিয়মও, সেসব মানতে হবে, তবেই খেলা গড়াবে মাঠে।

এতে করে বিশ্বের তাবৎ ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর মধ্যে বিপিএল যে অন্যতম জনপ্রিয় আসরে উন্নীত হয়েছিল, কিছুটা হলেও কি তাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না?

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সেরা তারকা সাকিব আল হাসানের মতটা জেনে নিন। গতকাল রবিবার একান্ত সাক্ষাৎকারে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতি না থাকায় বিদেশি খেলোয়াড়রা আসরটিতে খেলতে উৎসাহ-আস্থা হারিয়ে ফেলবেন।

সাকিব বলেন, ‘অনেক বিদেশি খেলোয়াড় বিগ ব্যাশ বাদ দিয়ে বিপিএলের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। ওই একই সময়ে (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) বিগ ব্যাশ ও বিপিএল দুটোই হয়। অনেক বিদেশি খেলোয়াড়, আগে যেভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়া যেত, সেভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। সেসব খেলোয়াড় তো স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হবে। তারা এখন আর অন্য খেলোয়াড়দের এখানে এসে খেলতে বলবে না, খেলতে উৎসাহ দেবে না।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘গতবার যারা খেলে গেছে, তারা এখানে ভালো রীতি-নীতি দেখে গেছে, পারিশ্রমিক প্রদানের ভালো পদ্ধতি দেখে গেছে। তারা ভালো ক্রিকেট, ভালো সুবিধা, ভালো হোটেল পেয়েছে। তাই তারা যখন ভালো ভালো কথা বলেছে, তখন অন্যান্য খেলোয়াড়রা আসার জন্য উদ্বুদ্ধ হয়েছে। জানি না, এবার তাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে। তবে আমার মনে হয়, যেভাবে বিপিএল চলছিল, সেই পদ্ধতি-কাঠামোকে যদি আরও ভালো করা যেত, তাহলে ভালো হতো।’

এদিকে বোর্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্তের আগে সাকিব ঢাকা ডায়নামাইটস থেকে যোগ দিয়েছিলেন রংপুর রাইডার্সে। বেশ জাঁকজমকের সঙ্গে তাকে দলে টেনেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সাকিবও দেখছিলেন নতুন চ্যালেঞ্জ। কিন্তু নতুন নিয়মে ওই চুক্তির আর কোনো বৈধতা থাকছে না। এ নিয়ে যারপরনাই হতাশ তিনি।

সাকিব বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টা খুবই হতাশাজনক। এখন বোর্ড যা ভালো মনে করবে, সেটাই করবে। আমাদের (খেলোয়াড়দের) তো সেরকম কিছু আসলে বলার নাই। কিছু করার আছে বলেও মনে হয় না।…জীবনে যা আসবে, সেটা আসবে। তবে হতাশা তো অবশ্যই।’

হিজাব গেল খুলে, অপ্রস্তুত ফুটবলারকে আড়াল দিল প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা

রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের প্রতিহত করতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এক নারী ফুটবলার। হঠাৎ করেই মাথা থেকে হিজাব খুলে যায় তাঁর। অপ্রস্তুত হয়ে যান তিনি। খেলা থামিয়ে মাথা নিচু করে আবারও হিজাব ঠিক করে পরে নিতে যাচ্ছিলেন। আর ওই মুহূর্তে খেলা থামিয়ে তাঁকে ঘিরে রেখে আড়াল করে রাখেন প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা, যেন তাঁর মাথা দেখা না যায়। আর এমন দৃশ্য দেখার পর অন্যের ধর্মীয় আচার-আচরণকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ওই খেলোয়াড়দের প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন অনেকেই।

পশ্চিম এশীয় ফুটবল ফেডারেশ জর্ডানে প্রথমবারের মতো ডব্লিউএএফএফ ওমেনস ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল। সেখানে গত সপ্তাহে মুখোমুখি হয়েছিল শাবাব আল অর্ডন ক্লাব ও আরব অর্থোডক্স ক্লাব।

খেলার একপর্যায়ে বল নিয়ে মাঝমাঠ থেকে ছুটে যাচ্ছিলেন আরব অর্থোডক্সের এক নারী ফুটবলার। ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে সামনে এগোতে থাকেন তিনি। কিন্তু ওই মুহূর্তেই তাঁর হিজাব খুলে যাওয়ার উপক্রম হয়। অনেকটা অপ্রস্তুত হয়ে মাথা নিচু করে হিজাব ঠিক করতে যাচ্ছিলেন তিনি। আর তাঁর পাশে মানবদেয়াল হয়ে দাঁড়ান প্রতিপক্ষ দলের ডিফেন্ডাররাই। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন অন্য খেলোয়াড়রাও। চারপাশে গোল হয়ে থাকেন তাঁরা, আর মাঝখানে বসে হিজাব ঠিক করে আবারও খেলায় ফেরেন ওই ফুটবলার।

এরই মধ্যে ওই মুহূর্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে। আর ওই খেলোয়াড়দের এমন আচরণ দেখে ভালোবাসায় ভাসাচ্ছেন টুইটারবাসী। অন্যের ধর্মীয় আচার-আচরণকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখায় তাঁদের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে এমবার বায়ার্ড নামের এক নারী লিখেছেন, ‘পৃথিবীতে এ ধরনের মানুষ আরো প্রয়োজন।’

র‍্যাচেল স্যু নামে এক নারী লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধা আর খেলোয়াড়সুলভ আচরণ, আমি কাঁদছি।’

হামজা নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘তাঁদের প্রতি রইল শ্রদ্ধা। তাঁরা অবশ্যই আরো ভালোবাসার যোগ্য।’

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন