পুলিশ সুপার আমার বুকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন: আবরারের ছোটভাই

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নিহত আবরার ফাহাদের ছোটভাই ফায়াজকে মারধর করেছে পুলিশ। আজ ৯ অক্টোবর বুধবার বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এসময় আবরারের ছোট ভাইসহ আহত হন তিনজন।

এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ বলেন, কুষ্টিয়ার অ্যাডিশনাল এসপি তাকে কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন। এবং গতকাল তার ভাইয়ের জানাজার সময় বলেছিলেন দুই মিনিটে যেন জানাজা শেষ করা হয়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রতিনিধি জানান, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়।

এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হন বলেও জানা যায়।

এ সময় ফায়াজ বলেন, ‘আমি আবরারের ছোট ভাই। আজ আমাদের এখানে ভিসি সাহেব এসেছিলেন। এখানে এসে তাঁর আমার মা’র সাথে দেখা করা উচিত ছিল। তিনি এখানে দেখা করতে তো আসলেনই না বরং তিনি যখন ফিরে যাচ্ছিলেন এবং আমি তাঁর সাথে কথা বলতে যাই। তখন এখানকার দায়িত্বে থাকা অ্যাডিশনাল এসপি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোস্তাফিজুর রহমান আমার বুকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন।’

ফায়াজ আরও বলেন, ‘কালকেও যখন আমার ভাইয়ের জানাজা হয় তখন তিনি বলেছিলেন দুই মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে হবে। কিভাবে তিনি এটা বলেন? আজ এখানে আমার ভাবি ছিল, তাঁকে বেধড়কভাবে পুলিশ দিয়ে মারা হয়েছে। তার কাপড়-চোপড় টেনে তাঁর শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের কোন ধরনের পুলিশ?’

আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়ি গিয়ে এলাকাবাসীর ধাওয়া খেলেন বুয়েট ভিসি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের শিক্ষার্থী নিহত আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় গিয়ে স্থানীয় লোকজনের প্রতিরোধের মুখে পড়েন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সাইফুল ইসলাম। আজ (৯ অক্টোবর বুধবার) বিকেল পাঁচটার দিকে এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে ওই এলাকা ত্যাগ করেন বুয়েট উপাচার্য সাইফুল ইসলাম।

এর আগে আজ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে আবরারের কবর জিয়ারত করতে রায়ডাঙ্গায় যান উপাচার্য। তিনি সেখানে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ও ভাই আবরার ফায়াজসহ সবাই মিলে কবর জিয়ারত করেন।

এরপর আবরারের ভাই ও বাবার প্রশ্নবানে জর্জরিত হন উপাচার্য। তাঁদের জিজ্ঞাসা ছিল, উপাচার্য কেন ওই হত্যাকাণ্ডের পরপর সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন?

এরপর বিকেল পাঁচটার দিকে আবরারের মা রোকেয়া খাতুনের সঙ্গে দেখা করার জন্য রওনা দেন উপাচার্য। একই সড়কের পাশে আবরারের কবর ও পৈতৃক ভিটা। কুমারখালী থেকে যেতে প্রথমে কবরস্থান পড়ে। পরে আধা কিলোমিটারের মাথায় ওই বাড়ি।

কিন্তু উপাচার্যের যাওয়ার কথা শুনে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ আবরারদের গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপাচার্যকে ঘিরে থাকতে দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে আবরারের মায়ের সঙ্গে দেখা না করে উপাচার্য পুলিশ পাহারায় জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে রায়ডাঙ্গা গ্রাম ছেড়ে যান। এ সময় এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাইসহ আহত হন তিনজন।

এদিকে আজ বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাইসহ আহত হন তিনজন।

আবরারের ছোট ভাইকে মারধর করলো পুলিশ

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের ছোটভাই ফায়াজকে মারধর করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এসময় আবরারের ছোট ভাইসহ আহত হন ৩ জন।

কালের কণ্ঠের কুষ্টিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক তারিকুল হক তারিক টেলিফোনে জানান, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়।

এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হন বলেও তিনি জানান।

এর আগে সকালে ছাত্রলীগ নেতাদের পিটুনিতে মারা যাওয়া বুয়েট ছাত্র আবরারকে দাফনের এক দিন পর কুষ্টিয়ায় তার বাড়ির উদ্দেশে যান ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

ফেনী নদীর পানি নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী!
ভারতকে ফেনী নদীর পানি দেওয়া নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফেনী নদী নিয়ে কথা বলার শুরুতেই তিনি প্রশ্ন করেন, বলেনতো ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়, কেউ না বললে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা খাগড়াছড়িতে উৎপত্তি। যা ফেনীর সোনাগাজী হয়ে সাগড়ে চলে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সীমান্তবর্তী নদী। এতে দুই দেশেরই অধিকার থাকে। আমাদের প্রায় ৭টি নদী অছে সীমান্তবর্তী।বুধবার বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ভারতের সাবরোমে বিশুদ্ধ পানির অনেক অভাব। ফেনী ধেকে সামান্য পানি আমরা তাদেরকে দেবো। যে পানিটুকু দিচ্ছি সেটার পরিমান অত্যন্ত নগন্য। এটা নিয়ে এতো চিৎকার কিসের জন্য আমি জানি না।

তিনি বলেন, কেউ যদি পানি চায় আর আমরা যদি না দেই এটা কেমন কথা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে যখন ভারত গিয়েছিলেন বা খালেদা জিয়া যখন ভারত যায় তখন গঙ্গা নদীর পানির কথা ভুলেই গিয়েছিলো। এখন তাদের প্রশ্ন তোলা সাজে না।

ভারতে গ্যাস রপ্তানির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতে এলপিজি গ্যাস রপ্তানি করা হবে।এলপিজি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না। গ্যাস আমদানি করে বোতলজাত করে আমাদের নিজেদের দেশে সরবরাহ করবো এবং ভারতের ত্রিপুরায় রপ্তানি করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইর্য়কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফিরে ৩ থেকে ৬ অক্টোবর দিল্লি সফর করেন।দিল্লি সফরে সাতটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হয় দু’দেশের মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে এবার দুটি সম্মাননা পেয়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাক্সিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই) তাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত করেছে।

আর তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ শিশু তহবিল- ইউনিসেফ তাকে ভূষিত করেছে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সন্মাননায়।

যেদিন সে খেলবে সেদিন অন্য কারও কিছু করা লাগবে নাঃ মুমিনুল হক

বিশ্বকাপ ও শ্রীলঙ্কা সফরে ব্যর্থ হয়ে ঘরের মাটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ও ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে বিশ্রাম নেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তবে এবার দীর্ঘদিন পর মাঠে নামছেন তামিম ইকবাল।

আগামীকাল ১০ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) এবারের আসরের। এনসিএলের এবারের আসরে চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে খেলবেন তামিম। দলটির অধিনায়ক হিসেবে আছেন মুমিনুল হক।

মাঠে নামার আগে তামিমের ব্যাপারে কথা বলেছেন মুমিনুল। জানিয়েছেন, তামিমের কাছ থেকে বেশি কিছু প্রত্যাশা নেই। এক্ষেত্রে বিপরীত কিছু হতে পারে। তবে নিজের দিনে তামিম একাই খেলবেন বলেই মনে করছেন মুমিনুল।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যাশা খুব বেশি না। প্রত্যাশা বেশি হলে ঝামেলা। তার যতটুকু খেলার সামর্থ্য সেটা দিলেই হবে। আর যেদিন সে খেলবে সেদিন অন্য কারও কিছু করা লাগবে না। এটা আমিও জানি, আপনারাও জানেন। সবাই জানে।’

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন