শিবির সন্দেহে বুয়েট শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির সন্দেহে আবরার ফাহাদ (২১) নামে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির সন্দেহে আবরার ফাহাদ নামে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রাজধানীর চকবাজারে অবস্থিত বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের দ্বিতীয়তলা থেকে আবরার ফাহাদ (২১) নামে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফাহাদ তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. মাশুক এলাহী জানান, রবিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে খবর দেওয়া হলে তিনি হলে যান। এসময় ফাহাদকে সিঁড়িতে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলেও তিনি জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবী, রবিবার আনুমানিক রাত আটটার দিকে ফাহাদকে শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নং রুম থেকে ২০১১ নং রুমে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরবর্তী সময়ে ছাত্রশিবিরের সাথে সংশ্লিষ্টতার ‘প্রমাণ’ পাওয়া গেলে তাকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারা হয় বলেও দাবী তাদের।

এ প্রসঙ্গে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিতু বলেন, “নিহত ফাহাদের ফেসবুক একাউন্ট ও ইনবক্স ঘেঁটে তার সঙ্গে ছাত্র শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া যায়।” এমনকি শিবির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ফেসবুক পেজ ‘বাঁশের কেল্লা’তে তার লাইক দেওয়া আছে বলেও তিনি জানান। রাত পৌনে নয়টার দিকে তিনি ওই কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। তবে এরপর ফাহাদকে মারধর করা হয়েছে কিনা এবিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার, তিনি শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর অভিযুক্ত ব্যক্তি অমিত সাহা, তিনি আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত।

অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ সমাজসেবা সম্পাদক ও বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও নাভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন। এদের প্রত্যেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং মেহেদি হাসান রাসেলের অনুসারী।

এ প্রসঙ্গে ভোর পাঁচটায় রাসেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, হলের সিঁড়িতে একজন শিক্ষার্থী বমি করছেন এ খবরটি তিনি শুনেছেন। তবে ওই শিক্ষার্থী মারা গেছেন কিনা সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

বুয়েট ছাত্র ফাহাদের রহস্যজনক মৃত্যু

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবরার ফাহাদ (২১) নামের এক ছাত্র মারা গেছেন। গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা হলের নিচতলা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন৷ তিনি শের-ই বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তাঁর বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে।

পুলিশ ও তাঁর পরিবার বলছে, ফাহাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শরীরের পেছনে, বাম হাতে ও কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত আঘাতের কালো দাগ ছিল।

ফাহাদের মামাতো ভাই জহিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফাহাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। সে কুষ্টিয়ায় গিয়েছিল। গতকালকেই বিকেল পাঁচটায় কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় এসে হলে উঠে। তারপর মধ্যরাতে খবর পাই ভাই মারা গেছে।’

হল প্রভোস্ট মো. জাফর ইকবাল খান বলেন, রাত পৌনে তিনটার দিকে খবর পাই এক শিক্ষার্থী হলের সামনে পড়ে আছে। কেন সে বাইরে গিয়েছিল, কী হয়েছিল, তা এখনো জানা যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে বুয়েটের চিকিৎসক দিয়ে তাঁকে পরীক্ষা করা হয়। ওই চিকিৎসক জানান তিনি বেঁচে নেই। পরে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে তাঁরা খবর পান শের-ই বাংলা হলের বাইরে নিচতলায় ছেলেটা পড়ে আছে। হল কর্তৃপক্ষই পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে যান তাঁরা। ছেলেটির পরনে ছিল ট্রাউজার ও শার্ট।

আঘাতের চিহ্নের কথা উল্লেখ করে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আঘাত কোনো অস্ত্রের নয়। কোনো কিছু দিয়ে বাড়ি দেওয়া হয়েছে। কেন এত রাতে সে বাইরে গিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারেনি। সহপাঠীদেরও জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গ্রেফতার করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সম্রাটের স্ত্রী!

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটকে ক্যাসিনোকান্ডে গ্রেফতার করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী।রোববার (৬ অক্টোবর) বিকেলে মহাখালীর ডিওএইচএস-এর বাসায় সময় টিভির লাইভে তিনি বলেন, এই অভিযান আরো চালালে ভালো হতো।

রোববার (৬ অক্টোবর) ভোরে সহযোগী আরমানসহ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রথম স্ত্রীর ডিভোর্সের বিষয়ে শারমিন বলেন, ওই আপুটা এ্যাডভোকেট ছিল। সম্রাট যখন অফিস থেকে রাতে বাসায় আসতেন তখন তিনি ঘুম থেকে (আগে ঘুমিয়ে পড়তেন) উঠতেন। এজন্য তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, ও অন্য লাইনে চলে গেছে। তবে ক্যাসিনোর টাকা সে সংসারে খরচ করতো না। অবৈধ টাকা পরিবারের সদস্যদের দিত না।

আর দল পালতে কিন্তু টাকা না দিলে ছেলেরা মিছিল-মিটিংয়ে আসতো না। সেজন্য বিশাল অংকের টাকা লাগতো। আমার মনে হয়, সে জন্যই সে ক্যাসিনোতে গেছে।

যেভাবে ৫০ কেজি ওজন কমিয়েছেন এই নায়িকা!

কয়েক বছর আগেই বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা সারা আলী খানের ওজন ছিলো ৯৬ কেজি। ৫০ কেজি ওজন কমিয়ে এখন তিনি মাত্র ৪৬ কেজি। দুটি সিনেমাতে অভিনয় করেই দর্শকদের নজর কেড়েছেন এই নায়িকা। কোটি কোটি ভক্ত তার রূপে মুগ্ধ।

জানা গেছে, সেই সময়ে পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম) রোগে ভুগছিলেন সারা আলী খান। নিজের ওজন কমাতে অনেক পরিশ্রম করেছেন তিনি। কীভাবে নিজের রূপ ফিরিয়ে এনেছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমে সারা আলী খান বলেন, ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম একটা হরমোনজনিত রোগ। এই রোগে মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায় আমার। ওজন কমাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।’

সারাও ওয়ার্কআউটের পাশাপাশি ডায়েটও করতেন। এখনও সেই ডায়েট মেনে চলেন। ভারী ব্রেকফাস্ট করার পরিবর্তে সারা ইডলি বা পাউরুটি খান। সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ থাকে। ওজন কমাতে লাঞ্চেও ফ্যাটহীন খাবার খেয়েছেন সারা। রুটির সঙ্গে ডাল, তরকারি ও সালাদ খান। লাঞ্চের পরে কিছু ফল খান তিনি।

লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝেও কিছু স্ন্যাক্স খাওয়া উচিত। সারা এখনও সন্ধের স্ন্যাকস হিসেবে সুজির উপমা খান। ডিনারে সবচেয়ে হালকা খাবার খাওয়া উচিত। ডিনারে সারা রুটির সঙ্গে সবুজ তরকারি খান।

আত্মগোপনে সম্রাট যেখানে যেমন ছিলেন!

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর ১৯ দিনের মাথায় রবিবার (৬ অক্টোবর) র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হাতে আটক হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট। আটকের পরপরই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে অভিযান শুরুর পর আত্মগোপনে যাওয়া সম্রাট কোথায়, কীভাবে, কেমন ছিলেন- তা র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা না হলেও একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বেশকিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে মতিঝিলের ক্লাবগুলোতে র‌্যাবের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে সম্রাট চিন্তায় পড়ে যায়। যোগাযোগ শুরু করে রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে। অভিযানের প্রথম দুদিন সম্রাট ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাকরাইলে নিজের কার্যালয়ে অবস্থান করেন।

সূত্রের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কাকরাইল থেকে বেরিয়ে প্রথমে ধানমন্ডি যুবলীগ চেয়ারম্যানের বাসায় আত্মরক্ষার জন্য আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। কাকরাইল থেকে সম্রাট বের হয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যানের বাসায় গেছে এমন তথ্য নিশ্চিত হয়ে রাতেই আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সেখানে নজরদারির প্রস্তুতি নেয়। প্রশাসনিক সোর্স সম্রাটকে সেই তথ্য জানালে সেখান থেকে বের হয়ে যান তিনি। এরপর বনানীতে গিয়ে প্রথমে একজন বড় নেতার বাসায় আশ্রয় প্রার্থনা করেন। কিন্তু সেখানে আশ্রয় না পেয়ে ওঠেন এক সংসদ সদস্যের বাসায়। এরপরও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখতে পারেনি সম্রাট। গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যেই সে বনানীর সেই বাসাতেই থাকেন।

সূত্র জানায়, সেখানে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি সম্রাট। তার নিয়মিত ওষুধ কিনতে সঙ্গে থাকা কেউ যাবার অনুমতিও পায়নি। শেষ তিনদিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে দই চিড়া খেতে চায় সে। তারপরও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, তাকে গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রক্রিয়া বা যাবতীয় নির্দেশনা অপেক্ষায় থাকে প্রশাসন। তবে সম্রাটের শারীরিক অবস্থা ভালো না। গত ২৮ সেপ্টেম্বর তার হার্টের ভাল্ব পরিবর্তন করার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিল। অপারেশন করাতে না পারলে ভাল্ব ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া শারীরিক নানা রোগের চিকিৎসাও নিচ্ছে সম্রাট।

বনানীর ওই বাসা থেকে বের হয়ে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমান কীভাবে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকড়া ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে গেলেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে জানা যায় চৌদ্দগ্রামের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে র‌্যাবের অভিযান চলছে। জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ফেনী পৌরসভার মেয়র আলাউদ্দিনের বোন জামাই ও স্টার লাইন গ্রুপের পরিচালক মনির চৌধুরী চক্কার বাসা থেকে সম্রাট ও আরমানকে আটক করে নিয়ে যায় র‌্যাব। ঘটনার সত্যতা জানতে রবিবার ভোরে র‌্যাব-১১ এর একজন কর্মকর্তাকে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো কিছু জানাননি। একইদিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আলকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কে এম গোলাম ফারুককে ফোন করা হলে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে সম্রাটকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে সকাল নয়টার দিকে র‌্যাবের পক্ষ থেকেও সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকেও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সম্রাট কীভাবে কুমিল্লায় গেলেন জানতে চাইলে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আটক এড়াতে সম্রাট যে পন্থাগুলো অবলম্বন করেছে তা বলতে চাই না। কুমিল্লায় কেন এবং কীভাবে গেলো সেটাও বলতে চাই না। সবকিছু গণমাধ্যমে আসলে পরবর্তী সময়ে সমস্যা হয়। আমরা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কাউকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে অপরাধীরা তখন কৌশলগুলো অবলম্বন করবে। এজন্য কৌশল না বলাই ভালো। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পরপরই ইসমাইল হোসেন সম্রাট আত্মগোপনে চলে যায়। এমনকি শেষ পর্যন্ত ভারতে পালিয়ে যাওয়ারও সব বন্দোবস্ত করে ফেলে। তবে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকায় সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।’

কুমিল্লার একটি সূত্র জানায়, ফেনীর পৌর মেয়র আলাউদ্দিনের বোন জামাই জামায়াত নেতা মনির চৌধুরী চক্কা স্টার লাইন গ্রুপের পরিবহন সেক্টরটি দেখাশোনা করেন। সেই সুবাদে তার সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে যুবলীগের আরেক নেতা এনামুল হক আরমানের। আর ওই আরমানের বুদ্ধিতেই চৌদ্দগ্রামে মনির হোসেন চক্কার বাসায় গিয়ে ওঠেন সম্রাট।- উজ্জল জিসান, সারাবাংলা

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন