প্রথমবারের মত সম্রাটকে নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য দিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী! (ভিডিওসহ)

বহুল আলোচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ক্যাসিনো চালিয়ে সেই অর্থ দলের পেছনেই খরচ করতেন বলে জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন।

রবিবার (০৬ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে মহাখালী ডিওএইচএসের ২৯ নম্বর সড়কে ও ৩৯২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় মহাখালীর নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

শারমিন বলেন, ক্যাসিনো চালিয়ে সম্রাট যে অর্থ পেত তা দলের পেছনেই খরচ করতো। মহাখালীর এই বাসায় গত দুই বছরের মধ্যে সে আসেনি। এছাড়া ক্যাসিনোর অর্থ পরিবারকেও দিত না সম্রাট।

এর আগে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় রবিবার ভোর ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১ এর একটি বিশেষ দল। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী এনামুল হক আরমানকেও।

সম্রাটের সঙ্গে গ্রেফতার তার সহযোগী আরমানকেও ঢাকায় আনা হয়েছে। ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে র‌্যাব। ভিডিও : যমুনা টিভি।

‘‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে সেটাই হবে আমার মোহরানা’’

উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা.) ছিলেন বিশিষ্ট সাহাবি আনাস বিন মালিক (রা.) এর মা। তিনি ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি তাঁর জীবন, সন্তান ও পরিবার সব কিছু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সেবায় নিয়োজিত করেন। উম্মে সুলাইম (রা.) এর মূল নাম কী ছিল, তা নিয়ে তিনটি মত পাওয়া যায়। তা হলো, রুমাইলা, গুমাইসা ও রুমাইসা। তাঁর প্রথম স্বামী মালিক বিন নজর উম্মে সুলাইম ইসলাম গ্রহণে অসন্তুষ্ট হয়ে শামে চলে যান। আর কখনো ফিরে আসেননি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথম স্বামীর ঔরসে আনাস (রা.)-এর জন্ম হয়। (আসাদুল গাবাহ : ৩৪৫/৭)

স্বামীর মৃত্যুর পর অনেকেই উম্মে সুলাইম (রা.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। আবু তালহা আনসারি তাঁদের একজন। তবে তিনি তখনো কাফের। অমুসলিম হওয়ায় উম্মে সুলাইম (রা.) তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও মানুষ হিসেবে তাঁকে পছন্দ হয়। তিনি তাঁকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে সেটাই হবে আমার মোহরানা। তা ছাড়া আর কিছুই আমি চাই না।’ (তাবাকাতে ইবনে সাদ : ৪২৬/৮)

উম্মে সুলাইম (রা.)-এর আহ্বান আবু তালহার পছন্দ হয় এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। আবু তালহার ইসলাম গ্রহণ ও তাঁদের বিয়ে আরবে আলোচনার সৃষ্টি করে। বলা হয়, ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে মূল্যবান মোহর।

উম্মে সুলাইম (রা.) ছিলেন একজন আদর্শ মা। শিশুকালে সন্তানদের তিনি ইসলাম ও ইসলামী জীবনে অনুপ্রাণিত করেন। সন্তানদের ইসলামের জন্য উত্সর্গ করেন তিনি। আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) যখন মদিনায় আসেন তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। মা আমার হাত ধরে রাসুল (সা.)-এর কাছে নিয়ে যান। মা রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আনসারের সব নারী ও পুরুষ আপনাকে কোনো না কোনো কিছু হাদিয়া দিয়েছে। আপনাকে দেওয়ার মতো আমার কাছে কিছু নেই। আমার কাছে কেবল আমার ছেলে আছে। আপনি ওকে হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করুন, সে আপনার প্রয়োজনের সময় খেদমত করবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৮০)

সন্তানের সুশিক্ষা ও নিবিড় পরিচর্যার জন্য এর চেয়ে উত্তম আর কী-ই বা হতে পারে। রাসুল (সা.)-এর হাতে সন্তানকে সঁপে দিয়ে তিনি শুধু বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়নি; বরং সৌভাগ্যের অংশীদার হয়েছেন।

বিপদের সময় ধৈর্য ধারণেও উম্মে সুলাইম (রা.) সবার জন্য ছিলেন অনুকরণীয়। আল্লাহর যেকোনো ফয়সালা তিনি মেনে নিতেন দ্বিধাহীন চিত্তে। আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আবু তালহা (রা.)-এর ছেলে মারা গেলে বাড়ির লোকদের ছেলের মা উম্মে সুলাইম বলেন, তারা যেন ছেলে সম্পর্কে আবু তালহাকে কিছু না বলে। তাকে যা বলার সে-ই বলবে। আবু তালহা বাড়ি এলে উম্মে সুলাইম তাকে রাতের খাবার দিলেন। তিনি খাবার খেলেন। অতঃপর উম্মে সুলাইম স্বামীর জন্য সাজসজ্জা করলেন। আবু তালহা সে রাতে তাঁর সঙ্গে সহবাস করলেন। উম্মে সুলাইম দেখলেন, আবু তালহা তৃপ্ত হয়েছে ও তার প্রয়োজনও পূরণ হয়েছে। তখন তিনি বললেন, আবু তালহা, দেখুন! কেউ কোনো পরিবারকে কোনো কিছু ঋণ দিলে, এরপর তা ফেরত চাইলে ওই পরিবারের তা ফেরত না দেওয়ার কোনো অধিকার আছে? আবু তালহা বলল, না। উম্মে সুলাইম বললেন, তাহলে আল্লাহর কাছে আপনার ছেলের জন্য সওয়াব প্রত্যাশা করুন। এই কথা শুনে আবু তালহা রেগে গেলেন আর বললেন, তুমি আগে কিছু বললে না, অথচ আমি তোমার সঙ্গে এত কিছু করে ফেললাম। এখন তুমি আমার ছেলের খবর দিচ্ছ। তিনি রাসুল (সা.)-এর কাছে গিয়ে সব কথা বললেন। সব কিছু শুনে রাসুল (সা.) বললেন, ‘তোমাদের উভয়ের রাতে আল্লাহ বরকত দিন।’

সাবেত (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি উহুদের যুদ্ধে আয়েশা (রা.) ও উম্মে সুলাইম (রা.)-কে পিঠে করে পানির পাত্র নিয়ে যেতে দেখেছি। তারা মানুষকে পানি পান করিয়ে পাত্র খালি করত। আবার ভরে এনে পানি পান করিয়ে পাত্র খালি করত।’ সাবিত (রা.) আরো বলেন, ‘হুনাইনের যুদ্ধের দিন আবু তালহা (রা.) উম্মে সুলাইমের দিকে ইঙ্গিত করে রাসুল (সা.)-কে হাসাচ্ছিলেন। আবু তালহা বলছিলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি উম্মে সুলাইমকে আজ দেখেছন? সে আজ একটা খঞ্জর নিয়ে এসেছে। তখন রাসুল (সা.) উম্মে সুলাইমকে প্রশ্ন করলেন, ‘উম্মে সুলাইম, খঞ্জর দিয়ে কী করবে?’ মুশরিকদের কেউ আমার কাছে এলে এটা দিয়ে তাকে আঘাত করব। তাই এটা নিয়ে এলাম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৮০৯)

উম্মে সুলাইম (রা.) ছিলেন বহুগুণে সমৃদ্ধ একজন নারী সাহাবি। রাসুল (সা.) তাঁকে সমীহ করতেন। দুনিয়াতেই তিনি জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করেন। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমি জান্নাতে প্রবেশ করে আমার সামনে কারো জুতার আওয়াজ শুনতে পাই। দেখি, আনাস বিন মালেকের মা গুমাইসা আমার পাশে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৬৭৯)

সাকিবের দিকে তাকিয়ে জেসন হোল্ডার

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ সিপিএলে আজ মাঠে নামবে সাকিব আল হাসান। তার দল বারবাডোস আজ মাঠে নামবে টুর্নামেন্টের সেরা দল গায়না অ্যামাজনের বিপক্ষে। টুর্নামেন্টের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আজ মাঠে নামবে দলটি।

গায়না এবং বারবাডোসের এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আজ রাত ৯টায়। এই ম্যাচেই বারবাডোসের হয়ে মাঠে নামবেন সাকিব আল হাসান।

সিপিএলে ১০টি ম্যাচের সবগুলো ম্যাচেই জিতে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে গায়না। অন্যদিকে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ছিল সাকিবের বারবাডোস।

গ্রুপ পর্বে সাকিব আল হাসান বারবাডোসের হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছে। এই তিনটি ম্যাচের মধ্যে একটিতে সাকিব ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংস খেলেছিল। বাকি আর তিনটি ম্যাচেই বল হাতে ছিলেন দারুণ কার্যকর।

ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে আজ বারবাডোসের এই ম্যাচে আরও একবার সাকিবের জ্বলে উঠার অপেক্ষায় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। সাকিবের কাছে ফের এমন পারফর্মেন্স দেখতে চান তিনি।

মুমিনুল-সাদমানের ব্যাটে বাংলাদেশের লিড

জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটারকে ছন্দে ফেরাতে ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে পাঠিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগটা দুহাত ভরে নিচ্ছেন মুমিনুল-মিরাজরা। চার দিনের আন অফিশিয়াল টেস্টে কাল দ্বিতীয় দিনে একাই ৭ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে ২৬৮ রানে আটকে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক মুমিনুল। কালই সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল।

তবে মিডলঅর্ডার সেভাবে ভালো করতে না পারায় আজ বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশ ‘এ’ দল। অলআউট হয়েছে ৩৩০ রানে। এতে ৬২ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ৬ উইকেটে ২৮৩ রান নিয়ে কাল দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আজ ৪৭ রান তুলতে বাকি ৪ উইকেট হারায় তারা।

১৯০ বলে ১১৭ রানের ইনিংস খেলেন মুমিনুল। সাদমানের ব্যাট থেকে এসেছে ১০৪ বলে ৭৭ রানের ইনিংস। কিন্তু দলের বাকি ব্যাটসম্যানেরা হতাশ করেছেন। নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়েছেন ৯ রানে। মোহাম্মদ মিঠুনও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি, আউট হয়েছেন ২১ রান তুলতে না তুলতেই। ব্যর্থ জাতীয় দলে খেলা আরেক ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়ও (৮)।

শ্রীলঙ্কায় চার দিনের আন অফিশিয়াল টেস্টে কাল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে সেঞ্চুরি পেয়েছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। ফিফটি তুলে নিয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। আজ নিজেদের প্রথম ইনিংসে মোট ৩৩০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। লিড পেয়েছে ৬২ রানের

শেষ দিকে নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজের ছোট কিন্তু কার্যকরি দুটি ইনিংস না হলে তিন শ টপকে যেতে পারত না বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুর্দান্ত বল করেছেন বোলার মোহাম্মদ সিরাজ। ২১.১ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। বাকি ৫ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন পেসার আসিতা ফার্নান্দো ও বাঁহাতি স্পিনার প্রভাত জয়াসুরিয়া। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১৬ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল।

হাম্বানতোতায় এই আন অফিশিয়াল টেস্ট শেষ হওয়ার পর তিনটি আন অফিশিয়াল ওয়ানডে ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

বিপিএলের জন্য প্রস্তুত দেশী-বিদেশী ক্রিকেটারদের তালিকা; এই মাসেই প্লেয়ার ড্রাফট!

বিসিবির ঘোষণা অনুযায়ী ৬ ডিসেম্বর মাঠে গড়ানোর কথা বঙ্গবন্ধু বিপিএল। সে হিসেবে তোড়জোড় দেখা যাওয়ার কথা বিসিবির মধ্যে। কিন্তু প্রেক্ষাপট পুরোই ভিন্ন। এমন কোন চিত্র নেই । একাধিক বোর্ড কর্মকর্তাও জানিয়েছেন শঙ্কার কথা। তবে বিসিবি সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী বিপিএল টুর্নামেন্টটি নির্ধারিত সময়ে হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। টুর্নামেন্ট আয়োজনের বেসিক কাজগুলোর বেশিরভাগই হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

বিসিবি ও বিপিএলের অফিসিয়ালদের কাছ থেকে জানা গেছে, দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের একটা তালিকা করে ফেলেছেন তারা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু শ্রীলংকা থেকে ফোনে জানান, প্লেয়ার ড্রাফটের ক্যাটাগরি অনুযায়ী স্থানীয় খেলোয়াড় তালিকা দেওয়া হয়েছে। বিসিবির বিপিএল শাখা ৩০০ জন বিদেশি ক্রিকেটারের একটি তালিকা প্রস্তুত করে ফেলেছে। খেলোয়াড়দের এই তালিকা দু-একদিনের মধ্যেই সিইও নিজামউদ্দিনকে দেওয়া হবে। বিপিএলের একজন অফিসিয়াল জানান, এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে খেলোয়াড় ড্রাফট হতে পারে।

বিসিবির একাধিক পরিচালক সমকালকে নিশ্চিত করেছেন, বঙ্গবন্ধু বিপিএল ২০১৯ আয়োজনের দায়িত্ব নিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। যে কারণে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা এ ব্যাপারে মিডিয়ায় কথা বলতে রাজি হচ্ছেন না। তবে বিসিবি সিইওর নেতৃত্বে স্টাফরা ভেতরে ভেতরে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। আজ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পরিচালকদের সঙ্গে বোর্ডের সার্বিক ইস্যুতে বৈঠক করতে পারেন। সেটা হলে বিপিএলসহ সমকালীন ইস্যুতে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন বোর্ড সভাপতি।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে সাতটি দলের জন্য স্পন্সর চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল বিসিবি। বেঁধে দেওয়া সময়ে ছয়টি প্রতিষ্ঠান স্পন্সর হতে আগ্রহ দেখিয়েছে। বাকি স্পন্সরও হয়ে যেতে পারে। স্পন্সর পাওয়া গেলেও এবারের স্পেশাল বিপিএলে বৈশ্বিক তারকা ক্রিকেটারদের সেভাবে নাও দেখা যেতে পারে। কারণ বিদেশি তারকা ক্রিকেটারদের জন্য এক লাখ ডলার সম্মানী বেঁধে দেবে। এ কারণে খেলোয়াড়দের এজেন্টরা তারকা ক্রিকেটারদের প্লেয়ার ড্রাফটে নাম দেওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে। দেশি ও বিদেশি খেলোয়াড় এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, এক লাখ ডলারে চুক্তি হলে ৩০ শতাংশ ট্যাক্স কেটে ৭০ হাজার ডলার ক্রিকেটারকে দেবে বিসিবি। খেলোয়াড় এজেন্ট এখান থেকে পাবে ১০ হাজার ডলার। এসব দেওয়া-নেওয়ার পর ক্রিকেটারের পকেটে যাবে ৬০ হাজার ডলার। এই টাকার ওপর নিজ দেশে ট্যাক্স দিতে হবে তাকে। এ কারণে ২০১৯ বিপিএলে তারকা ক্রিকেটারদের নাও দেখা যেতে পারে।

বিদেশি তারকা ক্রিকেটারদের ভিত্তিমূল্য আগে এক লাখ ডলার থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তালিকার বাইরে থেকে তিনজনকে নিতে পারত। বিসিবি সভাপতি পাপন এই সুযোগ স্পন্সরদের দিতে চান। বাস্তবতা হলো, ক্রিকেটের সঙ্গে আগে থেকে সম্পৃক্ততা না থাকলে স্পন্সরদের পক্ষে চার-পাঁচ কোটি টাকা খরচ করে বিদেশি তারকা ক্রিকেটার আনার ঝুঁকি কে নেবে!

বিপ টেস্টে ১১ তে ১০ পেয়েও পাস করলেন আশরাফুল!

বিপ টেস্টের প্রথম পরিক্ষাতে ৯.৭ পাওয়া আশরাফুল দ্বিতীয়বারের কোন মতে ১০ পেলেও তাকে পাস করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ধারণা করা হচ্ছে পূর্বের নির্ধারিত ১১ পয়েন্ট থেকে কমিয়ে ১০ নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে প্রথমবার বিপ টেস্ট পরিক্ষাতে ১১ পয়েন্টের মধ্যে ৯.৭ পয়েন্ট পেয়েছিলেন আশরাফুল। তখন সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অনুরোধ করেছিলেন যেন পয়েন্ট কমানো হয়। সেই প্রেক্ষিতেই হয়ত নিজেদের পূর্বের অবস্হান থেকে সরে আসলো বিসিবি।

আজ মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়বারের মতো নেওয়া হয় ক্রিকেটারদের বিপ টেস্ট পরিক্ষা। যেকোনে কোন মতে ১০ পয়েন্ট পান আশরাফুল। তবুও তাকে পাস করে দেওয়া হয়। জানা গেছে, নতুন করে বিপ টেস্ট মার্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।

বিসিবির নতুন সিদ্ধান্তে হয়ত খেলার সুযোগ পাবেন বিপ টেস্টে ফেল করা রাজ্জাক, নাসির, আরাফা সানিরাও

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন