আমি মারা যাই নিঃ মোহাম্মদ নবী

আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী মারা গেছেন! এমন একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে । মাত্র কয়েকদিন আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরে গেছেন নবী। দেশে ফিরেই নেমে পড়েছেন ক্রিকেট প্র্যাকটিসে। আফগান ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত, বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে আফগান ক্রিকেটের এই সিনিয়র ক্রিকেটারকে।

তবে হঠাৎ করেই গত দু’দিন যাবৎ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে, ‘হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেছেন মোহাম্মদ নবী। হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন তিনি।’ অনেকগুলো টুইটেই নবীর মৃ্ত্যুর বিষয়ে মিথ্যে গুজবটি ছড়ায়।

কিন্তু এ বিষয়ে আফগান ক্রিকেট বোর্ড কিংবা মোহাম্মদ নবী- কারো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হচ্ছিল না। যদিও আফগান ক্রিকেট বোর্ড শুক্রবারও প্র্যাকটিস ম্যাচের কিছু ছবি প্রকাশ করে লিখেছে, ‘এসব ছবিতে মোহাম্মদ নবীকে দেখা যাচ্ছে। মিস-ই-আইনাক নাইটস এবং বুস্ট ডিফেন্ডারসের মধ্যকার প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে খেলেছেন নবি।’

তবে সেখানেও মোহাম্মদ নবীর সত্যিকার বর্তমান অবস্থা কেমন সেটা লেখা হয়নি। এ কারণে সমর্থকরাও পড়ে গিয়েছিল দারুণ এক সংশয়ে। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ নবীকেই স্বয়ং এসে কথা বলতে হলো টুইটারে। সেখানেই তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধুরা, আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। বেশ কিছু মিডিয়ায় আমার হঠাৎ মৃত্যুর বিষয়ে ভুয়া সংবাদ প্রচার করছে। এগুলো সত্যিই ভুয়া। ধন্যবাদ।’

ছক্কার বিশ্বরেকর্ড গড়লেন রোহিত!

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতের টেস্ট জার্সিতে প্রথমবারের মত ওপেনিংয়ে নেমে ইতিহাস গড়েছেন রোহিত শর্মা। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪২ বছরের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথমবারের মতো ওপেনিংয়ে নেমে কোনো টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন তিনি।

এছাড়াও তিনি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। আর তা হলো এক টেস্টে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রান করেছিলেন রোহিত। এই ইনিংসে ছিল তার ৬টি ছক্কা।

অন্যদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৭ রান করেন রোহিত। ১৪৯ বলে ১০ চার ও ৭ ছক্কায় এ ইনিংস খেলেন তিনি। এরই ফলে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন রোহিত।

এর আগে এই রেকর্ড ছিল পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরামের। তিনি ১৯৯৬ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক টেস্টে সর্বোচ্চ ১২টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভেঙ্গে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন রোহিত।

১ কোটি ৪২ লাখ টাকার চড়া মূল্যে নিলামে তামিম ইকবাল!

বহুল আলোচিত ‘দ্য হান্ড্রেড’ তথা ১০০ বলের টুর্নামেন্টের বিদেশী ক্রিকেটারদের নিলামের বেস প্রাইস হিসেবে একই পুলে জায়গা হয়েছে বাংলাদেশের দুই সুপারস্টার সাকিব-আল হাসান ও তামিম ইকবালের। আগামী বছরের ১৭ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডের আটটি দল নিয়ে যাত্রা শুরু করবে ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ ১০০ বলের আসর।

চলতি মাসের ২০ তারিখে ৮ ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের নবজাতক ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের নিলাম। মোট ১৬৫ জন বিদেশী ক্রিকেটারের সৌভাগ্য হয়েছে নিবন্ধিত বিকিকিনির তালিকায়। ১০০ বলের আসন্ন টুর্নামেন্টের নিলামের অফিসিয়াল তালিকায় আছেন বাংলাদেশের ছয় ক্রিকেটার। সাকিব-তামিমের পাশাপাশি বিদেশী ক্রিকেটারদের নিলামের ড্রাফটে অন্তর্ভুক্তির সৌভাগ্য হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টাইগারদের প্রতিনিধি মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমানের। বিদেশী ক্রিকেটারদের নিলামের বেস প্রাইসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে জায়গা হয়েছে সাকিব ও তামিমের। ১৭ জন ভিনদেশী খেলোয়াড় সমন্বিত তালিকার নিলামের ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ পাউন্ড (প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ)। বিদেশী ক্রিকেটার বিকিকিনির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বেস প্রাইস ১ লাখ ২৫ হাজার পাউন্ড ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে আটজন সুপারস্টারকে। এরা হলেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও ডেভিড ওয়ার্নার। দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক এনগিডি ও কাগিসু রাবাদার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সর্বোচ্চ বেস প্রাইসের লিস্টে।

নির্দিষ্ট কোনো বেস প্রাইস নির্ধারণ ছাড়াই ৬৭ জন বিদেশী ক্রিকেটার সমন্বিত ক্যাটাগরিতে জায়গা হয়েছে নিলামে নিবন্ধিত বাংলাদেশের অন্য চার ক্রিকেটার মুশফিকুর, মিঠুন, সাইফউদ্দিন ও মুস্তাফিজের। তবে আনুষ্ঠানিক বিকিকিনিতে নাম উঠলে অন্তত ৩০ হাজার পাউন্ড করে পাবেন তাদের প্রত্যেকেই। নিলামের এটিই সবচেয়ে কম বেস প্রাইস। মোট সাত ক্যাটাগরিতে ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের ক্রিকেটার নিলামের ভিত্তিমূল্য। সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৫ হাজার পাউন্ড, ১ লাখ পাউন্ড, ৭৫ হাজার পাউন্ড, ৬০ হাজার পাউন্ড, ৫০ হাজার পাউন্ড, ৪০ হাজার পাউন্ড ও ৩০ হাজার পাউন্ড। প্রতিটি দল তাদের স্কোয়াডে ও একাদশে সর্বোচ্চ তিনজন বিদেশী ক্রিকেটার রাখতে পারবে।

টিকটক ঠেকানো নিয়ে যা বললেন মার্ক জাকারবার্গ

চীনা শর্ট ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা জোরালো করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফেইসবুক। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কৌশল কী হবে অভ্যন্তরীণ এক সভায় তার বিস্তারিত আলোচনা করেছেন প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। ওই সভারই তথ্য ফাঁস হয়েছে কোনো এক সূত্রের মাধ্যমে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে ফেইসবুকও নিজেদের প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ।

প্রযুক্তি সাইট ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাকারবার্গ বলেছেন “টিকটকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য আমরা অনেকগুলো কৌশল বেছে নিয়েছি। প্রথমে আমরা বাজারে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করবো।”

আগের বছর নভেম্বরেই ফেইসবুক নিজস্ব অ্যাপ “ল্যাসো” উন্মুক্ত করেছে যা টিকটকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে সক্ষম।

সভায় জাকারবার্গ বলেন, “এ ধরনের প্ল্যাটফর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমাদের হাতে অনেক রকমেরই কৌশল রয়েছে। আবার ‘ল্যাসো’ নামে একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ নিয়েও আমরা কাজ করছি। আশা করছি এটি মেক্সিকোসহ অন্যান্য দেশে জনপ্রিয়তা পাবে।”

বর্তমানে টিনএজার এবং জেনারেশন জেড এর ওপর টিকটক সংস্কৃতির যে প্রভাব পড়েছে তার বিপরীতে ফেইসবুকের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে জাকারবার্গ বলেন, “আমরা প্রথমে সেই সব দেশে বাজার ধরার চেষ্টা করবো যেসব দেশে টিকটক এখনও অতটা জনপ্রিয় হয়নি। টিকটক অনেক বেশি জনপ্রিয় এমন দেশগুলোতে আমরা পরে যাবো।”

বর্তমানে ভারতে টিকটক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। টিকটকের মূল মালিক চীনের বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স।

ফেইসবুক প্রধান টিকটক সম্পর্কে বলেন, “এটি অনেকটাই ইনস্টাগ্রামের এক্সপ্লোর ট্যাবের মতো। আমি মনে করি এটি স্টোরিজ দেখার জন্য একটি পুরো অ্যাপও হতে পারতো।”

“আমরা ইনস্টাগ্রামের সঙ্গেও বিভিন্ন রকমের কৌশল নিয়ে এগোচ্ছি। এক্সপ্লোর যাতে আরও বেশি স্টোরিজ নির্ভর হয় সে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে, ক্রমেই গ্রাহকের কাছে এই ব্যবস্থায় ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট গ্রহণ করার বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, পাশাপাশি অন্যান্য কিছু বিষয়ও রয়েছে,” যোগ করেন ফেইসবুক প্রধান।

ভারত সফরের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে যে হার্দিক খেলবে না তা নিশ্চিত। তবে মাঠে ফিরতে কয়দিন সময় লাগবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। সে যুক্তরাজ্য থেকে ফেরার পরই কিছু বলা যাবে।’ এমনও হতে পারে যুক্তরাজ্যের ডাক্তারের পরামর্শে পিঠের অস্ত্রোপচার লাগতে পারে হার্দিকের। সেক্ষেত্রে অন্তত ৫ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে এ তারকা অলরাউন্ডারকে। আর এমনটা হলে ২০২০ সালের আইপিএলের ঠিক আগে দিয়ে হয়তো মাঠে ফেরার জন্য প্রস্তুত হতে পারবেন হার্দিক।

আগামী নভেম্বরে ভারত সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুইটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে ৩ নভেম্বর মাঠে গড়াবে প্রথম টি-টোয়েন্টি। এরপর ১৪ নভেম্বর দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হবে ভারত-বাংলাদেশ।

চোটের কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে বুমরাহর সঙ্গে হার্দিকও খেলতে পারবেন না। এদিকে বাংলাদেশের একাদশ নিয়েও রয়েছে নির্বাচকদের চিন্তাভবনা, যেহেতু প্রতিপক্ষ ভারত সেহেতু একাদশ টায় ঠিক সেরকমই হওয়া চাই। ভারত সফরে দলে ফিরবেন বাংলাদেশের ড্যাসিং ওপেনার তামিম ইকবাল ও।

এক নজরে দেখেনিন ভারত সফরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ১৫ সদস্যের একাদশ। উল্ল্যেখ্য ভারতের বিপক্ষে ৩টি টি২০ ও ২টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। নভেম্বর এর ৩ তারিখ থেকে সিরিজটি শুরু হবে।

প্রধান কোচের পছন্দের বাংলাদেশ স্কোয়াড: তামিম ,লিটন দাস, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, তাইজুল ইসলাম , রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ মিথুন, মিরাজ।

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন