আন্তর্জাতিক টি-২০তে সবচেয়ে বেশি ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হওয়া ক্রিকেটারের তালিকা!

আন্তর্জাতিক টি-২০তে বরাবরেই অন্যতম শক্তিশালী দল আফগানিস্তান। তবে এবার যে আফগানরা রেকর্ড গড়েছে আরেকটি সেক্টরে। আর সেটি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি মান অফ দ্যা ম্যাচ হওয়া ক্রিকেটারদের তালিকায় আছে তাদের ক্রিকেটারের নামও। এক নজর দেখে নেওয়া যাক সেই তালিকাঃ

১/ মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান ) ২০১০-২০১৯, ম্যাচ ৭২, ম্যাচ সেরা ১২
২/ভিরাট কোহলি (ভারত) ২০১০-২০১৯, ম্যাচ ৭২, ম্যাচ সেরা ১১
৩/শহীদ আফ্রিদি (আইসিসি / পাকিস্থান) ২০০৬-২০১৮, ম্যাচ ৯৯, ম্যাচ সেরা ১১
৪/ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিস) ২০০৬-২০১৯, ম্যাচ ৫৮, ম্যাচ সেরা ৯
৫/ শেন ওয়াটসন (অস্ট্রেলিয়া) ২০০৬-২০১৬,ম্যাচ ৫৮, ম্যাচ সেরা ৯
৬/মোহাম্মদ শাহজাদ (আফগানিস্তান ) ২০১০-২০১৮, ম্যাচ ৬৫, ম্যাচ সেরা ৯
৭/মোহাম্মদ হাফিজ (পাকিস্থান) ২০০৬-২০১৮,ম্যাচ ৮৯, ম্যাচ সেরা ৯
৮/রহিত শর্মা (ভারত) ২০০৭-২০১৯,ম্যাচ ৯৮, ম্যাচ সেরা ৮
৯/কুশল পেরেরা (শ্রীলংকা ) ২০১৩-২০১৯, ম্যাচ ৩৯,ম্যাচ সেরা ৭
১০/কলিন মুনরো (নিউজিল্যান্ড ) ২০১২-২০১৯, ম্যাচ ৫৫, ম্যাচ সেরা ৭ ।

কাশ্মীরে ২৭০০ গণকবরের স ন্ধান, চারিদিকে লা শ আর লা শ!!

কা শ্মীরের বিশেষ মর্যা দা বাতিল করার পর থেকেই বিক্ষো ভে ফেটে পড়েছে পুরো কা শ্মীর। আর এই বিক্ষো ভকা রীদের

অনেকেকেই গ্রে ফ তার করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় বাহিনী। তাদের অনেকেরই কোন খোঁজ মেলেনি। স্থানীয়দের আশঙ্কা তাদের নিয়ে গু ম করে দেয়া হয়েছে।

সেই আশঙ্কা অনেকটা সত্যিই মনে হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল পিপলস ট্রাইব্যুনাল অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জাস্টিস নামের মানবাধিকার সংস্থার একটি প্রতিবেদনে। তাদের দাবি তারা ভারত অধিকৃত কা শ্মীরে ২৭০০ গ ণক বরের খোঁ জ পেয়েছে।

শ্রীনগরের একটি সংবাদ সম্মেলনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। এতে গণ কবরে কমপক্ষে ২৯০০ লা শ রয়েছে দাবি করে এর স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবার) ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হি ন্দু এ খবর প্রকাশ করেছে।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দুই হাজার ৭০০ অ জ্ঞাত, অ শনাক্ত গণ কবরে দুই হাজার ৯০০ ম র দেহ রয়েছে। উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা, বারামুল্লা ও খোপওয়ারা জেলার ৫৫টি গ্রামে এসব কবর রয়েছে।

সংস্থাটির দাবি, ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ ম র দেহ নামহীন। তারা এ ক্ষেত্রে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।

বিকিনি মডেলকে ১৩৫ কোটি টাকা উপহার দিলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী!

দক্ষিণ আফ্রিকার এক বিকিনি মডেলকে ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩৪ কোটি ৮২ লাখেরও বেশি টাকা) ‘উপহার’ দিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি।

এই খবর প্রকাশের পর তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

দক্ষিণ আফ্রিকার এক আদালত থেকে পাওয়া নথি বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমটি এই খবর প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ২০১৩ সালে সিচেলিস দ্বীপে দক্ষিণ আফ্রিকার মডেল ক্যানডাইস ভ্যান ডার মারউইর সঙ্গে দেখা করেন হারিরি। তখন তিনি এই মডেলকে ব্যক্তিগতভাবে ১৬ মিলিয়ন ডলার দেন। হারিরি তাকে এই অর্থ কেন দেন জানা যায়নি এখনও। তবে ভ্যান ডার মারউইর আয়কর কর্তৃপক্ষকে জানান, এই অর্থের কর দিতে হবে না। কারণ তিনি তা উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

বিকিনি মডেলকে নগদ অর্থ পাঠানো বেআইনি না হলেও এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ কেউ হতবাক হয়েছেন। কারণ একজন ব্যবসায়ী যখন ব্যবসায়িকভাবে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন, তখন তিনি কিভাবে এই বিলাসী কর্মকাণ্ড করতে পারেন।

ফোর্বস ম্যাগাজিন বলছে, গত বছর হারিরির সম্পদের পরিমাণ ছিল ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু এখন অর্থনৈতিকভাবে কঠিন সময় পার করছে লেবানন। এর প্রভাব পড়েছে হারিরির ব্যবসা-বাণিজ্যেও।

কর্মচারীদের বেতন দিতে না পারায় ইতোমধ্যে হারিরির পারিবারিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সৌদি ওগারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। তার টিভি নেটওয়ার্কও গত সেপ্টেম্বর থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ আছে।

ধকল সামলাতে পারছেন না নেত্রকোনার রিপন

‘আমি তো মোবাইল বন্ধ রাখি। সারাদিন মোবাইলে ফোন আসে। সবাই শুধু কথা বলতে চায়। জানতে চায় আমি কী করি, কোথায় থাকি এসব। আমার সাথে গল্প করতে চায়। এজন মোবাইল বন্ধ রাখি। না হলে কাজ করতে পারি না।’

কথাগুলো নেত্রকোনার রিপন নামের এক যুবকের। ফেসবুকে হুট করে জনপ্রিয় হয়েছেন এই রিপন। এখন আর সেই ধকল সামলাতে পারছেন না। নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভিডিও। অর্থাৎ রিপন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রিপন ভিডিও’ নামে পরিচিত হয়ে গেছেন। মাত্র ক’দিনে ফেসবুক অনুসরণকারীর সংখ্যা পৌনে ৩ লাখ।

আকস্মিক এই জনপ্রিয়তার উৎস কী? তাকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিলেন এক বন্ধু। সেখানে ভুল উচ্চারণে নিজে ছন্দ মিলিয়ে মিলিয়ে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট করতেন। এই ভিডিও ক্রমাগত ছড়াতে থাকে। রিপনের ভিডিওগুলো মজা করে দেখে নেটিজেনরা শেয়ার দিচ্ছেন যার কারণে এগুলো ক্রমাগত ছড়াচ্ছে। এই হাসি ঠাট্টার কারণেই রিপন এখন নেত্রকোনা সদরে আলোচিত।

রিপন পেশায় কাঠমিস্ত্রী। আসবাবপত্র তৈরির দোকানে কাজ করেন। এর ফাঁকে মোবাইলে ফেসবুক দেখতেন। বুঝে উঠতে পারতেন না যে, আসলে ফেসবুকে কী লেখা রয়েছে। পড়েছেন তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত। স্বাভাবিকভাবেই সবকিছু পড়তে পারেন না।
অকপটে সবকিছু স্বীকার করে নিয়ে রিপন বলেন, ‘আমি ফেসবুকে কিছু পড়তে পারি না। আমার বন্ধুরা ফেসবুক খুলে দিয়েছে। যখন কাজ থাকে না, তখন আমি ছন্দ বানাই। মাস দুইয়েক আগের ঘটনা, একদিন মনে হলো ছন্দগুলো ভিডিও করি। ভিডিও করেছিলাম। পরে মনে হলো ফেসবুকে দেই। ফেসবুকে দেওয়ার পরে মানুষ সেগুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করে।’

গত ঈদে একটি ভিডিও ছেড়েছিলেন। সেই ভিডিওতে নিজের বাসায় ঈদের দাওয়াত দিয়েছিলেন বন্ধুদের। ভিডিওটি হাসি ঠাট্টায় সোশ্যাল মিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই তাকে গ্রামের কয়েকজন পেইজ খুলে দেন। পেইজটাও নাকি তারাই চালান। আর রিপন মাঝেমধ্যে নিজের ভিডিও আপলোড করেন।

জনপ্রিয়তার যে ধকল রয়েছে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। বললেন, ‘দিন নাই রাত নাই সবসময় আমার মোবাইলে ফোন আসে, কোনো কাজ করতে পারি না। তাই এখন মোবাইল বন্ধ করে রাখি। কিন্তু রেহাই নেই। মানুষজন দেখা করতে চলে আসে। ঢাকা থেকে অনেকজন ইন্টারভিউ করে নিয়ে গেছেন। ইউটিউবে সেসব প্রকাশ হয়েছে। এখনও আসছে।’

প্রেমিকা বিয়ে করতে চাপ দেওয়ায় প্রেমিকের আত্মহ’ত্যা!

বিয়ের দাবিতে এক কলেজছাত্রী তরুণের বাড়িতে অনশন করছেন। আর ওই তরুণ প্রতিবেশীর বাড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন।

এ ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামে।

আত্মহ’ত্যাকারী কলেজছাত্র সোহাগ উপজেলার আনন্দ নগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ছাত্র ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানা যায়, সোহাগ আহম্মেদের সঙ্গে এক কলেজছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৬ মাস যাবৎ তাদের মধ্যে এ সম্পর্ক চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সারাদিন দুইজন চলনবিলে নৌকায় ঘুরে বেড়ায়।

তাদের বেড়ানোর খবর ওই ছাত্রীর বাবা-মা জানতে পারে। বিকালে বাড়ি ফিরে গেলে তাকে মা-বাবা বকা দেয়। মা-বাবার বকা খেয়ে তিনি সোহাগের বাড়িতে সমস্যার কথা জানান এবং বিয়ে করতে বলেন।

ওই সময় সোহাগ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায়। ওই ছাত্রী সোহাগের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করে। গভীর রাতে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দিতে একমত হয়।

এ সময় সোহাগ ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না জানিয়ে প্রতিবেশীর ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ফাঁস দিয়ে আত্মহ’ত্যা করে। এ খবর পেয়ে ওই ছাত্রী টয়লেটে গিয়ে দরজা বন্ধ করে হারপিক খেয়ে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করে।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা হয়েছে। উভয়পক্ষের অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ভারত থেকে এলো ৯শ ৪৬টন পেঁয়াজ, কমতে পারে দাম!

ভারত সরকার পেয়াঁজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার আগে ২৮ই সেপ্টেম্বরের পুরনো এলসি করা ৭০টি পেয়াঁজ বোঝাই ট্রাকের মধ্যে ৫৭টি ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে।

বন্দর দিয়ে দেশে পেয়াজ প্রবেশের সাথে কমেছে পেয়াজের দাম। প্রতিকেজি পেয়াজ হিলি বন্দরে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। ৪ দিন থেকে ওপারে পাকিংএ আটকে থাকায় গরমে অনেক পেয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। পেয়াজের গাড়ি থেকে পানি পড়ছে। অধিকাংশ নষ্ট পেয়াজ নিয়ে আমদানিকারকরা পড়েছে বিপাকে।

নানা জটিলতা শেষে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে পেয়াঁজ বোঝাই ট্রাক গুলো বন্দরে প্রবেশ করতে শুরু করে। বন্দর কতৃপক্ষ বলছেন ৫৭টি ট্রাকে ৯শ ৪৬ মেট্রিক টন পেয়াঁজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে।

হিলির খুচরা বিক্রেতা আহম্মেদ আলী জানান, দুর্গা পুজার ছুটিতে হিলি বন্দর ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এই বন্ধের মাঝে আবারও আমদানিকারক ও পাইকার ব্যবসায়ীরা পেয়াজ মজুত করলে খুচরা বাজারে দাম আবারও অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই তারা বাজার মনিটরিং টিম হিলিতে রাখার দাবী জানান।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপ সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভারত সরকার পেয়াঁজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার আগেই দূর্গাপূজার বন্ধের সময় দেশের বাজারে পেয়াঁজের দাম স্বাভাবিক রাখতে নির্ধারিত মূল্যে প্রচুর পরিমাণ এলসি করা হয়েছে। ভারত সরকার পেয়াঁজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর সেই পেয়াঁজ গুলো ভারত অভ্যন্তরে আটকে যায়। নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে আজ শুক্রবার সেই পেয়াঁজ গুলো বন্দরে প্রবেশ করতে শূরু করেছে। যা বন্দরে প্রবেশ করলে পেয়াঁজের বাজার যেমন স্বাভাবিক হবে তেমনি আমরাও ক্ষতির হাত থেকে বাচঁবো।

আমদানিকারক বাবলুর রহমান বলেন, আমদানিকৃত পেয়াজ নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদেরকে। গরমে অনেক গাড়ি দিয়ে পেয়াজ পচার পানি ঝড়ছে। বন্দরে যে সকল পেয়াজ এসেছে তার মধ্যে অধিকাশ পেয়াজ পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। পোর্ট থেকে পেয়াজ নিজ গুদামে নিয়ে গিয়ে বাছাই করে তার পর বিক্রি করা হবে। এক সাথে বেশি পরিমানের পেয়াজ দেশে প্রবেশ করায় দাম কমে যাওয়ায় অনেক আমদানি কারককেই লোকসান গুনতে হবে।

নোংরামি বলে বেরিয়ে গেলেন রিয়াজ!

রাগ করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সভা থেকে বেরিয়ে গেছেন বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সভায় বার বার কথা বলতে চাইলেও আমাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। আমাকে কেন তাদের এত ভয়? আমি কি তাদের কাণ্ডকীর্তি ফাঁস করে দিতাম?

তিনি বলেন, এটা নোংরামি। এর মধ্যে আমি থাকতে চাই না। তাই সভা থেকে বের হয়ে এসেছি।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বিএফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। বিগত দুই বছরের আয় ব্যয়ের হিসেবসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়। এ সময় রিয়াজ কথা বলতে চাইলে তাকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান তিনি।

রিয়াজ বলেন, ‘এমন কোনা ধারা নেই যে সভায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আর কেউ কথা বলতে পারবে না। সভায় তারা এমনভাবে কথা বলছেন যে সকল অর্জন শুধু এ দুজনের আর কারও নয়।’

তার মতে, ভোটার তালিকায় অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এসব নিয়েও আমি কথা বলতে চেয়েছিলাম।

এ নায়কের ভাষ্য, কমিটির অর্থ সম্পাদক আয় ব্যয়ের যে হিসাব দিয়েছেন তা আমার কাছে পরিষ্কার না। এই সেশনে অনুদান এসেছে ৫৮ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকা। এত টাকা রেখে শিল্পীদের জন্য মাত্র ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০০ টাকা খরচ করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন এত কম কেন? শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য দাতারা টাকা দিয়েছেন। এ টাকা না দেওয়ার কারণ কী?

আমি সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন রিয়াজ। তিনি আরও বলেন, সভাপতি মিশা সওদাগর বলেছেন, এখানে তিনি আর সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আর কেউ কথা বলতে পারবে না। আমার প্রশ্ন এই নিয়ম তিনি কোথায় পেলেন?

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন