১৩ কোটিতে তরুণীর কুমারিত্ব কিনলেন এমপি! (ভিডিও)

নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে গড়ে তোলার খুব ইচ্ছা লিয়া নামের তরুণীর। কিন্তু পুঁজির অভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না। তাই নিজের কুমারিত্ব বিক্রির সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ কোটি টাকায় তার কুমারিত্ব কেনেন এক সংসদ সদস্য।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে খবর দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

কুমারিত্ব বিক্রি করা ওই কিশোরী এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

লিয়া জানিয়েছেন, একটি অনলাইন এসকর্ট সাইটে ওই ব্রিটিশ রাজনীতিকের সঙ্গে আলাপ হয় তার। দুই মাস পর তিনি কুমারিত্ব বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। তবে ব্রিটিশ রাজনীতিকের নাম প্রকাশ করেননি লিয়া।

কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙনে ২ শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে!

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় দুধকুমার নদ ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। গত কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নদীর ভাঙন। খবর ইউএনবি’র।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত দুই সপ্তাহের অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার পাইকেরছড়া , চরভূরুঙ্গামারী ও সোনাহাট ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর, গাছপালা এবং আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যদিকে সোনাহাট ইউনিয়নের ছড়া গ্রামে চৌধুরী বাজার সংযোগ পাকা রাস্তাটিও একইভাবে ভেঙে গেছে। ইতিমধ্যে উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামটিতে যাওয়ার একমাত্র বাঁধটির অধিকাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এছাড়া ভাঙনের মুখে পড়েছে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ইসলামপুর জামে মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠ।

ওই গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন জানান, তার বসত ভিটাসহ গত তিনদিনে ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। অনেকে বাড়িঘর ভেঙে নিয়ে রাস্তা, বাঁধ কিংবা অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে এখনও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এলাকাবাসী জানায়, করালগ্রাসী দুধকুমারের ভাঙনে প্রতিবছর শত শত পরিবার বসতভিটা, আবাদি জমি হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ছে। বিপুল সংখ্যক গৃহহীন পরিবারের পাশে দাঁড়াতে আসছে না কেউ।

এদিকে চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক জানান, নদী ভাঙনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএইচএম মাগফুরুল হাসান আব্বাসি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ৩ মেট্রিক টন (জিআর) চাল বিতরণ করা হয়েছে। নদী ভাঙন প্রতিরোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৫ হাজার ৫শত জিও ব্যাগ ইতিমধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকায় ফেলানো হচ্ছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সালাহ’র জীবনযাপন দেখে ইসলামধর্ম গ্রহণ করি!

এক সময় যিনি মুসলিমদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করতেন। আজ সেই তিনিই কিনা আকস্মিক ইসলামধর্ম গ্রহণ করে ফেললেন। এর নেপথ্যে আর কেউ নন, লিভারপুলের মিসরীয় ফুটবলার মোহামদ সালাহ। তাকে দেখেই ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন বেন বার্ড।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বার্ড। সেখানে তিনি জানিয়েছেন কীভাবে ইসলামধর্ম গ্রহণ করলেন এবং মুসলিম হলেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন তুষিক দীন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুলিখন আকারে পত্রিকায় এটি ছাপা হয়েছে।

এ সময় বার্ড বলেন, ‘জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই আমি ইসলামকে ঘৃণা করে এসেছি। সদ্য সেখান থেকে সরে এসেছি। আমি মুসলিম হয়েছি। বাকি জীবনটা খাঁটি মুসলমান হিসেবে কাটাতে চাই।’

জানা যায়, বার্ড পেশায় মৌসুমি টিকিট বিক্রেতা। ইংল্যান্ডের নটিংহ্যাম ফরেস্ট ফুটবল ক্লাবে টিকিট বিক্রি করেন তিনি। সদ্য ইসলামধর্ম গ্রহণকারী এ ব্যক্তি বলেন, ‘সালাহ প্রথম মুসলিম, যার ভেতর আমি নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। সে যেভাবে জীবনযাপন করে, যেভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলে- সেটি আমার হৃদয়ে দাগ কাটে এবং পরিবর্তন আনে। পরে আমি ইসলামধর্ম গ্রহণ করি।’

এ সময় মুসলিমদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন সম্পর্কে বার্ড বলেন, ‘কোরআন পড়ার সময় মানুষ ভিন্ন কিছু দেখে, যেটি মিডিয়ায় সবসময় আসে না। মুসলিম সম্প্রদায়ে আমি নতুন, এখনও শিখছি। এটা কঠিন। এটা জীবনধারার পরিবর্তন।’

বিরাট শূন্য রানে আউট হলে আনুশকার কী দোষ? : সানিয়া!

বিদেশ সফরে পরিবার-পরিজন নিয়ে যেতে পারেন না ক্রিকেটাররা। এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বোর্ডগুলো। বলা হয়, স্ত্রী-বান্ধবী সঙ্গে থাকলে ক্রিকেটারদের মনঃসংযোগে ব্যঘাত ঘটবে। ফলে সামর্থ্য অনুযায়ী পারফরম করতে পারবেন না তারা।

তবে ভারতীয় টেনিস সেনসেশন সানিয়া মির্জা বলছেন ভিন্নকথা। তার মতে, সঙ্গিনী থাকলে আরও ভালো খেলতে পারেন ক্রিকেটাররা।

একই সঙ্গে টেনিস তারকার কণ্ঠে প্রতিবাদের সুর। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অনেক দলের ক্ষেত্রেই দেখি, তন্মধ্যে ক্রিকেট দলও রয়েছে; তাদের স্ত্রী-বান্ধবীদের বিদেশ ট্যুরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। বলা হয়, তাতে দলের ছেলেদের মনঃসংযোগ নষ্ট হবে।

সানিয়া প্রশ্ন ছুড়ে দেন, এর মানে কী? নারীরা এমন কী করে, যে জন্য পুরুষদের মনঃসংযোগে ব্যঘাত ঘটবে?

তিনি বলেন, আসলে এটা বদ্ধমূল ধারণা। শিকড়ের সঙ্গে লেগে থাকা সমস্যা। খুব আগে থেকে এটা চলে আসছে। যেখান থেকে আমরা বের হতে পারছি না।

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের হারের জন্য সানিয়াকেই দায়ী করা হয়। এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি সে দেশের কন্যা নই- বউ। আর একজন বউয়ের কী ক্ষমতা থাকতে পারে?

এ কথা বলতে গিয়ে বিরাট কোহলি-আনুশকা শর্মা প্রসঙ্গ টানেন টেনিস তারকা। ভারতীয় অধিনায়ক একটু বাজে পারফরম করলেই বলিউড সুন্দরীর দোষ দেয়া হয়। সানিয়া বলেন, বিরাট কখনও শূন্য রানে আউট হলে আনুশকাকে দায়ী করা হয়। তার প্রশ্ন- বিরাটের শূন্য করার সঙ্গে আনুশকার কী সম্পর্ক? যতসব অর্থহীন কথাবার্তা।

সানিয়ার ভাষ্যমতে, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে- দলগত খেলায় সফর চলাকালীন স্ত্রী-বান্ধবী সঙ্গে থাকলে আরও ভালো পারফরম করতে পারেন খেলোয়াড়রা। কারণ নিজ ঘরে ফেরার পর তারা আরও খুশি হয়ে ওঠে। একসঙ্গে ডিনার করা যায়। সঙ্গিনী থাকলে খেলোয়াড়রা আরও সমর্থন ও ভালোবাসা পান।

দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত সানিয়া। মেয়েদের খেলাধুলায় আসার জন্য আরও উৎসাহ দেয়ার কথাও বলেন তিনি। তার বক্তব্য, আমি যখন টেনিস খেলা শুরু করি, তখন দেশে (ভারত) মেয়েদের মধ্যে আদর্শ হিসেবে একজনই ছিলেন। তিনি পি টি ঊষা। এখন পি ভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, জিমন্যাস্ট তারকা দীপা কর্মকারদের মতো প্রেরণা রয়েছেন।

তাকে দ্রুতই জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে- নান্নু!

বল হাতে এক প্রকার তান্ডব দেখাতে প্রস্তুত শরিফুল। বল হাতে তার গতি, সুইংয়ের জন্য তিনি চলে গিয়েছেন অন্য এক উচ্চতায়। আর এই ব্যাপারে কথা বলেছেন নান্নু নিজেই।

এই ব্যাপারে তিনি বলেন ,’ ‘ওর উচ্চতা ভালো। এরমধ্যে ভালো পারফরম্যান্সও করেছে। আশা করি, সব ফরম্যাটেই ভালো করার ক্ষমতা রয়েছে ওর।’আমাদের যুব দলে শরিফুলের মতো ভালোমানের একজন পেসার রয়েছে।তার ভালো করা সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বোলিংয়ে সে ধারাবাহিক। ভ্যারিয়েশন রয়েছে। গতিও আছে। সে সম্ভাবনাময় পেসার। সে আরও উন্নতি করতে পারলে দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ পাবে। এই ব্যাপারে কোন ডাউট নেই।’

ভাতা দেয়ার নামে ঘুষ নেয়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে গণপি,টুনি দিলেন নারীরা!

বয়স্ক ও বিধবা ভাতা দেয়ার নাম করে অসহায় নারীদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এক দল বিক্ষুব্ধ নারীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার।

বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার গড়মহাস্থান গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী নূরজাহান বেগম, হাবিবর রহমানের স্ত্রী ছালেহা বেগম, মিলন রহমানের স্ত্রী সেলিনা আক্তারসহ ১৫ জন নারী অভিযোগ করেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার সম্প্রতি গড়মহাস্থান গ্রামে গিয়ে মাটি কাটার কাজ, বয়স্ক,

বিধবা ভাতার কার্ড ও মহিলা অধিদপ্তরের সেলাই প্রশিক্ষণের কাজ দেয়ার নামে ১৫-২০ জন নারীর কাছ থেকে ৭-৮ হাজার করে টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তাদের কাজ ও কার্ডের ব্যবস্থা করে না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ভুক্তভোগী নারীরা।

বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের গেটের সামনে গিয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তারের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চান। ভাইস চেয়ারম্যান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ নারীরা ভাইস চেয়ারম্যানকে গণপিটুনি দেন। রাতেই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

তবে ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের লেলিয়ে দেয়া কিছু নারী আমাকে মারপিট করে আহত করেছে। বর্তমানে আমি বগুড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমাকে সামাজিকভাবে অপমান করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু বলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে মি,থ্যা অভিযোগ করছেন। মাটি কাটার কাজ, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়া ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা বলে সাধারণ নারীদের কাছ থেকে ৭-৮ হাজার করে টাকা ঘুষ নিয়ে কার্ড করে দেননি। সে কারণে বিক্ষুব্ধ নারীরা টাকা ফেরত চেয়ে না পেয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য সঠিক তদন্তের দাবি জানাই আমি।

নারী কনস্টেবল প্রেমিকা সেজে আসামি ধরলেন!

নারী কনস্টেবলপ্রেমিকা সেজে আসামি ধরেছেন এক নারী পুলিশ সদস্য। গত শুক্রবার ট্রাক্টর চোর চক্রের ওই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইলের সখীপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, তাদের এক নারী সদস্য ট্রাক্টর চোর চক্রের এক সদস্যকে ধরেছেন। তবে এ জন্য ওই নারী পুলিশকে প্রেমের অভিনয় করতে হয়েছিল।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, সংঘবদ্ধ চোর চক্রকে ধরার স্বার্থে গ্রেপ্তারের বিষয়টি এত দিন গোপন রাখা হয়েছিল। এর আগে একই থানার এসআই ফয়সাল আহমেদ রিকশাওয়ালা সেজে হত্যা মামলার আসামি ধরেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাব্বির আহমেদ ওরফে বাবু (৩৫)। সাব্বির আহমেদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তানভীর আহমেদ (৩০) নামের আরেক ব্যক্তিকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সাব্বির আহমেদ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার বাসিন্দা। তানভীর কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার উত্তর মোল্লাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল্লাহ বলেন, ১১ সেপ্টেম্বর সকালে সাব্বির জমি চাষ করবেন বলে লাক মিয়া নামের এক ট্রাক্টরমালিককে সখীপুরের কচুয়া বাজারে আসতে বলেন। লাক মিয়া ট্রাক্টর চালিয়ে কচুয়া বাজারে আসেন। এরপর সংঘবদ্ধ চোরেরা লাক মিয়াকে জুসের সঙ্গে অচেতনকারী ওষুধ খাওয়ায়। এরপর তারা লাক মিয়ার ট্রাক্টর ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। লাক মিয়াকে বাজারের একটি ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর লাক মিয়া বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন।

এসআই বলেন, ট্রাক্টর নেয়ার কয়েক দিন পর সাব্বির মোবাইল ফোনে লাক মিয়ার কাছে টাকা দাবি করেন। বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা দিলে ট্রাক্টর ফেরত দেয়া হবে বলে জানান সাব্বির। লাক মিয়া বিষয়টি থানার পুলিশকে জানান।

আসামি সাব্বিরকে ধরতে সখীপুর থানার নারী কনস্টেবল পারুল আক্তার ওই নম্বরে ফোন দিয়ে প্রেমের অভিনয় করেন। একপর্যায়ে সাব্বির ওই নারী পুলিশের প্রেমে পড়ে যান। ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে সাব্বির তার প্রেমিকা পারুলের সঙ্গে দেখা করতে সখীপুর আসেন। সখীপুর পিএম মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে পারুলের সঙ্গে সাব্বিরের দেখা হয়। সাদাপোশাকে পুলিশ ওই বিদ্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে নারী পুলিশ পারুল সাব্বিরের জামার কলার ধরে টেনে এনে অন্য পুলিশ সদস্যদের কাছে তুলে দেন।

এসআই ওবায়দুল্লাহ বলেন, সাব্বিরের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানভীরকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাক্টরটি উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, সাব্বির ট্রাক্টরটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। পুলিশ ট্রাক্টর বিক্রির ৫০ হাজার টাকাও উদ্ধার করেছে।

স্বামীকে নিতে আবারও বাংলাদেশে এলেন আমেরিকার শ্যারুন!

স্বামী আশরাফ উদ্দিনকে (২৬) নিয়ে যেতে আবারও বাংলাদেশে এসেছেন আমেরিকার নিউইয়র্কের নারী শ্যারুন খান (৪০)। প্রেমের টানে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন শ্যারুন। এরপর ১০ এপ্রিল ঢাকায় একটি কাজি অফিসে বিয়ে করেন তারা।

প্রায় দেড় বছর পর বুধবার (২ অক্টোবর ২০১৯) তাদের বউভাতের অনুষ্ঠান হয়। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর স্বামীকে নিউইয়র্কে নিতে বাংলাদেশে আসেন শ্যারুন।

ফরিদপুর সদর উপজে’লার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মো. আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে আশরাফ উদ্দিন। তিনি (আশরাফ) ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেছেন। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় আশরাফ। তার বাবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে গাড়িচালক পদে কর্ম’রত।

শ্যারুন খান আমেরিকান মু’সলিম। তিনি নিউইয়র্কে একটি ব্যাংকে কর্ম’রত বলে জানিয়েছেন। তার বাবা সোলেমান খান ও মা এলিজা খান। দুই বোনের মধ্যে শ্যারুন বড়।

আশরাফ জানান, শ্যারুনের সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয়। এক সময় প্রেম হয়। তিনি বলেন, ‘ওর মধ্যে কোনো জটিলতা, সন্দেহ বা অবিশ্বা’সের ছায়া দেখিনি। আসলে জীবনে বাঁচতে হলে শান্তিটাই মুখ্য, বয়স বেশি না কম কিংবা দেখতে ভালো না খা’রাপ, সেটা বিচার্য কোনো বিষয় নয়।’

বাংলাদেশে আশরাফকে বিয়ে করতে ছুটে আসা প্রসঙ্গে শ্যারুন বলেন, আমেরিকা খুব ব্যস্ত। সেখানে কেউ কারও কোনো খবর নেয় না। এমনকি নিকটাত্মীয়ও না। কিন্তু পরিচয়ের পর থেকে আশরাফ সবসময় খোঁজ-খবর নিতেন। খেয়েছি কি না, শরীর কেমন আছে- এসব জানতে চাইতেন।

তিনি জানান, এবার তিনি বাংলাদেশে এসেছেন মূলত স্বামীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আশরাফের জন্য ভিসা পেতে যতদিন লাগে, ততদিনই তিনি এখানে থাকবেন।

আশরাফের বাবা আলাউদ্দিন মাতুব্বর বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে বউমা এমন ব্যবহার করছে যে, আম’রা অ’ত্যন্ত খুশি। বাংলা না বুঝলেও আমাদের তার ভাষা বুঝতে ক’ষ্ট হচ্ছে না।’

মা নার্গিস আক্তার বলেন, ‘এমন বউ পেয়ে আমি এত খুশি, তা বলার নয়। শ্যারুন আমাকে আম্মু বলে যে ডাকটি দেয়, তাতে আমি গর্ব অনুভব করি।’

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন