তাকে দ্রুতই জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে- নান্নু!

বল হাতে এক প্রকার তান্ডব দেখাতে প্রস্তুত শরিফুল। বল হাতে তার গতি, সুইংয়ের জন্য তিনি চলে গিয়েছেন অন্য এক উচ্চতায়। আর এই ব্যাপারে কথা বলেছেন নান্নু নিজেই।

এই ব্যাপারে তিনি বলেন ,’ ‘ওর উচ্চতা ভালো। এরমধ্যে ভালো পারফরম্যান্সও করেছে। আশা করি, সব ফরম্যাটেই ভালো করার ক্ষমতা রয়েছে ওর।’আমাদের যুব দলে শরিফুলের মতো ভালোমানের একজন পেসার রয়েছে।তার ভালো করা সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বোলিংয়ে সে ধারাবাহিক। ভ্যারিয়েশন রয়েছে। গতিও আছে। সে সম্ভাবনাময় পেসার। সে আরও উন্নতি করতে পারলে দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ পাবে। এই ব্যাপারে কোন ডাউট নেই।’

ভাতা দেয়ার নামে ঘুষ নেয়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে গণপি,টুনি দিলেন নারীরা!

বয়স্ক ও বিধবা ভাতা দেয়ার নাম করে অসহায় নারীদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এক দল বিক্ষুব্ধ নারীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার।

বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার গড়মহাস্থান গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী নূরজাহান বেগম, হাবিবর রহমানের স্ত্রী ছালেহা বেগম, মিলন রহমানের স্ত্রী সেলিনা আক্তারসহ ১৫ জন নারী অভিযোগ করেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার সম্প্রতি গড়মহাস্থান গ্রামে গিয়ে মাটি কাটার কাজ, বয়স্ক,

বিধবা ভাতার কার্ড ও মহিলা অধিদপ্তরের সেলাই প্রশিক্ষণের কাজ দেয়ার নামে ১৫-২০ জন নারীর কাছ থেকে ৭-৮ হাজার করে টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তাদের কাজ ও কার্ডের ব্যবস্থা করে না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ভুক্তভোগী নারীরা।

বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের গেটের সামনে গিয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তারের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চান। ভাইস চেয়ারম্যান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ নারীরা ভাইস চেয়ারম্যানকে গণপিটুনি দেন। রাতেই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

তবে ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা আক্তার বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের লেলিয়ে দেয়া কিছু নারী আমাকে মারপিট করে আহত করেছে। বর্তমানে আমি বগুড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমাকে সামাজিকভাবে অপমান করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু বলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে মি,থ্যা অভিযোগ করছেন। মাটি কাটার কাজ, বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়া ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা বলে সাধারণ নারীদের কাছ থেকে ৭-৮ হাজার করে টাকা ঘুষ নিয়ে কার্ড করে দেননি। সে কারণে বিক্ষুব্ধ নারীরা টাকা ফেরত চেয়ে না পেয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য সঠিক তদন্তের দাবি জানাই আমি।

নারী কনস্টেবল প্রেমিকা সেজে আসামি ধরলেন!

নারী কনস্টেবলপ্রেমিকা সেজে আসামি ধরেছেন এক নারী পুলিশ সদস্য। গত শুক্রবার ট্রাক্টর চোর চক্রের ওই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইলের সখীপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, তাদের এক নারী সদস্য ট্রাক্টর চোর চক্রের এক সদস্যকে ধরেছেন। তবে এ জন্য ওই নারী পুলিশকে প্রেমের অভিনয় করতে হয়েছিল।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, সংঘবদ্ধ চোর চক্রকে ধরার স্বার্থে গ্রেপ্তারের বিষয়টি এত দিন গোপন রাখা হয়েছিল। এর আগে একই থানার এসআই ফয়সাল আহমেদ রিকশাওয়ালা সেজে হত্যা মামলার আসামি ধরেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাব্বির আহমেদ ওরফে বাবু (৩৫)। সাব্বির আহমেদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তানভীর আহমেদ (৩০) নামের আরেক ব্যক্তিকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সাব্বির আহমেদ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার বাসিন্দা। তানভীর কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার উত্তর মোল্লাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুল্লাহ বলেন, ১১ সেপ্টেম্বর সকালে সাব্বির জমি চাষ করবেন বলে লাক মিয়া নামের এক ট্রাক্টরমালিককে সখীপুরের কচুয়া বাজারে আসতে বলেন। লাক মিয়া ট্রাক্টর চালিয়ে কচুয়া বাজারে আসেন। এরপর সংঘবদ্ধ চোরেরা লাক মিয়াকে জুসের সঙ্গে অচেতনকারী ওষুধ খাওয়ায়। এরপর তারা লাক মিয়ার ট্রাক্টর ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। লাক মিয়াকে বাজারের একটি ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর লাক মিয়া বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন।

এসআই বলেন, ট্রাক্টর নেয়ার কয়েক দিন পর সাব্বির মোবাইল ফোনে লাক মিয়ার কাছে টাকা দাবি করেন। বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা দিলে ট্রাক্টর ফেরত দেয়া হবে বলে জানান সাব্বির। লাক মিয়া বিষয়টি থানার পুলিশকে জানান।

আসামি সাব্বিরকে ধরতে সখীপুর থানার নারী কনস্টেবল পারুল আক্তার ওই নম্বরে ফোন দিয়ে প্রেমের অভিনয় করেন। একপর্যায়ে সাব্বির ওই নারী পুলিশের প্রেমে পড়ে যান। ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে সাব্বির তার প্রেমিকা পারুলের সঙ্গে দেখা করতে সখীপুর আসেন। সখীপুর পিএম মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে পারুলের সঙ্গে সাব্বিরের দেখা হয়। সাদাপোশাকে পুলিশ ওই বিদ্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে নারী পুলিশ পারুল সাব্বিরের জামার কলার ধরে টেনে এনে অন্য পুলিশ সদস্যদের কাছে তুলে দেন।

এসআই ওবায়দুল্লাহ বলেন, সাব্বিরের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানভীরকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাক্টরটি উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, সাব্বির ট্রাক্টরটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। পুলিশ ট্রাক্টর বিক্রির ৫০ হাজার টাকাও উদ্ধার করেছে।

স্বামীকে নিতে আবারও বাংলাদেশে এলেন আমেরিকার শ্যারুন!

স্বামী আশরাফ উদ্দিনকে (২৬) নিয়ে যেতে আবারও বাংলাদেশে এসেছেন আমেরিকার নিউইয়র্কের নারী শ্যারুন খান (৪০)। প্রেমের টানে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন শ্যারুন। এরপর ১০ এপ্রিল ঢাকায় একটি কাজি অফিসে বিয়ে করেন তারা।

প্রায় দেড় বছর পর বুধবার (২ অক্টোবর ২০১৯) তাদের বউভাতের অনুষ্ঠান হয়। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর স্বামীকে নিউইয়র্কে নিতে বাংলাদেশে আসেন শ্যারুন।

ফরিদপুর সদর উপজে’লার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের মো. আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে আশরাফ উদ্দিন। তিনি (আশরাফ) ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেছেন। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় আশরাফ। তার বাবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে গাড়িচালক পদে কর্ম’রত।

শ্যারুন খান আমেরিকান মু’সলিম। তিনি নিউইয়র্কে একটি ব্যাংকে কর্ম’রত বলে জানিয়েছেন। তার বাবা সোলেমান খান ও মা এলিজা খান। দুই বোনের মধ্যে শ্যারুন বড়।

আশরাফ জানান, শ্যারুনের সঙ্গে ফেসবুকে তার পরিচয়। এক সময় প্রেম হয়। তিনি বলেন, ‘ওর মধ্যে কোনো জটিলতা, সন্দেহ বা অবিশ্বা’সের ছায়া দেখিনি। আসলে জীবনে বাঁচতে হলে শান্তিটাই মুখ্য, বয়স বেশি না কম কিংবা দেখতে ভালো না খা’রাপ, সেটা বিচার্য কোনো বিষয় নয়।’

বাংলাদেশে আশরাফকে বিয়ে করতে ছুটে আসা প্রসঙ্গে শ্যারুন বলেন, আমেরিকা খুব ব্যস্ত। সেখানে কেউ কারও কোনো খবর নেয় না। এমনকি নিকটাত্মীয়ও না। কিন্তু পরিচয়ের পর থেকে আশরাফ সবসময় খোঁজ-খবর নিতেন। খেয়েছি কি না, শরীর কেমন আছে- এসব জানতে চাইতেন।

তিনি জানান, এবার তিনি বাংলাদেশে এসেছেন মূলত স্বামীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আশরাফের জন্য ভিসা পেতে যতদিন লাগে, ততদিনই তিনি এখানে থাকবেন।

আশরাফের বাবা আলাউদ্দিন মাতুব্বর বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে বউমা এমন ব্যবহার করছে যে, আম’রা অ’ত্যন্ত খুশি। বাংলা না বুঝলেও আমাদের তার ভাষা বুঝতে ক’ষ্ট হচ্ছে না।’

মা নার্গিস আক্তার বলেন, ‘এমন বউ পেয়ে আমি এত খুশি, তা বলার নয়। শ্যারুন আমাকে আম্মু বলে যে ডাকটি দেয়, তাতে আমি গর্ব অনুভব করি।’

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন