টাক মাথায় চুল গজানোর যন্ত্র!

অল্প বয়সে চুল পড়ে টাক হয়ে যাওয়া নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এবার টাক সমস্যার প্রযুক্তিগত সমাধান আনছেন গবেষকেরা। এক ধরনের টুপির মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্র মাথায় পরলে চুল গজাবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা ওই যন্ত্র ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে সফল হয়েছেন ।

উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, ভবিষ্যতে টাক পড়া ঠেকানোর জন্য টুপি পরার মতো সহজ পদ্ধতি চলে আসবে। নিরাপদ ও কম খরচের চুল বৃদ্ধির উদ্দীপক প্রযুক্তি পরীক্ষায় সফলতা এসেছে।

তাঁদের তৈরি বিশেষ যন্ত্র মানুষের দৈনন্দিন নড়াচড়া থেকে শক্তি সঞ্চয় করে তা কাজে লাগাবে বলে আলাদা ব্যাটারির প্রয়োজন পড়বে না। ‘এসিএস ন্যানো’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, মৃদু, কম ফ্রিকোয়েন্সির বৈদ্যুতিক তরঙ্গ চুলের উত্পাদনকে পুনরায় সক্রিয় করতে সুপ্ত ফলিকগুলোকে উদ্দীপ্ত করবে।

গবেষক সুডং ওয়াং বলে, টাকে পুনরায় চুল গজানোর জন্য একটি ব্যবহারিক সমাধান হতে পারে এটি। নতুন চুল গজানোর পরিবর্তে চুল গজানোর সিস্টেমটিকে উদ্দীপ্ত করে এটি।

যাঁদের চুল ঝরতে শুরু করে টাক পড়ার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তাঁদের জন্য এটি ভালো কাজ করবে। যন্ত্রটির আকার ছোট হওয়ায় বেসবল খেলার টুপির মতো যেকোনো টুপির নিচে বসানো যাবে।

গবেষক ওয়াং দাবি করেছেন, তাঁদের এ গবেষণার আগে কম খরচে চুল গজানোর কার্যকর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হয়নি। এতে যেহেতু খুব কম শক্তির বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, তাই এটি নিরাপদ। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

গবেষকেরা বলেন, এ যন্ত্র ব্যবহারে চুল গজানোর জন্য ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। চুল গজানোর জন্য ওষুধ খেলে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হয়।

কবে নাগাদ এ যন্ত্র বাজারে আসবে, তা এখনো প্রকাশ করেননি গবেষকেরা। তথ্যসূত্র: পিটিআই।

ফিটনেস বাড়ায় ও মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে দুধ!

সেই কোন যুগ-যুগান্তর ধরে দুধের জয়গান গেয়ে চলেছে মধ্যবিত্ত বাঙালি৷ দুধের অনেক গুণ৷ জেনে নেওয়া যাক একঝলকে৷

এই দুধকে বলা হয় সুষম খাদ্য৷ এতে খাবারে ছ-টি উপাদানই রয়েছে৷ ভিটামিন, মিনারেলস, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন, কী নেই এতে৷

অ্যাসিডিটির সমস্যা, পিরিয়ডের সময়ে তীব্র যন্ত্রণা, কাজের জায়গায় স্ট্রেসে অস্থির অবস্থা, এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে এক গ্লাস দুধ। প্রতিদিন মাত্র এক গ্লাস দুধ খেলেই এমন অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি আমরা।

দুধে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত করে। দুধের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতে শোষিত হয়ে এদের গড়ন শক্ত করে। প্রতিদিন দুধ খেলে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, দাঁতে পোকা ধরা ও ছোপ পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়৷ এমনকি, হাড়ক্ষয়ের মতো সমস্যা থেকেও সুরাহা মেলে দুধ খেলে৷

মনে রাখবেন, প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে অন্যান্য খাবারের চাহিদা অনেকাংশে মিটে যায়। ব্রেকফাস্টের সময়ে খেলে অনেক সময়ে ধরে তা পেটে থাকে। ফলে বারবার খিদে পায় না৷ তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিনের ডায়েটে দুধ রাখুন।

দুধে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল ফিটনেস বাড়ায় ও মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে। দুধ খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়৷ কারণ দুধে থাকে মেলাটনিন৷ মস্তিষ্ক শিথিল থাকে ও মানসিক চাপমুক্ত হয় মন।

দুধ শরীরকে রি-হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় ভুগলে এক গ্লাস দুধ খেয়ে নিন চট করে৷ দেখবেন অল্পক্ষণের মধ্যেই চাঙ্গা হয়ে যাবেন৷ আর হ্যাঁ, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে ঘুমনোর আগে প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধ খেয়ে নিন৷ দেখবেন কাজে দেবে৷

তবে আবারও বলি, দুধে যাঁদের অ্যালার্জি আছে, দুধ যাঁদের পেটে সহ্য হয় না, ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে যাঁদের, তাঁরা কিন্তু দুধ খাবেন না৷ তাতে করে হিতে বিপরীত হবে৷ আর, খেলেও ডাক্তারের পরামর্শ মতো সীমিত পরিমাণ খাবেন৷

যে বিষয়গুলো মেনে চললে বয়স দশ বছর কম দেখাবে নারীদের!

দীর্ঘ দিন তারুণ্য ধরে রাখতে কে না চায়। কিন্তু কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে আমাদের দেখতে আসল বয়সের থেকেও অনেক বেশি বয়স্ক মনে হয়।

তবে খুব সাধারণ কিছু বিষয় মেনে চললে আসল বয়সের চেয়ে দশ বছর কম দেখাবে নারীদের। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো-

১. ঘুমানোর সময় উপুড় হয়ে না শুয়ে সোজা থাকুন। উপুড় হয়ে ঘুমালে ত্বক ঝুলে যায়, রক্ত চলাচল বাধা পায়।

২. সকালের মিষ্টি রোদ থেকে যেমন আমরা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাই। তেমনি প্রখর রোদে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের চোখের চারপাশের ত্বক বেশি কোমল হয়। ফলে ক্ষতিটাও দ্রুত হয়, বয়সের ছাপ পড়ে, ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়। এজন্য রোদে অবশ্যই সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

৩. চিপস বা চিকেন ফ্রাই খেতে যতই পছন্দ করেন, স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্যের কথা মাথায় রাখুন। প্রচুর ফল-সবজি, মাছ আর লাল-চাল, আটার তৈরি খাবার খান।

৪. দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলেও আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সব থেকে ভালো হয় এসিতে কম থাকলে। আর যদি থাকতেই হয়, তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৫. সারাদিন যারা স্মার্টফোনে থাকেন, তখন হাতটা কোনো টেবিলে রাখুন। অথবা কথা বলার সময় ফোনটি হাত দিয়ে কানে ধরে রাখুন। নয়তো ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ডাবল চিন হয়, চেহারা বুড়িয়ে যায়।

নাভি দেখেই জেনে নিন নারীদের গোপন তথ্য!

জানেন কি, নাভির আকারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নারীদের চরিত্রের গোপন কথা। কোন নারী কেমন স্বভাবের তা জানার জন্য সহজ উপায় হচ্ছে তার নাভি। নাভির আকৃতি দেখেই একজন নারীর স্বভাব সম্পর্কে জানা যায়।

শুধুমাত্র শারীরিক সৌন্দর্য দিয়ে নিশ্চয় সারা জীবন কাটানো সম্ভব নয়। তাই জানতে হবে কে কেমন মানুষ এবং কোন নারীর চরিত্র কেমন? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক নাভি আকৃতি দেখে নারীদের গোপন তথ্য-

গোল আকৃতির নাভি
যাদের নাভি গোল হয়, সেই নারীরা খুব সরল ও সাদাসিধে এবং ঘরোয়া হয়। শাস্ত্র বলছে, এই নারীরা সংসারে সুখ সমৃদ্ধি আনে।

গভীর নাভি
যে নারীদের নাভি গভীর হয়, তারা বন্ধুত্ব করতে খুব ভালোবাসেন। শাস্ত্র বলছে, এরা সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি আনে। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে না।

চন্দ্রাকার নাভি
শাস্ত্র মতে, যাদের নাভি চাঁদের মতো, সেইসব নারীদের থেকে পুরুষদের দূরে থাকাই ভালো। কারণ এরা কারো উপর বিশ্বাস করেন না।

নাভি যদি বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকে
যদি কোনো নারীর নাভি বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকে, তারা খুব সৌভাগ্যবতী হন। যেখানে এরা যান, সেখানে ধন-সম্পত্তির কোনো কমতি থাকে না।

নাভির ভিতরের অংশ অনেকটা বাইরে থাকলে
সেক্ষেত্রে সেই নারীরা খুব কঠোর প্রকৃতির হয়। এটাও বলা হয়, মা হতে গিয়ে এই নারীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

যাদের নাভি খুব সেন্সিটিভ হয়
যাদের নাভি খুব সেন্সিটিভ, তারা খুব হাসিখুশি হয়। কঠিন পরিস্থিতিতেও মুখের হাসি বজায় থাকে এদের।

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন