যে বিষয়গুলো মেনে চললে বয়স দশ বছর কম দেখাবে নারীদের!

দীর্ঘ দিন তারুণ্য ধরে রাখতে কে না চায়। কিন্তু কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে আমাদের দেখতে আসল বয়সের থেকেও অনেক বেশি বয়স্ক মনে হয়।

তবে খুব সাধারণ কিছু বিষয় মেনে চললে আসল বয়সের চেয়ে দশ বছর কম দেখাবে নারীদের। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো-

১. ঘুমানোর সময় উপুড় হয়ে না শুয়ে সোজা থাকুন। উপুড় হয়ে ঘুমালে ত্বক ঝুলে যায়, রক্ত চলাচল বাধা পায়।

২. সকালের মিষ্টি রোদ থেকে যেমন আমরা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাই। তেমনি প্রখর রোদে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের চোখের চারপাশের ত্বক বেশি কোমল হয়। ফলে ক্ষতিটাও দ্রুত হয়, বয়সের ছাপ পড়ে, ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়। এজন্য রোদে অবশ্যই সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

৩. চিপস বা চিকেন ফ্রাই খেতে যতই পছন্দ করেন, স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্যের কথা মাথায় রাখুন। প্রচুর ফল-সবজি, মাছ আর লাল-চাল, আটার তৈরি খাবার খান।

৪. দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলেও আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সব থেকে ভালো হয় এসিতে কম থাকলে। আর যদি থাকতেই হয়, তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৫. সারাদিন যারা স্মার্টফোনে থাকেন, তখন হাতটা কোনো টেবিলে রাখুন। অথবা কথা বলার সময় ফোনটি হাত দিয়ে কানে ধরে রাখুন। নয়তো ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ডাবল চিন হয়, চেহারা বুড়িয়ে যায়।

যাদের হাত ধরে বাংলাদেশের ক্যাসিনো কালচার!

সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাসিনো নিয়ে বেশ তোলপাড় চলছে। গত রাতে র‌্যাব এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বিভিন্ন ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়েছে এবং অন্তত তিনটি ক্যাসিনো সিলগালা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এই ক্যাসিনো কালচার নতুন নয়। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগই যে এই ক্যাসিনো কালচার শুরু করেছে বলে যেমনটা প্রচার করা হচ্ছে, বাস্তবতা তেমনটাও নয়। ইনসাইডার

অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে ক্যাসিনো কালচার শুরু করেছিলেন সাদেক হোসেন খোকা এবং মির্জা আব্বাস। ’৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ব্রাদার্স ইউনিয়নে ক্যাসিনো কালচার শুরু হয়েছিল। ব্রাদার্স ইউনিয়নের এই জুয়ার আসরে বিএনপির অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিও যেতেন।

ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্যাসিনোর মাধ্যমেই সাদেক হোসেন খোকার উত্থান। সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য সে সময় মির্জা আব্বাসও মতিঝিলের ক্লাবগুলো দখল করেন। তখন আরামবাগ ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবেও ক্যাসিনো শুরু করা হয় মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে।

মির্জা আব্বাস আর সাদেক হোসেন খোকার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মোসাদ্দেক আলী ফালু মোহামেডান ক্লাবেও ক্যাসিনো শুরু করেছিলেন। তবে সেখানে ভিন্নরূপে শুরু করা হয়েছিল হাউজি ব্যবসা।

৯১-৯৬ সালে বিএনপির আমলে একমাত্র আবাহনী ছাড়া অন্য সবগুলো ক্লাবেই জুয়া-ক্যাসিনোর বাজার বসানো হয়েছিল। বিএনপির প্রভাবশালী তিন নেতার তত্ত্বাবধানেই এগুলো চলছিল। এরা হলেন সাদেক হোসেন খোকা, মির্জা আব্বাস এবং মোসাদ্দেক আলী ফালু।

বিএনপি চলে যাওয়ার পর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও এই ক্লাবগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল বিএনপির হাতেই। তখনও পুলিশের নাকের ডগায় বসেই এই ক্যাসিনোগুলো চলেছে। সাদেক হোসেন খোকা তখন এমপি থাকার কারণে কেউ তাকে স্পর্শ করেনি। মির্জা আব্বাসের ক্যাসিনোও চলেছে ঠিকঠাক মতোই। আর মোসাদ্দেক আলী ফালু তখন অনেক প্রভাবশালী হওয়ার কারণে মোহামেডানে হাউজি এবং জুয়ার আসরের পরিধি বেড়েছিল বহুগুণে। মোহামেডান ছাড়াও মোসাদ্দেক আলী ফালু তখন রহমতগঞ্জ ক্লাবও দখল করে নিয়েছিলেন। সেখানেও দেদারসে চলো ক্যাসিনো ব্যবসা।

২০০৬ এ বিএনপি পতনের পর ওয়ান ইলেভেন সরকার আসলে এই ক্যাসিনো বাণিজ্য লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সবগুলো ক্লাবেই তখন জুয়ার আসর বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দুই বছর কোনো ক্যাসিনো ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে ধাপে ধাপে ক্যাসিনোগুলো আবার চালু করা হয়।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, প্রত্যেকটি ক্যাসিনোর সঙ্গে স্থানীয় থানা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগসাজশ আছে। তাদের সাথে আঁতাতের মাধ্যমেই এই ক্যাসিনোগুলো পরিচালিত হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে ক্যাসিনোর কথিত মালিকদের সুসম্পর্কের কথা সবাই জানতো। এজন্যই ক্যাসিনো নিয়ে কেউই মুখ খুলতো না।

সাকিবের সঙ্গে সেলফিতে থাকা সেই তরুণরা এখন…!

একটা সময়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অধীর আগ্রহে থাকতেন আমিনুল ইসলাম ও আফিফ হোসেনের মতো তরুণ ক্রিকেটাররা। এখন সেই সাকিবের সঙ্গেই জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম শেয়ার করছেন আমিনুল-আফিফরা।

বৃহস্পতিবার সকালে ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো তাদের অফিসিয়াল টুইটারে একটি ছবি পোস্ট করেছে। ছবিটি ছিল ২০১৬ সালের। তখন সাকিব আল হাসান ভারতের কলকাতার ইডেন গার্ডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল খেলায় ব্যস্ত ছিলেন।

সেই সময় বাংলাদেশ বয়সভিত্তিক দল ভারত সফরে যায়। বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা সাকিব আল হাসানের খেলা দেখার জন্য ইডেন গার্ডেনসে যান। আইপিএল ম্যাচ শেষে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ছবিতে পোজ দেন আফিফ হোসেন ও আমিনুল ইসলামসহ বেশকিছু তরুণ ক্রিকেটার।

আর সেই ছবিটিই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে ক্রিকইনফো। তার পেছনে বেশ কারণও আছে। তিন বছর আগে আফিফ-আমিনুলের মতো তরুণরা সাকিবের সঙ্গে সেলফি তোলার আগ্রহে থাকলেও এখন সেই সাকিবের সঙ্গেই জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন তারা।

বুধবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় আমিনুলের। অভিষেক ম্যাচেই সাফল্য পেয়েছেন ১৯ বছর বয়সী লেগ স্পিনার আমিনুল। নিজের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে এসেই জিম্বাবুয়ের মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান টিনোটেন্ডা মুতুমবজিকে সাজঘরে ফেরেন আমিনুল। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজার উইকেট শিকার করেন এ লেগ স্পিনার।

অন্যদিকে আফিফ হোসেন চলতি ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে পরাজয়ের শঙ্কা দূর করে অবিশ্বাস্য জয়ে ২৬ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।

বোরকা পরে নারী সেজে মিন্নির ছবি তোলা মানুষটি কে? তাকে দেখে মনে হয়েছে, ‘তিনি নারী নয়, পুরুষ।’

আলোচিত মামলার শুনানির দিন আদালত প্রাঙ্গণে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদারের রেওয়াজ বহু পুরনো। বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হ’ত্যা মামলার ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় হয়নি। রিফাত হ’ত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ, রিমান্ড শুনানি, স্বীকারোক্তি প্রদানসহ মামলার জামিন শুনানির দিন বরগুনার আদালত প্রাঙ্গণ ছিল নিরাপত্তাবেষ্টনীতে মোড়ানো।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রিফাত হ’ত্যা মামলার অভিযোগপত্রের শুনানির দিনও আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তাবেষ্টনী ছিল। মামলার শুনানি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সকাল থেকে পুলিশ ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

আদালতের কার্যক্রম শুরুর আগে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা এ মামলার অপর সাত অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সকালে অভিযোগপত্রের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মামলার মূল নথি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় শুনানি শুরু হতে বিলম্ব হয়। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী অভিযোগপত্র শুনানির জন্য দুপুর ২টায় নির্ধারণ করেন।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে আসেন মিন্নি। এরপর আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত বাবার সঙ্গেই আদালতের একটি কক্ষে অবস্থান করেন তিনি।

অভিযোগপত্র শুনানির জন্য বিচারক দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করার কারণে বেলা ১১টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে বাসায় যান মিন্নি।

আদালত থেকে বের হয়ে আদালত প্রাঙ্গণে বাবার মোটরসাইকেলে ওঠার আগ পর্যন্ত মিন্নির ছবি সংগ্রহ করেন সংবাদকর্মীরা। তখন মিন্নিকে দেখতে জড়ো হন সাধারণ মানুষও। এতে লোকে লোকারণ্য হয় আদালত প্রাঙ্গণ।

লোকে লোকারণ্য আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকরা যখন সবার ছবি তুলছিলেন তখন ব্যতিক্রমী পোশাকে মোবাইল হাতে মিন্নির ছবি তুলতে হাজির হন এক ব্যক্তি। সংবাদকর্মী ও উৎসুক মানুষকে ভেদ করে একের পর এক মিন্নির ছবি তুলছেন ওই ব্যক্তি। এ সময় সবার চোখ পড়ে ওই ব্যক্তির দিকে। দেখা যায় হাতে-পায়ে মোজাসহ বোরকা পরিহিত ওই ব্যক্তি মিন্নির খুব কাছ গিয়ে ছবি তুলছেন। মিন্নি আদালত প্রাঙ্গণে থাকা পর্যন্ত সাংবাদিকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে মিন্নির ছবি তোলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয় স্থানীয় সাংবাদিকদের। সর্বাঙ্গ ঢেকে মিন্নির ছবি তোলা ওই ব্যক্তি ‘নারী নয় বরং পুরুষ’ এমনটিও বলেছেন কেউ কেউ। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। এমনকি স্থানীয় সাংবাদিক ও মিন্নির পরিবারের সদস্যরাও ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারেননি।

আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে থাকা কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, অভিযোগপত্রের শুনানি থাকায় বুধবার সকাল ৯টার দিকে আদালতে উপস্থিত হন মিন্নি। আদালতের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এজলাসের পাশের একটি কক্ষে বাবার সঙ্গে বসে থাকেন তিনি। এ সময় হাত-পায়ে মোজা ও বোরকা পরিহিত এক ব্যক্তি মিন্নির কক্ষের বাইরে ঘোরাফেরা করেন। তবে বিষয়টি তখন আমরা গুরুত্ব দেইনি। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে ছবি তোলার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে মিন্নির ছবি তোলেছেন ওই ব্যক্তি। তাকে দেখে মনে হয়েছে, ‘তিনি নারী নয়, পুরুষ।’

বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য বুধবার আমি আদালতে যাই। বোরকা পরিহিত ওই মানুষটিকে দেখে মনে হয়েছে একজন ধার্মিক নারী। কিন্তু মিন্নির ছবি তোলার সময় তিনি যেভাবে হুলুস্থুল করেছেন, তাতে মনে হয়েছে তিনি নারী নয়, পুরুষ। বিষয়টি খুবই সন্দেহজনক। তাই হাত-পা মোজা ও বোরকা পরিহিত ওই মানুষটি কে তা জানা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, কারামুক্ত হওয়ার আগ থেকে মিন্নির নিরাপত্তাহীনতাসহ হুমকির কথা বলছেন মিন্নির বাবা। বুধবারের ঘটনাটি মিন্নির নিরাপত্তা নিয়ে সর্বোচ্চ সংশয় তৈরি করল। এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ বোরকা পরিহিত ওই মানুষটিকে খুঁজে বের করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করছি।

এ বিষয়ে মিন্নির বাবা মো. মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘আমি যখন মিন্নিকে নিয়ে আদালত থেকে বের হচ্ছিলাম তখন বোরকা পরিহিত ওই মানুষটি মিন্নির কাছে এসে ছবি তোলা শুরু করে। তাকে দেখে ধর্মপ্রাণ নারী মনে হলেও তিনি যেভাবে মিন্নির কাছে এসেছেন, সেটা তার পোশাকের সঙ্গে বেমানান। আদালত প্রাঙ্গণে ওই ব্যক্তির কার্যকলাপ দেখে আমার সন্দেহ হয়েছে। বোরকা পরা হলেও ওই ব্যক্তি পুরুষ। নারী সেজে আমাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন কিনা এটা জানা দরকার। পুলিশকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবীর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। সাংবাদিকদের কাছ থেকে ঘটনাটি শুনেছি। ওই ব্যক্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেব আমরা। সূত্র : জাগোনিউজ২৪

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন