পৃথিবীর চেয়েও বেশি বসবাস উপযোগী পরিবেশ এক্সোপ্ল্যানেটে!!

তরল পানির উপস্থিতিই পৃথিবীতে প্রাণ থাকার পেছনে অন্যতম কারণ। আর এক্সোপ্ল্যানেটেও পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তা বিজ্ঞানীরা মনে করছেন গ্রহটি বসবাসের জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় এ ধরণের তথ্য উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, আমাদের পৃথিবী একটি প্ল্যানেট বা গ্রহ। এই গ্রহসহ আমাদের সৌরজগতের আরও ৮টি (মতান্তরে আরও ১০টি) গ্রহ একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। আর সেই নক্ষত্র হল সূর্য। এই মহাবিশ্বে সূর্যের চেয়েও শক্তিশালী বা দুর্বল অসংখ্যা নক্ষত্র রয়েছে। আর তাদেরকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আরো অনেক গ্রহ। সেইসকল গ্রহ বা প্ল্যানেটই হল এক্সোপ্ল্যানেট। মূলকথা আমাদের সৌরজগতের বাইরের সকল প্ল্যানেটই এক্সোপ্ল্যানেট।

গবেষণার তথ্যে বলা হয়েছে, এক্সোপ্ল্যানেটে জীবন ধারণের জন্য অনেক ভালো পরিবেশ থাকতে পারে। যা আমাদের কল্পনার চেয়েও ভালো কিছু হতে পারে। বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহের সমুদ্রের সঞ্চালন এবং বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু অবস্থা জানার জন্য সফটওয়্যারটি রোক -৩ (থ্রি) ডি ব্যবহার করেন।

পৃথিবীতে জীবন একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবাহ বা উচ্ছ্বাসের উপর নির্ভর করে। যা অন্ধকার থেকে তৈরি হয়ে আলোকজ্জ্বল অংশগুলো থেকে পুষ্টি সঞ্চার করে, যেখানে আলোকসংশোধনমূলক জীবন সমৃদ্ধ হয়। গবেষকরা বলছেন, মূলত সূর্যের আলো থেকেই পুষ্টির পুনর্নির্মাণ হয় এবং জৈবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদিত হয়।

তাই গবেষকদল সফটওয়্যার ব্যবহার করে গ্রহ ও এক্সোপ্ল্যানেটগুলো ঘেটে দেখার চেষ্টা করেছেন কোনও গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট জীবের বসবাসের জন্য অতিথিপরায়ণ।

শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক স্টেফানি ওলসন বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বার্সেলোনায় গোল্ডস্মিড্ট জিওকেমিস্ট্রি সম্মেলনে এই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল উপস্থাপনের সময় বলেন, পৃথিবী সর্বোত্তম বাসযোগ্য গ্রহ হতে পারে না। সোলার প্যানেলের বাইরে অন্য কোথাও এমন পরিবেশ থাকতে পারে যা আমাদের নিজ গ্রহের চেয়েও বেশি অতিথিপরায়ণ।

ওলসন বলেন, এটা একটি আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্ত। এটি আমাদের দেখায় যে অনুকূল সমুদ্রের সংবহন নিদর্শনগুলির সাথে কিছু এক্সপ্লেনেটসের শর্তগুলি জীবনকে সমর্থন করার জন্য আরও উপযুক্ত হতে পারে, যা পৃথিবীর জীবনের চেয়ে বেশি প্রচুর বা সক্রিয়।

নাসা বলেছে, আমাদের নিজস্ব সৌরজগতে অন্য কোথাও জীবন সন্ধান করার সর্বোত্তম সুযোগ ‘বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপা’ এবং ‘শনির চাঁদ এনসেলেডাস’। এ অঞ্চলের অভ্যন্তর এক্সোপ্ল্যানেট সন্ধানের সাথে জড়িত। এগুলো পৃষ্ঠের তাপমাত্রার জন্য ঠিক দূরত্বে রয়েছে যা পৃষ্ঠের তরল জলকে সমর্থন করতে পারে।

নাসা মহাবিশ্বে জীবন অনুসন্ধানের জন্য তথাকথিত বাসযোগ্য গ্রহগুলোর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করছে, যেগুলোতে পৃথিবীর মতো তরল জল বা মহাসাগরের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অবশ্যই সমস্ত মহাসাগর সমানভাবে অতিথিপরায়ণ হবে না। কিছু মহাসাগর অন্যদের চেয়ে ভালো থাকার জায়গা হতে পারে, যোগ করেন ওলসন।

ধর্ষণের পর কান্নাকাটি করায় শ্বাস রোধ করে হত্যা!!

কমলাপুরে ট্রেনের ভেতর আসমা খাতুন নামের এক মাদরাসাছাত্রীকে ধ’র্ষণের পর হ’ত্যার মামলার আসামি মারুফ হোসেন বাধন (১৯) দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। গতকাল বিকেলে তাকে রিমান্ড চেয়ে ঢাকা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু বাধন হ’ত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কমলাপুর রেলওয়ে থানার ওসি রসু বণিক এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, বাধন তার স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছে, দুই বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের জের ধরে বাধন গত ১৯ আগস্ট তাকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে করে ঢাকায় নিয়ে আসে। ওই দিন ভোরে ঢাকায় এসে কমলাপুর রেলস্টেশনে নামে। নামার পর থাকার জন্য আবাসিক হোটেল খুঁজতে থাকে, কিন্তু কোনো হোটেলে রুম ভাড়া পায়নি। এরপর কমলাপুরে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে হোটেলে খাওয়াদাওয়া করে। একপর্যায়ে স্টেশনের ওয়াশফিল্ড এলাকায় পরিত্যক্ত ট্রেনের বগিতে তাকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধ’র্ষণ করে। ধ’র্ষণ করার পর সে কান্নাকাটি করতে থাকে। এতে বাধন ভয় পায়। তখন কী করবে মাথায় আসছিল না। তাকে চুপ করতে বলে। আসমা চুপ না করায় তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হ’ত্যা করে। হ’ত্যার পর বাধন সেখান থেকে বের হয়ে খিলগাঁওয়ে যায়। এরপর গাবতলীতে গিয়ে বাসে চড়ে পঞ্চগড়ে চলে যায়।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ওয়াশ ফিল্ড এলাকায় পরিত্যক্ত ট্রেনের বগি থেকে মাদরাসাছাত্রী আসমার ম’রদেহ উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ম’রদেহের ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসক জানান, তাকে শ্বা’স রোধ করে হ’ত্যা করা হয়েছে এবং হ’ত্যার আগে ধ’র্ষণ করা হয়। গত ১৮ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল পঞ্চগড় সদর উপজেলার ওই মাদরাসাছাত্রী। এ ঘটনায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে থানায় একটি হ’ত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পানের যাদুকরী কিছু ভেষজগুণ!

রসিয়ে রসিয়ে মনের আনন্দে পান খান অনেকেই। কেউ কেউ নিয়মিত খেয়ে থাকেন আবার কেউ মাঝে মধ্যে খান। অনেকে আবার মুখ দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য পান চিবিয়ে থাকেন। এই পানের সঙ্গে সুপারি যেমন থাকে তেমনি থাকে অন্যান্য উপাদেয় সামগ্রী। পান তো স্বাদ বা মজার জন্য খেলেন, জানেন কি এর কত উপকার?

দেহের ক্লান্তি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা কাটানোর জন্য কয়েকটা পান পাতার রস এক চামচ মধু দিয়ে খেলে নাকি তা টনিকের মতো কাজ করে। খাবার হজম হতে সাহায্য করে। পান পাতা সেবনে দেহের চর্বি বা মেদ এবং ওজনও কমে বলে জানা গেছে।
এবার জেনে নিন পান খাওয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা-

হজমে সাহায্য করে
পান খেলে লালাগ্রন্থির নিঃসরণ বেড়ে যায়। এ লালার কারণেই হজমের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়। লালার মধ্যে থাকা বিভিন্ন এনজাইম বা উৎসেচক খাদ্যকে কণায় ভাঙতে সাহায্য করে যার ফলে হজম ভালো হয়। শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও এ উপকার পাওয়া যায়।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
খাবার গ্রহণের পর তার কণা মুখের ভেতরে, দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে। এগুলো ব্যাকটেরিয়া পচিয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। পান খেলে তার রস জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এসব ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না। যার ফলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং দুর্গন্ধমুক্ত হয়।

যৌন শক্তি বাড়ায়
এটি একটি পুরনো প্রথা তবে কার্যকর। পানের রস যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে। আগেকার দিনে নববিবাহিতরা বেশি বেশি পান খেতেন।

গ্যাস্ট্রিক আলসার দূর করে
পান খেলে পেটে বায়ু জমে কম। যার ফলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার সৃষ্টির সুযোগ পায় না। পানের রস হজমে সাহায্য করায় তা পেটে বদ গ্যাস তৈরিও রোধ করে। যার ফলে পেট ফাঁপে না।

জন্মরোধ করে
পান গাছের শিকড় বেটে রস করে খেলে ছেলেপুলে হয় না। জন্ম নিরোধক বড়ি না খেয়েও এটা জন্মনিয়ন্ত্রণে সেবন করা যায়। বিভিন্ন দেশের গবেষণায় এর প্রমাণও মিলেছে।

উঁকুন মারে
মাথায় উঁকুন হলে গোসলের কিছুক্ষণ আগে পান পাতার রস মাথায় লাগিয়ে বসে থাকলে উঁকুন মারা যায়। এ কাজে ঝাল জাতীয় পান হলে ভালো হয়।

ফোঁড়া ফাটায়
পান পাতার চকচকে সবুজ পিঠে ঘি মাখিয়ে একটু সেঁক দিয়ে গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগিয়ে দিলে দ্রুত ফোঁড়া পেকে ফেটে যায়। আবার পাতার উল্টো পিঠে ঘি মাখিয়ে একইভাবে বসিয়ে রাখলে তা পুঁজ টেনে বের করে আনে। ঘিয়ের বদলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করেও একই ফল পাওয়া যায়।

চর্মরোগ সারায়
দেহের কোথাও চুলকানি বা পাঁচড়া হলে সেখানে পান পাতার রস লাগিয়ে দিলে কয়েক দিনের মধ্যে তা ভাল হয়ে যায়।

মুখ ও দাঁতের উপকার করে
দাঁতের মাঢ়ি দূষিত হলে ফুলে যায় এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কুলকুলি করলে ধীরে ধীরে ক্ষত শুকিয়ে যায়। মুখগহ্বরে কোনো ক্ষত হলে পানের রসে তার উপশম হয়। পানের রসে এসকরবিক এসিড আছে যা একটি চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটা মুখের ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।

নখের ব্যথা সারায়
অনেক সময় নখের কোণায় ব্যথা হয়। এ অবস্থায় সেখানে কয়েক ফোঁটা পানের রস দিলে ব্যথা চলে যায়।

আঁচিল দূর করে
শরীরে আঁচিল হলে তার উপর কয়েক দিন পানের রস লাগান। এতে তা ধীরে ধীরে খসে পড়বে আঁচিল এবং ওই জায়গায় আর তৈরিও হবে না।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
পান রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে। ফলে পানে রয়েছে ডায়াবেটিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য।

সর্দি বের করে
বুকের ভেতর কফ/সর্দি বা শ্লেষ্মা জমা হলে তা বের করতে পানের রস কার্যকর। এ ক্ষেত্রে পানের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে কয়েক দিন খেতে হবে। এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে যাবে।

মাথা ব্যথা দূর করে
মাথা ব্যথা হলে কপালে পানের রস লেপে দিলে দ্রুত মাথা ব্যথা কমে যায়।

ক্ষত ও ব্যথা সারায়
পানের বেদনানাশক ও ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। কোথাও ব্যথা হলে পান পাতা বেটে মলমের মতো সেখানে লেপে দিলে দ্রুত ব্যথা কমে। দেহের ভেতরে কোথাও ব্যথা হলে পানের রস করে পানিতে মিশিয়ে তা শরবতের মতো খেতে হবে। শুধু পান পাতা চিবিয়ে এর রস খেলেও এ উপকার মিলবে।

ঠাণ্ডা লাগা দূর করে
ঠাণ্ডা লাগা সারাতে পান চমৎকার কাজ করে। ঠাণ্ডা লাগলে সর্দি কাশিও হয়। এক্ষেত্রে পানপাতা গরম পানি দিয়ে ছেঁচে রস বের করতে হবে। এ রসের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়া ও আদার রস মিশিয়ে খেতে হবে।

ক্ষুধা বৃদ্ধি করে
পাকস্থলী গড়বড় হলে সবই উল্টে যায়। খিদেও লাগে না। পাকস্থলীতে অম্লমান বা পিএইচের মাত্রা স্বাভাবিক না থাকলেই এরূপ হয়। পান তা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও ক্ষুধা বাড়বে।

এন্টিসেপটিকের কাজ করে
কোথাও কেটে গেলে দ্রুত সেখানে পানের রস লাগিয়ে দিলে জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকে না। পান পাতা পলিফেনল বিশেষত চাভিকল নামক রাসায়নিক উপাদানে পূর্ণ। এটা জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। এ ছাড়া সেখানে ফোলাও বন্ধ করে, ব্যথার উপশম করে।

পিঠে ব্যথার উপশম করে
নানা কারণে পিঠে ব্যথা হতে পারে। শোয়া থেকেও হয়। বয়স্কদের এ সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। মাংসপেশির টান থেকেও এরূপ ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যথা জায়গায় পান পাতা দিয়ে সেঁক দিলে উপকার মেলে। এ ছাড়া পান পাতার রসের সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে ব্যথা জায়গায় মালিশ করলে ব্যথা কমে।

মূত্র স্বল্পতা ও মূত্রকৃচ্ছতার উপশম করে
যাদের কম প্রস্রাব হয় বা প্রস্রাব করতে গেলে কষ্ট হয় তারা পান পাতার রস সেবন করে উপকার পেতে পারেন। এক্ষেত্রে ১টি পান পাতা ছেঁচে রস করে নিতে হবে। সেই রস একটু দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে উপকার হবে। এতে দেহে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে ও মূত্রকৃচ্ছতা চলে যাবে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
পান পাতায় আছে চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও দেহে ক্যান্সার সৃষ্টি প্রতিরোধ করে। এজন্য রোজ ১০-১২টি পান পাতা পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিতে হবে।

এরপর তা নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। একটু ঠাণ্ডা হলে তাতে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে কুসুম গরম থাকতেই পান করুন। রোজ এটি খেতে পারলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

শিশুদের পেট ব্যথা কমায়
পেটে ব্যথা হলে ছোট্ট শিশুরা কাঁদতে থাকে। বড় শিশুরা পেট চেপে ধরে কাতরাতে থাকে। এ অবস্থায় পান পাতার চকচকে পিঠে নারিকেল তেল মাখিয়ে তা গরম করে সেই পাতা পেটের ওপর চেপে ধরে সেঁক দিতে হবে। ৩-৪ মিনিট পর পর এভাবে কয়েকবার সেঁক দিলে পেটে ব্যথা কমে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে সেঁকের সময় তাপটা যেন বেশি না হয়।

পোড়া সারায়
পুড়ে গেলে সেখানে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া হয়। পোড়া জায়গায় পান পাতা বেটে তার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্রলেপ দিলে যন্ত্রণার উপশম হবে ও পোড়া জায়গা শুকিয়ে যাবে।

তবে পানের কিছু দোষও রয়েছে। পানের নতুন পাতা শ্লেষ্মা বাড়ায়। পান হজম করে বটে তবে বেশি খেলে অজীর্ণ হয়। পানের বোঁটা ও শিরার রস ইন্দ্রিয়ের শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই পানের বোঁটা খাওয়া উচিত নয়। যারা রুগ্ন, দুর্বল, ক্ষীণ স্বাস্থ্যের তারা পান খাবেন না। মূর্চ্ছা রোগী, যক্ষ্মা রোগী ও যাদের চোখ উঠেছে তারও পান খাবেন না।

লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন